/indian-express-bangla/media/media_files/2026/03/02/alvi-2026-03-02-15-00-39.jpg)
কী জানা যাচ্ছে?
অভিনয়শিল্পী জাহের আলভী বর্তমানে চরম বিতর্কের মুখে। তাঁর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায়, প্ররোচনার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও রোববার রাতে তিনি দেশে ফিরেছেন বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে। তবু এখনো পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিবার, সহকর্মী কিংবা সংশ্লিষ্ট কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না- এই মুহূর্তে তিনি কোথায় আছেন।
আলভী ও ইকরার ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র জানায়, রোববার বিকেলে নেপাল থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান আলভী। বিমানবন্দরের ভেতরে তিনি দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন। পরে এক ব্যক্তির মধ্যস্থতায় সেখান থেকে বেরিয়ে যান। তবে এরপর থেকেই যেন রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। তাঁর ব্যক্তিগত ফোন নম্বর বন্ধ, হোয়াটসঅ্যাপে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না, এমনকি ফেসবুক আইডিও এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দেশে ফেরার খবর মিললেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের সব পথই বন্ধ।
Vijay-Rashmika: দেশের ১৬ মন্দিরে অন্নদানমের আয়োজন নবদম্পতি বিজয়-রশ্মিকার, বাদ পড়ল বাংলা?
ঘটনার আগের কয়েক দিন নেপালে একটি নাটকের শুটিংয়ে ছিলেন আলভী। একই প্রযোজনায় কাজ করছিলেন সেই অভিনেত্রীও, যাঁকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে আলভী ও তাঁর স্ত্রী ইকরার দাম্পত্য সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল বলে জানা গেছে। রোববার দুপুরে এক গণমাধ্যমকে আলভী জানিয়েছিলেন, সন্ধ্যার মধ্যেই তিনি ঢাকায় ফিরবেন এবং ফিরে এসে পুরো বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে কথা বলবেন। তবে দেশে ফিরলেও এখনো পর্যন্ত তিনি কোনো বক্তব্য দেননি।
এদিকে ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় শোক ও ক্ষোভে ভেঙে পড়েছেন তাঁর বাবা কবির হায়াত খান। একমাত্র কন্যার মৃত্যুকে তিনি সরাসরি ‘হত্যা’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, আলভী ও আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলির প্ররোচনাতেই, ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন। শোকাহত এই বাবা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, তিনি তাঁর মেয়ের মৃত্যুর জন্য আলভী ও তাঁর মাকেই দায়ী করছেন এবং তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন।
Arijit Singh: 'এই মাটির আলাদা আকর্ষণ আছে', ছোটবেলায় কী করতেন গায়ক? ছেলে অরিজিৎ-কে নিয়ে আবেগঘন সুরিন্দর সিং
কবির হায়াত খানের দাবি, অল্প বয়সেই ইকরাকে বিয়েতে বাধ্য করা হয়েছিল। তখন তিনি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। শুরুতে তিনি এই বিয়ে মেনে নেননি, কিন্তু মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে পরে সম্মতি দেন। তাঁর কথায়, তিনি চেয়েছিলেন মেয়ের সংসার টিকে থাকুক। কিন্তু সেই আশাই আজ চূর্ণ হয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিনোদন অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। এখন সবার নজর আইনগত প্রক্রিয়ার দিকে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us