/indian-express-bangla/media/media_files/2025/02/06/V9TFfXWWfyxEJyKvfOl9.jpg)
চুমু বিতর্কে উদিতকে বয়সের খোঁচা 'কন্ট্রোভার্সি ক্যুইন' উরফির!
urfi-Udit: লাইভ কনসার্টের মাঝে মহিলাভক্তকে চুমু খেয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন নয়ের দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী উদিত নারায়ন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একেবারে ছিছিক্কার। যদিও গায়কের বক্তব্য, তিনি নিপাট ভদ্রলোক। ভক্তদের খুশি করতে এইসব একটু-আধটু প্রয়োজন হয়। এগুলো নিয়ে অযাতিত চর্চা বৃথা। উদিত নারায়নের পাশে দাঁড়িয়েছেন নয়ের দশকের আরও এক জনপ্রিয় শিল্পী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মহিলাভক্তরাই আগে এগিয়ে আসে। এবার উদিত নারায়নের চুমুকাণ্ডে মুখ খুললেন বলিউডের 'কন্ট্রোভার্সি ক্যুইন' উরফি জাভেদ।
ইন্সট্যান্ট বলিউডকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় উদিত নারায়নের চুমু বিতর্ক নিয়ে উরফির মত জানতে চাওয়া হয়। তাঁর অকপট জবাব, 'ওঁর বয়স ৬৯। এই সময় এইরকম হয়েই থাকে।' উদিত নারায়নকে বয়সের খোঁচা দিতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল উরফির মন্তব্য।
কথায় আছে 'বুড়ো বয়সের ভিমরতি', উরফিও যে তাঁর বক্তব্যে সেটাই বোঝাতে চেয়েছেন সে কথা বলার অপেক্ষাই রাখে না। উল্লেখ্য, বোল্ড স্টেটমেন্টের জন্য কটাক্ষ ধেয়ে আসে তাঁর দিকে। কিন্তু, সেসব একেবারেই তোয়াক্কা করেন না উরফি। যে কোনও বিষয়ে মত প্রকাশের ক্ষেত্রেও কোনও রাখঢাক করেন না। বর্ষীয়ান শিল্পী উদিত নারায়নের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হল না। স
ম্প্রতি নিজের ধর্ম-বিয়ে নিয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন উরফি জাভেদ। তাঁর কথায়, 'আমি কোনওদিন মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করব না। আমি ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করি না। নিজের জ্ঞানবৃদ্ধি করতে নিয়মিত গীতা পাঠ করি। আমার বাবা ছিলেন ভীষণ রক্ষণশীল। আমার বয়স যখন মাত্র ১৭ তখন মা আর আমদের দুই বোনক ছেড়ে চলে যান। হিন্দুধর্ম সম্বন্ধে জ্ঞানের পরিধি বিস্তার করতেই গীতা পাঠ করছি।'
নিজের জীবনদর্শন সম্পর্কে বলতে গিয়ে উরফি যোগ করেন, 'আমি নির্দিষ্ট কোনও ধর্মের প্রতি বিশ্বাসী নই। তাই কোন ধর্মের মানুষ আমার প্রেমে পড়ল বা আমি প্রেম করছি সেটা নিয়ে একদমই ভাবিত নই। আমার যাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে ভাল লাগবে তাঁকেই বিয়ে করব।'
উরফির যুক্তি, স্বধর্মে কোনও স্বাধীনতা নেই। নিজের মনের মতো জীবনযাপনের অধিকার নেই, স্বইচ্ছায় পেশা নির্বাচন বা আর্থিক উপার্জনের স্বাধীনতা নেই। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইসলাম ধর্মের কোনও ছেলের সঙ্গে বিয়ে করবেন না। স্বাধীনচেতা উরফি নিজের শর্তে বাঁচতে ভালবাসেন। নিজের ধর্মের প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছেন।