/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/02/tapas-2025-12-02-17-44-43.jpg)
কীভাবে সংযোগ ছিল জয়ার সঙ্গে?
বাংলা ছবির এক এমন নায়ক, যাকে আজও মানুষ মনে রেখেছেন, বা যার নাম শুনলে আজও মানুষ ভাবতে বাধ্য হন? তাঁর সিনেমা টিভিতে চললে, আজও অনেকেই নজর ফেরাতে পারেন না। সেই মানুষটির নাম তাপস পাল। চন্দননগরের এই ছেলেটি টিন্সেল টাউনের সুপার স্টারডম কাকে বলে, সেটাই যেন নিজের অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে বেঁচেছিলেন।
তাপস পাল মানেই স্বতন্ত্র অভিনয়। তিনি এক সময় দাপিয়ে বেড়িয়েছেন ইন্ডাস্ট্রি। শুধু তাই ন্য, টলিপাড়ার সব বড় তারকাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন তিনি। এবং, খেয়াল করলে দেখা যাবে, একটা সময় তিনি রুল করতেন ইন্ডাস্ট্রি। কিন্তু, তাপস পালকে নিয়ে এই অজানা গল্প গুলো আগে জানতেন? সকলেই জানেন তিনি চন্দননগরের ছেলে, কিন্তু তাঁর জন্ম নাকি উত্তরবঙ্গে। একবার সেকথা তিনি নিজেই বলেছিলেন।
Jeet-Dev: দেবের ২০ বছরের অনুষ্ঠানে কেন যাননি জিৎ? নিজেই দিলেন স্পষ্ট জবাব
তাপস পাল বলেছিলেন, "বাবা চাকরি সুত্রে নানা জায়গায় থাকতেন। আমি যেখানে থাকতাম সেখান থেকে বৃত্তি পরীক্ষা দিয়ে চলে আসি। দাদু থাকতেন চন্দননগরে। সেখান থেকে স্কুলিং শুরু। তারপর দিল্লি চলে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ফিরলাম আবার। মা-কে ছেড়ে কাঁদতাম। দিল্লি থেকে ফেরার পর থেকে একটা অদ্ভুত বিষয় হয়েছিল। জয়া দি-র দাদু আর আমি একই জায়গা থেকে দুধ নিতাম। জয়া বচ্চনের কথা বলছি আমি, আমি দিদি বলেই ডাকি। জিজ্ঞেস করতাম উনাকে, জয়া দিদি কোথায়? পুনা ফিল্ম ইন্সিটিউটে কী করে ভর্তি হয়, এগুলো।"
Ranveer Singh controversy: চামুণ্ডি দেবীকে অপমানের অভিযোগ, বিরাট গ্যাঁড়াকলে রণবীর
এখানেই থামলেন না তিনি। তাপস পালের মধ্যে সেসময় থেকেই একটা আকাঙ্খা জন্মাতে থাকে, যে তিনি হিরো হবেন। অভিনেতা বলেন, জয়া ভাদুরির কাকা উদয় ভাদুরি, আর আমার মাসতুতো দিদি বন্ধু ছিলেন। তখন থেকেই আমার নায়ক হওয়ার খুব শখ। বাবা ডাক্তার ছিলেন যেহেতু, বাবা চাইতেন, আমি ডাক্তার হব, কিন্তু আমার ইচ্ছে ছিল, নয়তো পাইলট হব, নয়তো নায়ক হব। এই করতে করতে চন্দননগরে গ্রুপ থিয়েটার শুরু।"
প্রসঙ্গে, তাপস পালের শেষ জীবন আসলেই যেন সিনেমা। রাজনীতির ময়দানের একটাই মন্তব্য, যেন তাঁর জীবন পাল্টে রেখে দিল।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us