scorecardresearch

বড় খবর

পুজো মানেই আমার পাড়া, জমিয়ে ভোগ খাওয়া আর আড্ডা: দিতিপ্রিয়া

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলার কাছে পুজো প্ল্যান শেয়ার করলেন দিতিপ্রিয়া রায়।

পুজো মানেই আমার পাড়া, জমিয়ে ভোগ খাওয়া আর আড্ডা: দিতিপ্রিয়া
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলার কাছে পুজো প্ল্যান শেয়ার করলেন দিতিপ্রিয়া রায়

তারকাদের পুজো:

পুজো মানেই বাঙালির কাছে কবজি ডুবিয়ে খাওয়া-দাওয়া, দেদার গান-গল্প, আড্ডা আর অবশ্যই সিনেমা দেখা। সারাবছর শুটিং, সিরিজ, সিনেমার প্রচার কাজের ব্যস্ততা দূরে সরিয়ে পুজোর আমেজে মেতে ওঠেন তারকারা। আর পুজো রিলিজ হলে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সঙ্গে টেনশন উপরি পাওনা তারকাদের। সেই তালিকায় অন্যতম দিতিপ্রিয়া রায়। পুজোটা কীভাবে কাটানোর পরিকল্পনা করেছন অভিনেত্রী? ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলার তরফে খোঁজ নিলেন সন্দীপ্তা ভঞ্জ

টেলিপর্দার ‘রানি মা’ ওরফে দীতিপ্রিয়ার কাছে দুর্গাপুজো মানেই পাড়ার পুজো। খুব উচ্ছ্বসিত হয়েই বললেন, “জন্মের পর থেকে ২০ বছর একভাবেই পুজো কাটে। আমার পাড়ার পুজো। সেখানে আগে দায়িত্বটা কম ছিল, তবে এখন একটু বেড়েছে। মানে পুজোর চাঁদার ক্ষেত্রে। ছোটবেলায় শুধু পুজোয় আনন্দ করতাম। এখন পাড়ায় যাঁরা একসঙ্গে বেড়ে উঠেছি, তাঁরা সবাই পুজোর দায়িত্বটা ভাগ করে নিয়েছি। সবাই মিলে টাকা দিয়ে যে চাঁদা ওঠে সেটা দিয়ে কিছু দুস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়াই। এবারেও পুজোয় সেরকম প্ল্যান রয়েছে। খাওয়াব সকলকে।”

“পুজোর ৫ দিন পাড়ার প্যান্ডেলেই কাটাই সকলে। সব দিদি-দাদারা থাকে। পরিবারের সব সদস্যরাও সেখানেই জমিয়ে আড্ডা দেয়। আর পুজো মানেই বাড়ির রান্নাঘরে তালা। প্যান্ডেলেই সবাই জমিয়ে ভোগ খাই। এই পাঁচ দিনে পাড়ার সবার সঙ্গেই দেখা হয়। কেউ কাজের সূত্রে বাইরে থাকে বা কেউ হয়তো সারা বছর ব্যস্ত। কালেভদ্রে দেখা হয় একে-অপরের সঙ্গে। কিন্তু পুজোর সময়টাই পাড়ার সকলে একটা পরিবারের মতোই কাটাই”, বললেন অভিনেত্রী।

পঞ্চমীর দিনই মুক্তি পাচ্ছে ‘বোধন’। প্রচারে ব্যস্ত দীতিপ্রিয়া। তার মাঝেই ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলার কাছে জানালেন পুজোর প্ল্যান। অভিনেত্রীর কথায়, “পুজোয় কোনও দিনই কলকাতা ছেড়ে বেরইনি। আমার কাছে দুর্গাপুজো মানেই প্রাণের শহর কলকাতা। আর কলকাতা মানেই পাড়ার পুজো। বাড়ির সঙ্গে সময় কাটানো। জমিয়ে ভোগ খাওয়া। আর হইহুল্লোড় করা।”

তবে পুজো ফ্যাশন নিয়ে খুব একটা মাথাব্যাথা নেই ‘রানি মা’র। জানালেন, “উদ্বোধনের জন্য কোথাও গেলে এথনিক পরি। আসলে পুরো বিষয়টাই কাজের ওপর নির্ভর করে। কাজ না থাকলে ডেনিম আর টি-শার্ট পরেই দিন গুজরান হয়। আসলে ফ্যাশনের থেকে আমার কাছে আড্ডা-ই প্রাধান্য পায় বেশি। তবে আমার দিদিরা খুব নাছোরবান্দা। ওঁরা প্ল্যান করে অষ্টমী, নবমী কোনদিন কোন রঙের পোশাক পরবে। আর আমাকেও সেটা পরতে হয়। অন্যথা হলেই হল.. আমাকে আবা বাড়ি গিয়ে ড্রেস চেঞ্জ করে আসতে হয়।”

Stay updated with the latest news headlines and all the latest Television news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Durga puja 2022 ditipriya roy shares puja plan