/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/12/swas-2026-01-12-16-51-03.jpg)
স্বস্তিকার নিজের নীড়...
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/12/s1-2026-01-12-16-52-08.jpg)
স্বস্তিকা দত্তকে নিয়ে মানুষের ধারণা সবসময়ই মিশ্র। কেউ তাঁকে অভিনেত্রী হিসেবে দেখেন, কেউ তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মন্তব্য করেন, আবার কেউ তার পরিবার, প্রেম বা সম্পর্ক- সবকিছু নিয়ে গল্প বানান। কিন্তু আজকের গল্পটি সেই আলো–আঁধারির মধ্যে থাকা সেলিব্রিটির নয়। আজকের গল্পটি সেই স্বস্তিকার, যে নিজের ভেতরের পৃথিবীতে আরও গভীর, আরও সত্য।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/12/s2-2026-01-12-16-52-38.jpg)
স্বস্তিকার জীবনে মানুষ এসেছে, থেকেছে, আবার বিদায়ও নিয়েছে। তিনি কাউকে আটকাননি, কারণ তিনি জানেন- “जाने वाले को कौन रोक सकता है।” মানুষ চলে যায়, সময় বদলায়, সম্পর্ক ভাঙে- গড়ে। কিন্তু একটাই জিনিস তিনি কখনো ছাড়েননি- তার স্বপ্ন। যত কিছু ভেঙে পড়ুক, সেই স্বপ্নটাকেই তিনি আঁকড়ে ধরে থেকেছেন।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/12/s3-2026-01-12-16-53-04.jpg)
তিনি লড়েছেন নিজের সঙ্গে, লড়েছেন পরিস্থিতি আর সমাজের চাপের সঙ্গে। মানসিক, শারীরিক এবং ব্যক্তিগত স্তরে যে পরিমাণ সংগ্রাম তিনি করেছেন, তা অনেকের অজানা। মাঝেমধ্যে মনে হয়েছে সব থেমে যাবে, কিন্তু তার ভিতরের স্বপ্ন তাঁকে থামতে দেয়নি। স্বস্তিকা জানতেন- নিজের স্বপ্নের ভেতরে সবাইকে জায়গা দেওয়া যায় না। কিছু স্বপ্ন শুধু নিজের থাকে, এবং তাকে রক্ষা করাই সবচেয়ে বড় কাজ।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/12/s4-2026-01-12-16-53-34.jpg)
স্বস্তিকা বুঝতে পারেন, যদি নিজের স্বপ্নকে একটু আগে গুরুত্ব দিতেন, তাহলে হয়তো ১২ বছর সময় লাগত না। কিন্তু সেই পথ হারিয়ে যাওয়া নয়- বরং শেখা, বাড়তে থাকা, তৈরি হওয়া। আজ তিনি, যাঁরা এসেছেন–গেছেন, তাদের নিয়ে আর ভাবেন না। বরং তিনি ভাবেন সেই স্বপ্নটির কথা, যা তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/12/s2-2026-01-12-16-53-56.jpg)
নিজের মাথার ওপর নিজের ছাদ করেছেন তিনি। নিজের সুখের নীড়ে একফালি বারান্দায় দাঁড়িয়েই তাঁর মনে পরে যাচ্ছে বাবার কথা। অভিনেত্রী বলছেন, "মনে পড়ে যায় বাবার কথা- “বাড়ি হলে ব্যালকনি মাস্ট।” বাবা যেন সবসময়ই চেয়েছিলেন মেয়ের নিজের একটা জায়গা হোক, যেখানে সে শ্বাস নেবে, স্বপ্ন দেখবে। আর মায়ের সেই পরিচিত কথাও মনে পড়ে- “তুই তোর মতো সাজাবি, কিন্তু ওই কাচের বাটি–গ্লাস হবে না।” এই কথাগুলোয় লুকিয়ে আছে পরিবারের স্নেহ, মমতা আর বাস্তবতার টান।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/12/s1-2026-01-12-16-54-11.jpg)
এখন যে স্বপ্নটি বাস্তবের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে- তা শুধু একটি “বাড়ি” নয়। এটি তার পৃথিবীর অংশ, যেখানে তিনি নিজের মতো করে সব সাজাবেন। যেখানে থাকবে তার স্মৃতি, তার গল্প, তার পরিবার, তার শান্তি।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/12/s5-2026-01-12-16-54-38.jpg)
সবশেষে, স্বস্তিকা জানেন- এই জায়গাটাই হবে তার নতুন শুরু। তার আত্মবিশ্বাসের, তার লড়াইয়ের, তার সাফল্যের নতুন অধ্যায়। “Home To Be Soon”- একটা স্বপ্নের জন্ম, দীর্ঘ অপেক্ষার শেষে সত্যি হওয়া স্বপ্নের গল্প।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us