ভারতীয় বিমানবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হালকা যুদ্ধ হেলিকপ্টার, কী এর বৈশিষ্ট্য: in indian air force light combat helicopter inducted | Indian Express Bangla

Explained: ভারতীয় বিমানবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হালকা যুদ্ধ হেলিকপ্টার, কী এর বৈশিষ্ট্য

মরুভূমি থেকে পাহাড়, সর্বত্র এই কপ্টার বিনা বাধায় উড়তে পারে।

Explained: ভারতীয় বিমানবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হালকা যুদ্ধ হেলিকপ্টার, কী এর বৈশিষ্ট্য

ভারতীয় বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হল দেশীয় হালকা যুদ্ধকপ্টার (এলসিএইচ)। শত্রুর বিমান হামলা ঠেকাতে, যে কোনও হামলা ঠেকানো-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ এই কপ্টার। সোমবার ভারতীয় বিমান বাহিনীর (আইএএফ) যোধপুর বিমানঘাঁটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এই কপ্টার। চারটি কপ্টারের এই অন্তর্ভুক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরি ও ভারতীয় বায়ুসেনার অন্য শীর্ষ আধিকারিকরা।

কপ্টার প্রচণ্ড
এই হেলিকপ্টারের নাম রাখা হয়েছে ‘প্রচণ্ড’। যার অর্থ হিংস্র। নির্মাতাদের মতে, এলসিএইচ হল বিশ্বের একমাত্র যুদ্ধ কপ্টার, যা ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে সক্ষম। প্রচুর অস্ত্র ও জ্বালানি নিয়ে এই কপ্টার সমুদ্র সমতল থেকে ৫,০০০ মিটার উচ্চতায় পাহাড়ের পিঠে নামতে ও সেখান থেকে অনায়াসে উড়তে সক্ষম। সরকারি মালিকানাধীন হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) এই কপ্টারকে ভারতীয় সেনার প্রয়োজন পূরণের জন্যই তৈরি করেছে।

হালকা যুদ্ধ কপ্টার
কার্গিল যুদ্ধের সময় ১৯৯৯ সালে প্রথমবার ভারতে তৈরি হালকা স্বয়ংক্রিয় কপ্টারের প্রয়োজন অনুভূত হয়েছিল। এমন কপ্টার যা, ভারতীয় যুদ্ধক্ষেত্রে যে কোনও পরিস্থিতিতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। যার অর্থ, এই কপ্টারের এমন নৈপুণ্য থাকবে, যা মরুভূমির গরমে, সমতল থেকে উঁচুতে খুব ঠান্ডায়, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে নিখুঁতভাবে পূর্ণমাত্রায় আঘাত হানতে সক্ষম হবে।

আরও পড়ুন- ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট! বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল গাঢ় অন্ধকারে ডুবে

চাহিদামত কপ্টার
ভারত ইতিমধ্যেই হ্যালের তৈরি তিন টন ওজনের ফ্রান্সের ধারায় নির্মিত চেতক ও চিতা ব্যবহার হচ্ছে।
এই সব এক ইঞ্জিনের কপ্টারগুলো বাহিনীর নানা প্রয়োজন পূরণ করে। চিতার সংস্করণের অস্ত্রবাহী কপ্টার ল্যান্সারও ভারত ব্যবহার করে। এছাড়াও ভারতীয় বায়ুসেনায় রাশিয়ার Mi-17, Mi-17 IV এবং Mi-17 V5 ব্যবহৃত হয়। যার সর্বোচ্চ ১৩ টন ওজন বহনের ক্ষমতা। তবে, এই সব কপ্টার ২০২৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে বাতিল হবে।

সেনার প্রয়োজন
তাই ভারতীয় সেনার প্রয়োজন আরও চটপটে, নানা কাজে ব্যবহার করা যায় এমন হামলাকারী কপ্টার। সরকারের প্রাথমিক আলোচনার পর, ২০০৬ সালের অক্টোবরে হালকা কপ্টার তৈরির প্রকল্পটি গৃহীত হয়। হ্যালকেই চাহিদামত কপ্টার তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়। হ্যালের রোটারি উইং রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার ইতিমধ্যেই অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (এএলএইচ) ধ্রুব এবং এর অস্ত্রবাহী কপ্টার সংস্করণ ALH রুদ্র তৈরির কাজ করছে। তার মধ্যেই শুরু হয় প্রচণ্ড তৈরির কাজ।

Read full story in English

Stay updated with the latest news headlines and all the latest Explained news download Indian Express Bengali App.

Web Title: In indian air force light combat helicopter inducted

Next Story
Explained: শিবাজি পার্কে দশেরার সভা, উদ্ধব ঠাকরের কাছে যেন মরণবাঁচন ম্যাচ