/indian-express-bangla/media/media_files/2025/04/13/i1lnrTwdW63JCowjecaJ.jpg)
কেন ক্ষমা চান শাহরুখ? Photograph: (ফাইল)
শাহরুখ খানের আতিথেয়তা ও সৌজন্যের কথা বলিউডে নতুন নয়। বহু অভিনেতা-অভিনেত্রীই বারবার বলেছেন, অতিথিদের কীভাবে আপন করে নেন তিনি, মন্নতে আমন্ত্রণ জানানো থেকে শুরু করে, দেখা শেষে নিজে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়া- সবকিছুতেই আলাদা যত্ন থাকে। অভিনেতা জিশান আইয়ুবও এই অভিজ্ঞতার সঙ্গে একমত, তবে তাঁর মতে শাহরুখের আসল নম্রতা, কেবল সহ-অভিনেতা বা পরিচালকদের সঙ্গেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং সেটে ও বাইরে শ্রমজীবী মানুষদের সঙ্গে তাঁর ব্যবহারেই প্রকৃত মানবিকতা সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
‘রইস’ ও ‘জিরো’ ছবিতে শাহরুখের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন জিশান। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি দেখেছেন, দারোয়ান, জুনিয়র শিল্পী কিংবা ক্রু সদস্যদের প্রতি শাহরুখ সবসময় সমান সম্মান দেখান। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শুভঙ্কর মিশ্রের সঙ্গে কথোপকথনে জিশান বলেন, “অনেক তারকাই অতিথিদের গেট পর্যন্ত এগিয়ে দেন, কিন্তু আমি একজন মানুষকে বিচার করি এই দেখে, যে তিনি শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করেন, যাঁরা বেশি শারীরিক পরিশ্রম করেন, কম পারিশ্রমিকে বেশি কাজ করেন। শাহরুখ কখনও এই মানুষগুলিকে শুভেচ্ছা জানাতে বা সম্মান দেখাতে ভুলে যান না।”
Dharmendra Last Shoot: ‘পারলে ক্ষমা করে দেবেন’, শেষ ছবি ইক্কিসের ফ্লোরে কেন একথা বলেন ধর্মেন্দ্র?
তিনি আরও জানান, ছোট ছোট আচরণেই শাহরুখের মহত্ত্ব ধরা পড়ে। “রইস আর জিরো- মোটামুটি সাড়ে তিন বছর আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। দেখেছি, তিনি যদি দরজা দিয়ে বেরোন এবং দারোয়ান দরজা খুলে দেন, এমনকি তিনি গভীর আলোচনায় থাকলেও, থেমে গিয়ে দারোয়ানের দিকে তাকিয়ে ধন্যবাদ জানান। এই মনোযোগ আর সম্মান সত্যিই বিরল।”
শুটিং চলাকালীনও এমন অনেক মুহূর্ত এসেছে, যখন নির্ধারিত সময়ের বাইরে কাজ করতে হয়েছে। সেই সময় শাহরুখ নিজেই মাইক্রোফোন হাতে জুনিয়র শিল্পীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং অনুরোধ করেছেন অতিরিক্ত সময় দেওয়ার জন্য। জিশানের কথায়, “শীর্ষ তারকাদের মধ্যে এমন আচরণ খুব কম দেখা যায়। জুনিয়ররা প্রস্তুত থাকলেও শাহরুখ মনে করেন, দেরির দায়িত্ব তাঁরই, কারণ ছবির মুখ তিনিই।”
কোলে নয়, ক্যাঙ্গারু ব্যাগে সন্তান, দেবের কোলে কে এই খুদে?
অপরিসীম সাফল্য ও জনপ্রিয়তার পরেও এই দায়িত্ববোধ ও মানবিকতা ধরে রাখার জন্যই, জিশানের চোখে শাহরুখ আলাদা। তিনি মনে করেন, এই গুণ কেবল ব্যক্তিত্বের নয়, বরং লালন-পালনের প্রতিফলন। “এমন সৌজন্য আর সংবেদনশীলতা শুধু একজন ভালো মানুষের পক্ষেই সম্ভব,”—এইভাবেই শাহরুখ খানের প্রশংসায় শেষ করেন জিশান।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us