পিএইচডি গবেষণার বিষয় ও 'জাতীয় অগ্রাধিকার'

এই নির্দেশাবলীর একটি ছিল "অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে গবেষণায় নিরুৎসাহী করুন। পিএইচডি ফেলোদের থিসিসের বিষয় হতে হবে জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।"

এই নির্দেশাবলীর একটি ছিল "অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে গবেষণায় নিরুৎসাহী করুন। পিএইচডি ফেলোদের থিসিসের বিষয় হতে হবে জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।"

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
PhD and New guidelines

কেরালা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়

কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের মীনা কে পিল্লাই কেরালা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ও তুলনামূলক সাহিত্যের বোর্ড অফ স্টাডিজ থেকে পদত্যাগ করেছেন। পিএইচডি থিসিস বাছাই করার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক যে নির্দেশাবলী জারি করেছে তার প্রতিবাদেই এ পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।

Advertisment

অধ্যাপক পিল্লাই বোর্ড অফ স্টাডিজের এক্সটারানাল সদস্য ছিলেন।

২০১৮ সালের ১৫ ডিসেম্বর এক বৈঠকে সমস্ত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে ভারত সরকারের সঙ্গে চুক্তি সই বাধ্যতামূলক বলে জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে এক গুচ্ছ নির্দেশাবলী পাঠান উচ্চ শিক্ষা সচিব।

আরও পড়ুন, রাহুল গান্ধীর মাসে ৬০০০ টাকার প্রতিশ্রুতি: লাভবান কারা?

এই নির্দেশাবলীর একটি ছিল "অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে গবেষণায় নিরুৎসাহী করুন। পিএইচডি ফেলোদের থিসিসের বিষয় হতে হবে জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।"

গত ১৩ মার্চ মন্ত্রকের নির্দেশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কেরালা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটি সার্কুলার জারি করে, যাতে ডিন এবং বিভাগীয় প্রধানদের 'জাতীয় অগ্রাধিকার মাথায় রেখে' প্রকল্পের তালিকা বানাতে বলা হয়েছিল। ওই সার্কুলারে বলা হয়েছিল, ছাত্রছাত্রীরা কেবল তালিকাভুক্ত বিষয়েই গবেষণা করতে পারবেন।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারভিউ দেওয়ার সময়ে গবেষকরা তাঁদের পছন্দের বিষয়ের কথা জানান, এবং তাঁকে প্যানেলের সামনে নিজের বিষয়টি ডিফেন্ড করতে হয়। প্যানেল সে প্রস্তাব হয় গ্রহণ করে, বা কিছু পরিবর্তন করে দেয়, তবে সাধারণত ছাত্রছাত্রীরা যে বিষয়ে গবেষণা করতে চান, তাঁকে তা করতে দেওয়া হয়।

অধ্যাপক পিল্লাই গবেষকদের কাছে কোনটা প্রাসঙ্গিক আর কোনটা নয় তা আগে থেকে স্থির করে দেওযার প্রচেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। গোটা বিষয়টিকে শিক্ষাক্ষেত্রে স্বাধীনতার উপর আক্রমণ বলে বর্ণনা করেছেন তিনি।

তবে কেরালা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ গবেষণা মানে হল যা সমাজের পক্ষে প্রয়োজনীয়।

দেশে মোট ৪০ টি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়নের আওতাধীন। এর মধ্যে রয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বভারতী, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়, বেনারস, হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ ইস্টার্ন হিল ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি।

Read the Full Story in English