কোনওদিন মানুষ চাইলেও কিন্তু ‘পারি’-কে ভুলতে পারবে না: অপরাজিতা

বাংলার সব বয়সের সব ধরনের দর্শক তাঁকে পছন্দ করেন শুধুমাত্র তাঁর সুঅভিনয়ের জন্য নয়, তাঁর ব্যক্তিত্বের কারণেও। প্রথম স্টুডিওপাড়ায় পা রাখা থেকে প্রিয় চরিত্রের স্মৃতিচারণ, একান্ত সাক্ষাৎকারে উঠে এল অনেক কিছুই।

By: Kolkata  Updated: August 19, 2019, 07:43:53 PM

বাংলা বিনোদন জগতে তাঁর বাইশটা বছর অতিবাহিত। বাংলার সেরা অভিনেত্রীদের অন্যতম অপরাজিতা আঢ্যের মুখোমুখি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা। দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে উঠে এল তাঁর অভিনয়ের গোড়ার কথা থেকে সাম্প্রতিক টেলিভিশন ট্রেন্ড এবং ভবিষ্যৎ ভাবনা… সবকিছুই।

প্রথম স্টুডিওতে ঢোকার অভিজ্ঞতাটা কেমন ছিল?

একটা নাটকের রিহার্সাল দেখে শঙ্কর চক্রবর্তীর আমার অভিনয় ভাল লাগে। উনি তখন আমাদের পরিচালককে বলেন ‘মনোরমা কেবিন’-এর জন্য জগন্নাথ গুহ-র কাছে অডিশনে পাঠাতে। তখন ওঁর পরিচালনায় দূরদর্শনে হতো ‘মনোরমা কেবিন’। ১৯৯৬ সাল। সবে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি। সেই প্রথম স্টুডিওতে যাওয়া। বাড়িতে বলেছিলাম বন্ধুর জন্মদিনের পার্টি আছে। সেদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি পড়ছিল। পুরো ভিজে গিয়েছিলাম। ইন্দ্রপুরীর ভিতরে এক হাঁটু জল। আমি খুঁজে খুঁজে ফ্লোরে গেলাম। কেমন একটা স্বপ্নের মতো লাগছিল। ওই সিরিয়ালে অনেক স্টলওয়ার্টরা অভিনয় করতেন – সব্যসাচী চক্রবর্তী, মুনমুন সেন, শঙ্কর চক্রবর্তী, অনুরাধা রায়… আর সেদিন সবাই উপস্থিত ছিলেন।

আমি সম্পূর্ণ ভিজে গেছি দেখে জগন্নাথ গুহ ড্রেসার বুড়োদাকে ডেকে বললেন আমাকে একটা জামা দিতে। মেকআপ রুমে তখন অনুরাধা রায় সাজছিলেন। আমি হাঁ করে দেখছিলাম আর ভাবছিলাম, মানুষ এত সুন্দর হয়? আবার মুনমুন সেনকে দেখে ভাবছি, সত্যিই এদের স্কিন এতো সুন্দর? তার পরে জগন্নাথ গুহ ওঁর অ্যাসিস্টান্ট শিবাদিত্য দাশগুপ্তকে বললেন, আমার স্ক্রিন টেস্ট নিতে। যখন আমার সংলাপটা বলছি, সেটা শুনতে পেয়ে ফ্লোরে ঢুকে উনি বললেন, “ও এত ভাল অভিনয় করে? এই তোমার কাল থেকে শুটিং।” ব্যস্, ওই শুরু হয়ে গেল।

আপনি তো বহু বিখ্যাত পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁদের মধ্যে দু-তিনজনের কথা একটু বলুন, যাঁরা আপনার অভিনয়ের কেরিয়ারে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ঋতুপর্ণ ঘোষের সঙ্গে মোট তিনটি ছবিতে কাজ করেছি, কিন্তু শিখেছি অনেক বেশি। কারণ উনি আমার বন্ধু হয়ে গিয়েছিলেন। আমার যে কোনও সিন দেখে ফোন করতেন। কখনও বলতেন, ওই জায়গাটা এই রকম করলে হয়তো বেশি ভাল হতো। আমাকে বলেছিলেন, যে কোনও দুঃখের সিনে যদি তোমার আবহের প্রয়োজন হয়, তবে রবীন্দ্রনাথের কোনও গানের কথা ভাববে। আবার দেবাংশুদা, দেবাংশু সেনগুপ্ত যেমন বলতেন, দুটো সংলাপের মধ্যে যে সাদা অংশটা, ওটাই হল অভিনয়ের জায়গা, সংলাপে কোনও অভিনয় নেই।

ঋতুদা, দেবাংশুদা, রীনাদি, অর্ঘ্যদা, কৌশিকদা, শিবপ্রসাদ-নন্দিতাদি, এঁদের সবার থেকেই শিখেছি। আমি তো টেলিভিশনের গোল্ডেন পিরিয়ডে কাজ করে এসেছি। সেই সময়ে স্বর্ণযুগের পরিচালকদের থেকে আমি যা শিখেছি, সেটা এখনকার জেনারেশনের পক্ষে ইমপসিবল। শুধু ডিরেক্টর বলব কেন, শাশ্বত, কৌশিকদা, অনুরাধাদি, আমার বহু কো-আর্টিস্টের কাছে আমি শিখেছি। আর সৌমিত্রদার সঙ্গে তো প্রত্যেকটা মুহূর্ত একটা লার্নিং এক্সপিরিয়েন্স।

এখনকার জেনারেশনের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা, যাঁরা আপনার সঙ্গে কাজ করেন, তাঁরা কি আপনার থেকে শিখতে চান?

না তো, কেন শিখতে চাইবে? তারা তো অনেক কিছু শিখে আসে। তারা এত বেশি জানে প্রথম থেকেই, এবং তাদের মজ্জায় মজ্জায় প্রকাশটা এত বেশি যে আমি জানি, আই অ্যাম দ্য বেস্ট, সুতরাং তাদের তো শেখার কোনও প্রয়োজন নেই। এবং সত্যি তারা সাকসেসফুলও হয়। একটা সিরিয়াল যখন চলছে, একটা চরিত্র খুব হিট… তাকে তো মানুষই মনে করাচ্ছে, তাকে তো চ্যানেলই মনে করাচ্ছে সে খুব ভাল। সুতরাং তার শেখার প্রবণতা থাকবে কেন? অবশ্যই নেই। কিন্তু এখনকার জেনারেশনে বেশ কিছু আর্টিস্ট আছে যারা প্রমিজিং। যেমন একজন অসম্ভব ভাল অভিনেত্রী, আমার খুব কাছের, আমার খুব কষ্ট হয় যে মারা গেল… দিশা। ও কিন্তু হাঁ করে ফ্লোরে কোনও সিনিয়র আর্টিস্ট কাজ করলে তাকিয়ে দেখত, জিজ্ঞেস করত তুমি এটা কেন করলে, ওই কথাটা ওভাবে কেন বললে? এখনকার জেনারেশনে এরকমও আছে, কিন্তু কম। বেশিরভাগই এত কনশাস নিজের সম্পর্কে যে কিছু শিখতে চাইলে তাদের মান নষ্ট হয়। তাই শেখে না।

একটু আগে বললেন যে আপনি টেলিভিশনের গোল্ডেন পিরিয়ড থেকে কাজ করা শুরু করেছেন। তাহলে এই সময়টাকে কি আপনি গোল্ডেন বলছেন না? এখন তো টেলিভিশনে অনেক বেশি কাজ, বাজেটও অনেক বেশি।

এই সময়টাকে আমি গোল্ডেন বলছি না এই কারণে যে বাজেট হয়তো বেড়েছে, কিন্তু কোয়ালিটিটা কোথাও নষ্ট হয়েছে। ‘এক আকাশের নীচে’-র মতো সিরিয়াল কিন্তু এখন আর হয় না। ‘এক আকাশের নীচে’-র কোনও স্ক্রিপ্ট আসত না, শুধু ওয়ান লাইনার আসত। আর্টিস্টরা নিজের মতো করে স্ক্রিপ্টটা করে নিত। সাড়ে ছ’বছর ধরে সেভাবেই কাজ হয়েছে। এখন হয়েছে, এই ডায়ালগটা অমুক লিখেছেন মানে ওঁর মতে করেই বলতে হবে! আমি তো অভিনয় করছি, ওই চরিত্রটা যেভাবে কখা বলার সেভাবেই তো বলবে। এই স্বাধীনতাটা তো আর্টিস্টদের দিতে হবে। অঞ্জন দত্ত যেমন বলেন, অপরাজিতা, আমি এটা লিখেছি। এবার তুমি ওই জায়গাতে নিজেকে সেট করে যেভাবে বলার, সেভাবেই বলবে। রবি ওঝার প্রোডাকশনে বা ‘গানের ওপারে’-তে যেভাবে কাজ হয়েছে, সেটা এখন কোথায়?

এখন সবাই অদ্ভুত সাজে, অদ্ভুতভাবে কথা বলে এবং অভিনয় না করে শুধু ডায়ালগটা বললেই হয়ে যায়। দর্শক সেটাই দেখছেন, তাঁদের হয়তো ভাল লাগছে। কিন্তু আমার তো অভিনেত্রী হিসেবে ভাল লাগে না। আমার তো নিদেনপক্ষে একটা লজিক দরকার হয়। যে এই চরিত্রটার যদি সাজপোশাক এরকম হয় তবে সে এইভাবে কথা বলবে। আজকে ‘কুরুক্ষেত্র’-র মতো সিরিয়ালও তো সাঙ্ঘাতিক হিট ছিল। সেখানে তো সাজপোশাক কিচ্ছু ছিল না। তাও তো দর্শক দেখেছেন। আমি জানি না কেন এখনকার এই ট্রেন্ডটা এসেছে। হিন্দি-র একটা প্রভাব ভীষণ ভাবে পড়েছে। আমি খুব মর্মাহত। কিছু সিরিয়াল অবশ্যই ভাল হচ্ছে, যেমন ‘রাসমণি’ আমার খুব ভাল লাগত, এখন দেখা হয় না অনেক দিন। ‘বধূবরণ’-ও প্রথম দিকে ভাল লাগত। মেগাসিরিয়ালে কোয়ালিটি ধরে রাখা সবসময় সম্ভব হয় না। কিন্তু সব মিলিয়ে এখনকার সিরিয়াল আমার ঠিক ভাল লাগে না।

সেই কারণেই কি এখন টেলিভিশন থেকে একটু দূরে?

না গো, সেই কারণে নয়। টেলিভিশন আমি খুব ভালবাসি। টেলিভিশন নিয়ে আমার সাঙ্ঘাতিক ইমোশন। আমি করতে চাই এবং আমি যখন টেলিভিশন করব তখন আমার মতো করে নেব। আমি যদি বলি যে এই জায়গাটা এই রকম করতে চাই, তখন সেটা সবাই শোনে কারণ সেটা যুক্তিযুক্ত। সেটা ভাঙার কোনও জায়গা নেই। যেদিন ভেঙে দেবে, সেদিন টেলিভিশন করা ছেড়ে দেব। আমি লাস্ট দু’বছর টেলিভিশন করতে পারিনি তার কারণ আমি বছরে দশটা করে ছবি করেছি। এই বছরেই আমার ছটা ছবি, দুটো ছবি হয়েছে আর বাকিগুলো ডেট নিয়ে ক্যানসেল হয়েছে। তার কারণ ভোট পড়েছিল আর তুমি জানো আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে খুব বড় একটা প্রবলেম চলছিল, সেই জন্য। আমি ঠিক করেছিলাম যে দুটো একসঙ্গে করা যাবে না। সেই কারণেই আমি একটা দিকে একটু গ্যাপ নিয়েছি।

এখন তো ওয়েব একটা বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে এবং উঠছে। বাংলায় এই মাধ্যমে যা যা কাজ হচ্ছে, সেই নিয়ে আপনার কী মতামত?

ওয়েবে যা ভাল ভাল কাজ হচ্ছে মুম্বইয়ে, এখনও বাংলা সেই জায়গাটা ধরতে পারেনি। বাংলা ওয়েবে সব কিছুই যেন খুব অতিরঞ্জিত ভাবে আছে। কেমন যেন ঠিক ভাল না। মানে ঠিক সবার জন্য নয়। আমি নিজেও দুটো ওয়েব করেছি, ‘বৌমা ডিটেকটিভ’। সেটা এখনও পর্যন্ত যা যা সিরিজ হয়েছে, তার মধ্যে বরং অনেকটাই স্বচ্ছ। ওই সিরিজের হিন্দি ভার্সনের জন্য আমি এখনও মুম্বই থেকে মেসেজ পাই। সবাই প্রশংসা করেন। প্রথমে এসএমএস দেখে বুঝতে পারতাম না ‘মিসেস জাসুস’-টা কী। তার পরে বুঝলাম যে বৌমা ডিটেকটিভের হিন্দি ডাবিং হয়েছে। এখনও পর্যন্ত বাংলা ওয়েবে খুব একটা যে কোয়ালিটি কাজ হয়েছে তা নয়। তবে আমার বিশ্বাস এই মাধ্যমেও বাংলা এগিয়ে যাবে খুব তাড়াতাড়ি।

বাইশ বছর ইন্ডাস্ট্রিতে বহু ধরনের চরিত্র করেছেন। এমন কোনও ধরনের চরিত্র কি রয়েছে যেটা এখনও আসে নি আপনার কাছে এবং আপনি করতে চান?

কিছু চরিত্র দেখলেই মনে হয় যে এই ধরনের চরিত্র আমার কাছে আসা উচিত ছিল। যেমন ‘রামলীলা’ দেখতে গিয়ে মনে হয়েছিল, সুপ্রিয়া পাঠকের চরিত্রটা যদি আমি করতাম তাহলে ভাল হতো। এরকম অনেক চরিত্রই দেখে মনে হয়েছে যে ইস এটা যদি আমি পেতাম… একটা সময় যখন অনুরাধাদি রাসমণি করত, ‘রাজ রাজেশ্বরী’ সিরিয়ালে, তখন মনে হতো যখন আমার আর একটু বয়স হবে আমি রাসমণিটা করব। আমার কাছে ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’ থেকে সেই প্রস্তাব এসেওছিল। কিন্তু আমি করতে পারি নি কারণ তখন ছবির ভীষণ চাপ ছিল। তবে যা যা ইচ্ছে ছিল সবই মোটামুটি পূরণ হয়েছে। আমি যখন হেমা মালিনীকে দেখতাম টেলিভিশনে দুর্গা হতে, আমার ইচ্ছে হতো যে আমি যদি কোনওদিন দুর্গা হতে পারি, কারণ আমি তো বেসিকালি ডান্সার। সেটাও পেয়েছি। আমি জীবনে যা চরিত্র পেয়েছি, আমার গুরুর আশীর্বাদে, আমি যা কাজ করেছি তা সবই বেস্ট চরিত্র।

আপনার এই দীর্ঘ অভিনয় জীবনে এমন কোনও ঘটনা আছে কি যা নিয়ে আপনি খুব সংবেদনশীল হয়েছেন?

আমার জীবনের বেশ কিছু কাজ তো সারা জীবন মানুষের মনে থেকে যাবে। ‘জলনূপুর’ তার মধ্যে একটি। কোনওদিন মানুষ চাইলেও কিন্তু ‘পারি’-কে ভুলতে পারবে না। ওখানে পীযূষ (পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়) আমার হাজব্যান্ড হতেন। আমি যখন ওই ম্যাক্সিটা পরে ফেলতাম, ডিরেক্টর যখন অ্যাকশন বলে দিতেন, আমার মধ্যে চরিত্রটা আপনাআপনি এসে যেত, তার জন্য আলাদা করে কিছু করতে হয়নি কখনও। পীযূষদা তো আমাদের দাদা, কিন্তু পীযূষদা যখন অমর্ত্য করতেন, তখন আমার ওঁকে স্বামীই মনে হতো। আর স্বামীর একটা গন্ধ হয় তুমি দেখবে। স্বামী যদি তোমার খুব প্রিয় হয়, তবে বরের একটা আলাদা গন্ধ পাওয়া যায়। শুধু স্বামী নয়, চেনা মানুষের, কাছের মানুষের একটা গন্ধ হয়। সেটা কিন্তু ওঁর ছিল।

যেদিন পীযূষদা মারা গেলেন, সেদিন কিন্তু বৌদিকে এই কথাটা আমি বলেছিলাম। তার পরে যতদিন ‘জলনুপূর’ করেছি আমি, বৈধব্যের যে কষ্ট সেটা আমি প্রতি মুহূর্তে অনুভব করেছি। দেখানো হয়েছিল যে অমর্ত্য মারা গিয়েছে, তার শ্রাদ্ধ হচ্ছে। আমার মনে হয় যে কোনও স্বার্থেই হোক, এগুলো করা উচিত নয়, আমি বলব আজকে এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে। তার পরে যতদিন কাজটা চলেছে আমি যে কী মিস করতাম ওই গন্ধটা। শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে এমন একজন মানুষের যদি সবচেয়ে কাছের মানুষটা চলে যায়, তবে সেটা যে কী মারাত্মক যন্ত্রণা, বাকি যে ক’টা দিন আমি ‘জলনুপূর’ করেছি, প্রত্যেকদিন সেই কষ্ট পেয়েছি।

আগামী পাঁচ বছরে ঠিক কী ভাবছেন নিজের কাজ নিয়ে। বলিউডে তো কাজ করেছেন, অনেক অফারও এসেছে বার বার।

বলিউডে সম্প্রতি যে অফারগুলো এসেছে, ‘মেরি পেয়ারি বিন্দু’ করার পরে সেগুলো আর করা উচিত নয়, কারণ সেগুলো খুবই ছোট চরিত্র। ‘মেরি পেয়ারি বিন্দু’-তে আমার প্রায় ৪০টার কাছাকাছি সিন ছিল, সেটা ফেলে দিয়ে ওরা ১৬টা রেখেছিল। বলিউড খুব আনপ্রেডিক্টেবল। ওখানে খুব বড় চরিত্র ছাড়া আমি অভিনয় করব না। ওখানে কাদের ছবি একচান্সে করব, যেমন প্রদীপ সরকার বা সুজিত সরকার। এদের উপর আমার কনফিডেন্স আছে। এরাও আমাকে জানে, আমিও এদের জানি। আর বিজ্ঞাপনের কাজ তো করছিই।

বাংলাতে বেশ কিছু ভাল ছবি রয়েছে। আর অবশ্যই আমি টেলিভিশনে ফিরব তাড়াতাড়ি। কারণ অভিনয় তো একটা চর্চা, আমি যেহেতু নাটক করি না, তাই বেশিদিন এই চর্চা থেকে দূরে থাকলে আমার অভিনয়ের শান কমে যাবে। বাদবাকি আমার একটা ডান্স স্কুল আছে। সেটার আমরা বিভিন্ন ওয়ার্কশপ প্ল্যান করছি। অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। কিছু কিছু সমাজকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গেও আমি যুক্ত। যতটা পারি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।

Get all the Latest Bengali News and West Bengal News at Indian Express Bangla. You can also catch all the Television News in Bangla by following us on Twitter and Facebook

Web Title:

Exclusive interview of bengali actress aparajita adhya on her journey through bengali television bengali film and web

The moderation of comments is automated and not cleared manually by bengali.indianexpress.com.
Advertisement

ট্রেন্ডিং
'পলাতক' গুরুং কলকাতায়
X