/indian-express-bangla/media/media_files/2025/04/20/poNbg26qXk69xJ0KBmAk.jpg)
যা করেছিলেন তিনি...
প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা বিনোদ খান্না, আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন তাঁর অনন্য পর্দা-উপস্থিতি ও সাহসী চরিত্রচয়নের জন্য। জনি গদ্দার-এ শ্রীরাম রাঘবনের টানটান মোড় যেমন কালজয়ী, ঠিক তেমনই রাজ ও ডিকে পরিচালিত পাগলাটে কমেডি ‘৯৯’-এ, বিনোদ খান্নার বিস্তৃত ক্যামিও আজও দর্শকের মুখে হাসি ফোটায়। খুব বেশি ছবিতে না থাকলেও, ‘৯৯’-এ তাঁর উপস্থিতি সিনেমাটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছিল। সম্প্রতি এক এক্সক্লুসিভ কথোপকথনে রাজ ও ডিকে, শুটিংয়ের সেই অভিজ্ঞতার নেপথ্যের গল্প শেয়ার করেছেন- যেখানে খান্নার পারফরম্যান্সের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত।
রাজ স্মরণ করে বলেন, বিনোদ খান্নার সঙ্গে শুটিংয়ের জন্য তাঁদের হাতে ছিল মাত্র দু’দিন। কাজের ব্যস্ততার মাঝেই সময় বের করেছিলেন অভিনেতা। প্রথম দিন সেটে অপেক্ষার টানটান উত্তেজনা- কীভাবে তাঁকে নির্দেশনা দেবেন, সেই ভাবনায় খানিক নার্ভাস ছিলেন নির্মাতারা। অবশেষে যখন দেখা হলো, দৃশ্যের কথা বলা হলো, তখনই তাঁদের মনে হলো- বিনোদ খান্না নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছেন।
এই মুহূর্তের ব্যাখ্যা দিতে এগিয়ে আসেন ডিকে। তিনি জানান, তিনটি দৃশ্য ধারাবাহিকভাবে শুট হচ্ছিল। প্রথম দৃশ্যটি খান্না শান্তভাবেই শেষ করেন। দ্বিতীয় দৃশ্যের পর তিনি নিজেই তাঁদের ভ্যানে ডেকে জানান যে, পরের দৃশ্যটি তিনি একটু মাতাল অবস্থায় করতে চান। নির্মাতারা প্রথমে অবাক হলেও, আপত্তি করেননি। ডিকের কথায়, খান্নার হাতে তখন আগেই একটি গ্লাস ছিল, এবং মনে হচ্ছিল তিনি মানসিকভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েই এসেছেন। পরিস্থিতি বুঝে তাঁরা ঠিক করেন- যা হবে, সেটাকেই কাজে লাগাতে হবে।
রাজ যোগ করেন, এই সিদ্ধান্ত তাঁদের আরও নার্ভাস করেছিল। কারণ হিন্দি সিনেমায় নেশাগ্রস্ত অভিনয় প্রায়ই ক্লিশে হয়ে যায়। কিন্তু বিনোদ খান্না সেই আশঙ্কা ভুল প্রমাণ করেন। তাঁর অভিনয় ছিল সংযত, বাস্তবসম্মত এবং দৃশ্যের গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছিল। খান্নার এই সাহসী পছন্দই ‘৯৯’-এর দৃশ্যগুলোকে স্মরণীয় করে তোলে।
Parambrata-Piya: পরম-পিয়ার নডির অন্নপ্রাশনে মুখ্যমন্ত্রী, নিষাদকে দিলেন বিশেষ উপহার
ক্যারিয়ারের শেষদিকে খুব কম ছবিতে কাজ করলেও ‘৯৯’ আজ একটি কাল্ট কমেডি। সম্প্রতি তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী কবিতা খান্না জানান, জীবনের গভীর শোক ও একের পর এক পারিবারিক ক্ষতির পরই বিনোদ খান্না আধ্যাত্মিকতার দিকে ঝুঁকেছিলেন। মায়ের মৃত্যু তাঁকে ওশোর আশ্রমে টেনে নিয়ে যায়- সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর জীবনের এক নতুন অধ্যায়।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us