/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/19/dev-2026-01-19-17-41-44.jpeg)
"আমরা কি কাঁকড়ার জাত?"
টলিউডে আবারও উন্মাদনার পারদ চড়ালেন দেব ও শুভশ্রী (Dev-Subhashree)। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রথমবার একসঙ্গে লাইভে এসে তাঁদের আড্ডা শুধু বিনোদনেই সীমাবদ্ধ থাকল না, বরং তা হয়ে উঠল ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এক স্পষ্ট ও সাহসী বার্তা। একদিকে দুর্গাপুজোর অপেক্ষা, অন্যদিকে দেব-শুভশ্রীর ছবি ‘দেশু ৭’-এর উত্তেজনা, এই দুই আবেগ মিলেই লাইভটি মুহূর্তের মধ্যে দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে।
লাইভের শুরুতেই শুভশ্রী নিজের স্মৃতিচারণা করেন। তিনি বলেন, আগে সিনেমা হলের পিছনে দর্শকদের সঙ্গে বসে লুকিয়ে লুকিয়ে ছবি দেখতেন। আজ সেই দর্শকরাই তাঁর শক্তি, তাঁর সাহস। এই আবেগঘন কথার পরেই তিনি দেবকে মজার ছলে প্রশ্ন করেন, কেন তাঁর ছবির জন্য প্রথমেই শুভশ্রীকেই ফোন করা হয়। দেব পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন, “তুমি কেন ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই হ্যাঁ বলে দাও?” এই কথোপকথনে যেমন ছিল বন্ধুত্বের উষ্ণতা, তেমনই ছিল পারস্পরিক সম্মান ও বিশ্বাসের ছাপ।
কিন্তু লাইভের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ আসে যখন শুভশ্রী প্রশ্ন তোলেন, দেবের ছবিতে কি অনির্বাণ ভট্টাচার্য থাকবেন? কেন তাঁকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না? এই প্রশ্নে দেব স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ফেডারেশনের সঙ্গে মনমালিন্য চলছে ঠিকই, কিন্তু তাঁরা সবাই চেষ্টা করছেন ইন্ডাস্ট্রিটাকে বাঁচিয়ে রাখতে। তিনি বলেন, “কাল অব্দি চাইছিলাম না, কিন্তু আজ চাইছি আমার ছবিতে অনির্বাণ থাকুক।” এই কথার মধ্যেই ছিল পরিবর্তনের বার্তা, ছিল সমাধানের ইচ্ছা।
দেব আরও বলেন, “আমরা শিখে এসেছি কাউকে ছোট করে কেউ বড় হতে পারে না। একটা শিল্পীর সম্মান চলে গেলে তাঁর তো আর কিছুই থাকে না।” তাঁর এই বক্তব্য টলিউডের বর্তমান সংকটকে খুব সহজ অথচ শক্তিশালী ভাষায় তুলে ধরে। এরপর তিনি বলেন, “আমরা কি কাঁকড়ার জাত? আমরা তো বিপ্লবী ছিলাম একটা সময়।” এই প্রশ্নের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চান, পরস্পরের পা টেনে নামানোর সংস্কৃতি নয়, বরং একে অপরের হাত ধরে এগিয়ে যাওয়ার মনোভাবই হওয়া উচিত শিল্পজগতের পরিচয়।
আরও পড়ুন: 'তুমি এলে বলেই', দেবের লড়াইয়ে পাশে থাকতে চান শুভশ্রী! ৩০ সেকেন্ডে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন নায়িকা?
দেব (Dev) আরও একটি তীক্ষ্ণ প্রশ্ন তোলেন, “লিডার কে? যে দুবেলা ভাতের জোগাড় করে দেয়, না কি যে দুবেলা ভাতের জোগাড় বন্ধ করে দেয়?” এই কথার মাধ্যমে তিনি নেতৃত্বের প্রকৃত অর্থ নিয়ে ভাবতে বাধ্য করেন সবাইকে। তাঁর আহ্বান, আসুন সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করি, কারণ এখন আমরা পরের প্রজন্মের জন্য একটা বাজে উদাহরণ তৈরি করছি।
শুভশ্রীও স্পষ্টভাবে বলেন, “অনির্বাণদা আমাদের গর্ব। এবার এটার শেষ হওয়া উচিত।”
আরও পড়ুন: ১৫ বছর পর অক্ষয়-অনীশ, বলিউড কমেডিতে নতুন অধ্যায়!


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us