/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/20/srk1-2025-11-20-16-40-16.jpg)
জানুন সেই গল্প...
Sushmita Sen: ১৯৯৪ সালে সুস্মিতা সেন ইতিহাস তৈরি করেন, যখন তিনি ভারতের প্রথম মিস ইউনিভার্স হন। স্বাভাবিকভাবেই, দুই বছর পর মহেশ ভাটের দস্তক ছবির মাধ্যমে তিনি বলিউডে পা রাখেন। যদিও ছবিটি বড় সাফল্য পায়নি, তবুও তাঁর অভিনয় এবং ব্যক্তিত্ব মানুষের নজর কেড়ে নেয়। ব্যক্তিগত কিছু বাধা এবং নানা সমস্যার কারণে ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে তিনি অভিনয়-জগৎ থেকে দূরে ছিলেন।
দীর্ঘ বিরতির পর তাঁর কাছে বড় সুযোগ হয়ে ওঠে ওয়েব সিরিজ আরিয়া, যা সেই সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও সফল সিরিজে পরিণত হয়। পরে তালি ছবিতে অভিনয় করে তিনি প্রশংসা আদায় করেন। তবুও তাঁর অভিনয়জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় চরিত্র এখনো রয়ে গেছে ফারাহ খানের পরিচালনায় নির্মিত ২০০৪ সালের ব্লকবাস্টার ম্যায় হুঁ না-এর রসায়নের অধ্যাপিকা চাঁদনী।
The Academy of Fine Arts: 'নির্দ্বিধায় গালাগালি করুন', ফেডারেশনের সঙ্গে দ্বন্দ্বে ইতি! মুক্তি পাচ্ছে দ্যা অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস?
চাঁদনীর চরিত্রে সুস্মিতা সেনকে যে অনিন্দ্যসুন্দর রূপে উপস্থাপন করা হয়েছিল, তা আজও ভক্তদের মনে অমলিন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, যে লাল শাড়িটি ছবিতে তাঁর আইকনিক লুক হয়ে উঠেছিল, সেটি আসলে প্রচণ্ড ঠান্ডা লাগার মতো পাতলা কাপড়ে তৈরি করা ছিল। তার ওপর ফারাহ খানের নির্দেশ ছিল- চাঁদনীর চুল সব পরিস্থিতিতেই উড়বে! তিনি বলেন, "চাঁদনী ক্লাসে থাকলেও চুল উড়ছে, কাঁদলেও উড়ছে, এমনকি বৃষ্টিতেও চুল উড়তেই হবে- এটা ছিল বাধ্যতামূলক।"
প্রথমে পুরো ছবিতে শাড়ি পরে থাকার ধারণায় তিনি রাজি ছিলেন না। তাঁর ইচ্ছে ছিল শাহরুখ খানের সঙ্গে প্রথম ছবিতে একাধিক গ্ল্যামারাস পোশাক পরার। কিন্তু ফারাহ খান স্পষ্ট জানিয়ে দেন- শাড়িই হবে তাঁর একমাত্র লুক। লাল শাড়ি পরার প্রথম দিনই ফারাহ মজা করে বলেন, "শাড়ি নাকি লুঙ্গি বেঁধেছ তুমি?" এরপর স্টাইলিস্ট গীতা আরও নিচু করে বেঁধে দেন সেই শাড়ি। সুস্মিতা হাসতে হাসতে জানান, তখন সারাক্ষণ তাঁর মনে আসছিল- "এটা পড়ে না যায়!"
Dhuranndhar: কার্গিল থেকে কাশ্মীর, আদিত্য ধর পরিচালিত 'ধুরন্ধরের' নেপথ্যের আসল গল্প জানেন?
অন্যদিকে, ফারাহ খান জানান, ছবির নায়িকা চরিত্রে প্রথমে আয়েশা টাকিয়াকে ভাবা হয়েছিল। শুটিংয়ের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকতে আয়েশা জানিয়ে দেন, তিনি ইমতিয়াজ আলীর আরেকটি ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত, তাই ম্যায় হুঁ না করতে পারবেন না। সেই সিদ্ধান্তের কারণেই শেষমেশ সুস্মিতা সেনকে বেছে নেওয়া হয়- যিনি পরে হয়ে ওঠেন ছবির প্রাণ।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us