/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/23/akshaye-vinod-2025-12-23-19-03-43.jpg)
মেনে নিয়েছিলেন বিনোদের স্ত্রী?
বিনোদ খান্না ১৯৭০-এর দশকের শেষদিকে আচমকাই স্টারডম থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে আধ্যাত্মিক অন্বেষণে ওশোর আশ্রমে যোগ দেন এবং ওরেগনে চলে যান। কয়েক বছর পর তিনি একেবারেই বদলে যাওয়া মানুষ হিসেবে ভারতে ফিরে আসেন এবং জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। ঠিক এই সময়েই তাঁর জীবনে আসেন কবিতা। ধীরে ধীরে দু’জনের মধ্যে গড়ে ওঠে গভীর ভালোবাসা, যা শেষ পর্যন্ত বিয়েতে পরিণত হয়। ২০১৭ সালে বিনোদ খান্নার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাঁরা দাম্পত্য সম্পর্কে আবদ্ধ ছিলেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কবিতা জানিয়েছেন, তাঁদের সম্পর্কের শুরুতে তাঁর পরিবার কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিল। লভেনা ট্যান্ডনের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া কথোপকথনে কবিতা বলেন, তাঁর পরিবার বিয়েটাকে মেনে নিলেও বিনোদের সঙ্গে প্রেমের ভাবনায়, তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। তাঁর কথায়, “বিনোদ বহু মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন। প্রথম বিয়ের পর তাঁর একাধিক সম্পর্ক ছিল, তাই আমার পরিবার ভেবেছিল- হয়তো এটা তাঁর কাছে সাময়িক একটা সম্পর্ক।” পরিবার আশঙ্কা করেছিল, বিনোদ হয়তো তাঁকে ছেড়ে চলে যেতে পারেন।
কবিতা জানান, প্রথম আলাপের পর থেকেই বিনোদ দিনে পাঁচবার করে ফোন করতেন এবং না বলা সত্ত্বেও দেখা করার জন্য জোর দিতেন। দীর্ঘ টেলিফোন কথোপকথন, কবিতার কাছে আকর্ষণীয় লেগেছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিনোদের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হন এবং সেখান থেকেই তাঁদের সম্পর্কের শুরু। মাত্র সাত মাসের মধ্যেই তাঁরা বিয়ে করেন।
বিনোদ খান্না তাঁর সময়ের অন্যতম বড় তারকা হওয়ায়, নারীদের বিশেষ মনোযোগ সবসময়ই পেতেন। তবে কবিতা জানান, তিনি কখনও নিজেকে অনিরাপদ বোধ করেননি। তাঁর কথায়, “আমি জানতাম ও আমাকে ভালোবাসে এবং আমার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি স্বীকার করেন, তাঁদের দাম্পত্যে চ্যালেঞ্জ ছিল, ত্রুটিও ছিল, কিন্তু সন্দেহ কখনও আসেনি। “এটা গোলাপের বিছানা ছিল না, তবুও এমন একটা দিনও আসেনি যেদিন আমি আমার স্বামীকে ছাড়া থাকতে চেয়েছি।”
একাধিকবার বিশ্বাসঘাতকতা, এক ছবিতেই জীবন পাল্টে গেল এই পরিচালকের, পেলেন স্ত্রী-কেও..
বিনোদ খান্নার প্রথম স্ত্রী ছিলেন গীতাঞ্জলি খান্না। তাঁদের দুই ছেলে- অক্ষয় খান্না ও রাহুল খান্না। কবিতা বলেন, অক্ষয় ও রাহুল তাঁর সন্তানই, কারণ তারা বিনোদের সন্তান। তবে তিনি কখনও তাদের ‘মা’ হওয়ার চেষ্টা করেননি, কারণ তাঁদের একজন মা আগে থেকেই ছিলেন।
গীতাঞ্জলির সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে কবিতা জানান, তাঁদের মধ্যে সবসময় সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় ছিল। তাঁর কথায়, “কোনও রূপকথার মতো নিষ্ঠুরতার গল্প আমাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আমরা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ হিসেবে সংবেদনশীলভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং সেভাবেই জীবন এগিয়ে নিয়ে গেছি।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us