scorecardresearch

বড় খবর

চিনের জনসংখ্যা হ্রাস: কেন ভারতের পরিস্থিতি আলাদা এবং সম্ভবত ভালো

ভারতে দীর্ঘদিন আদমসুমারি হয়নি। জনসংখ্যা বৃদ্ধির যে ব্যাপকহারে দাবি, সেটা আন্তর্জাতিক দুনিয়ার অনুমান। আন্তর্জাতিক দুনিয়ার কাছে ভারতের ব্যাপারে বহু তথ্যই নেই।

চিনের জনসংখ্যা হ্রাস: কেন ভারতের পরিস্থিতি আলাদা এবং সম্ভবত ভালো

জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো অনুযায়ী, ২০২২ সালে চিনের জনসংখ্যা ১,৪১১.৮ মিলিয়নে নেমে এসেছে। যা আগের বছর ছিল ১,৪১২.৬ মিলিয়ন। চিনে জনসংখ্যার এই হ্রাস একটি যুগান্তকারী ঘটনা। আর, সেই দিক থেকে ভারত শীঘ্রই বিশ্বে সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশ হতে চলেছে। ২০১১ সালের পর ভারতে সরকারিভাবে জনগণনা হয়নি।

রাষ্ট্রসংঘের অনুমান
তবে, রাষ্ট্রসংঘের অনুমান অনুযায়ী ভারতের জনসংখ্যা ২০২২ সালে ১,৪১৭.২ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে (চিনের থেকে বেশি)। আর, ২০২৩ সালে ১,৪২৮.৬ মিলিয়নে পৌঁছবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশ্ন হল- চিনের জনসংখ্যা হ্রাস আর ভারতের জনসংখ্যা বৃদ্ধির কী প্রভাব ফলতে চলেছে? বিশেষ করে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেই বা এর কী প্রভাব পড়বে?

মৃত্যুহারের সঙ্গে জনসংখ্যার সম্পর্ক
একটি দেশের জনসংখ্যা মৃত্যুহার হ্রাস বা মৃত্যুর আপেক্ষিক সংখ্যার সঙ্গেই বৃদ্ধি পায়। মৃত্যু বাড়লে জনসংখ্যা বৃদ্ধি কমে যায়। আর, মৃত্যু কমলে জনসংখ্যা বাড়ে। আবার, উলটো দিক দিয়ে জন্মহার বাড়লে জনসংখ্যা বাড়ে। জন্মহার কমলে জনসংখ্যা কমে। তেমনই শিক্ষার মাত্রা বৃদ্ধি, জনস্বাস্থ্য ও টিকাদান কর্মসূচি, খাদ্য ও চিকিৎসা সেবায় প্রবেশাধিকার, নিরাপদ পানীয় জল ও নিকাশির সুবিধার ফলেও মৃত্যুহার কমে।

মৃত্যুর হার
মৃত্যুর হার (সিডিআর)- ১৯৫০ সালে চিনে ১,০০০ জনপ্রতি মৃত্যুর হার ছিল ২৩.২। ভারতে সেই সময় মৃত্যুর হার ২২.২। ১৯৭৪ সালে চিনে এই হার ছিল ৯.৫। আর, ভারতে ছিল ৯.৮। ২০২০ সালে চিনের মৃত্যুহার ছিল ৭.৩। আর, ভারতে এই হার ছিল ৭.৪। মৃত্যুহার কমার অপর লক্ষণ হল আয়ু। ১৯৫০ সালে চিনে গড় আয়ু ছিল ৪৩.৭ বছর। ২০২০ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৭৮.১ বছর। আর, চিনে এই হার ছিল ৪১.৭ বছর। সেটাই ২০২০ সালে বেড়ে হয়েছে ৭০.১ বছর।

আরও পড়ুন- তেজস্বী সূর্য বিতর্ক: জরুরি দরজা কী, বিমানে থাকে কেন?

মোট উর্বরতার হার (টিএফআর)
একজন গড়পড়তা মহিলা তাঁর জীবদ্দশায় যে সংখ্যক শিশুর জন্ম দেয়, তাকে উর্বরতার হার বলে টিএফআর বলে। ১৯৫০ সালে চিনে এই হার ছিল ৫.৮ শতাংশ। ভারতে এই হার ছিল ৫.৭ শতাংশ। ভারতে গত তিন দশকে টিএফআর ভীষণভাবে কমেছে। ১৯৯২-৯৩ সালে ছিল ৩.৪ শতাংশ। ২০১৯-২১ সালে কমে হয়েছে ২ শতাংশ। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় জন্মহারের উল্লেখযোগ্য পতন ঘটেছে।

Read full story in English

Stay updated with the latest news headlines and all the latest Explained news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Indias situation is different and possibly better