scorecardresearch

বড় খবর

Explain: দেশজুড়ে এনআইএ তল্লাশি! জঙ্গি কার্যকলাপে কাঠগড়ায়, কী এই পিএফআই?

দেশের ১০টি রাজ্যজুড়ে চলা এই তল্লাশিতে বহু লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Explain: দেশজুড়ে এনআইএ তল্লাশি! জঙ্গি কার্যকলাপে কাঠগড়ায়, কী এই পিএফআই?
এনআইএ তল্লাশি

ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) বৃহস্পতিবার সকালে জঙ্গিদমন কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে দেশব্যাপী ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবারের এই অভিযানকে ‘এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড়’ অভিযান হিসেবে বিভিন্ন মহল দাবি করছে। ১০টি রাজ্যজুড়ে চলা এই তল্লাশিতে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (পিএফআই)-এর বিপুল সংখ্যক লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অর্থ জোগানো, জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির সংগঠিত করা, নিষিদ্ধ সংগঠনে যোগদানের জন্য বাসিন্দাদের উৎসাহিত করার মত বিভিন্ন কাজের বিরুদ্ধে এই তল্লাশি ও ধরপাকড় চলছে।

পিএফআইয়ের বিভিন্ন কেন্দ্রে তল্লাশি
এনআইএ যে সব জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে, তার মধ্যে পিএফআইয়ের রাজ্য সভাপতি নাজির পাশার বাসভবন-সহ বেঙ্গালুরু এবং কর্ণাটকের বিভিন্ন এলাকা-সহ কমপক্ষে ১০টি জায়গা রয়েছে। এই তল্লাশির প্রেক্ষিতে পিএফআই বিবৃতিতে বলেছে, ‘ভিন্নমতের কণ্ঠকে নীরব করার জন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করার ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাই। পিএফআইয়ের জাতীয়, রাজ্য এবং স্থানীয় নেতাদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। রাজ্য কমিটির অফিসেও হানা দিয়েছে এনআইএ।’

পিএফআই বা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া কী?
পিএফআই ২০০৭ সালে দক্ষিণ ভারতের তিনটি মুসলিম সংগঠন- কেরলের ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট, কর্ণাটক ফোরাম ফর ডিগনিটি এবং তামিলনাড়ুর মানিথা নীথি পাসরাইয়ের সংযুক্তিকরণের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল। ২০০৬ সালের নভেম্বরে কেরলের কোঝিকোড়ে একটি সভায় তিনটি সংগঠন একত্রিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০০৭-এর ১৬ ফেব্রুয়ারি, ‘এমপাওয়ার ইন্ডিয়া কনফারেন্স’ নামে বেঙ্গালুরুর এক সমাবেশে পিএফআই গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়।

আরও পড়ুন- লক্ষ্য লোকসভা ভোট! দুর্নাম ঘোচাতে মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠকে আরএসএস

কীভাবে পিএফআই তৈরি হল?
পিএফআই, স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া (সিমি)-র ওপর নিষেধাজ্ঞার পরে তৈরি হয়। এই সংগঠনের দাবি তারা সংখ্যালঘু, দলিত এবং প্রান্তিক সম্প্রদায়ের অধিকারের জন্য লড়াই করে। এই সংগঠনকে প্রায়শই কর্ণাটকের কংগ্রেস, বিজেপি এবং জেডিএসের বিরোধিতা করতে শোনা যায়। আবার, এই রাজনৈতিক দলগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে পিএফআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ করে থাকে।

পিএফআইয়ের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পর্ক
পিএফআই নিজে কখনও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি। এটি হিন্দুদের আরএসএস, ভিএইচপি এবং হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মত ডানপন্থী গোষ্ঠী। যারা মুসলমানদের মধ্যে সামাজিক এবং ইসলামিক ধর্মীয় কার্যকলাপ ছড়িয়ে দিতে চায়। পিএফআই তার সদস্যদের নথি রাখে না। ফলে, তদন্তকারীদের পক্ষে গ্রেফতারের পর এই সংগঠনের সঙ্গে অভিযুক্তদের যোগসাজশ প্রমাণ করা কঠিন হয়ে ওঠে। ২০০৯ সালে মুসলিম, দলিত এবং অন্যান্য প্রান্তিক সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক সমস্যাগুলো নিয়ে আন্দোলন শুরুর পর পিএফআই থেকে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এসডিপিআই) নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন তৈরি হয়েছে।

Read full story in English

Stay updated with the latest news headlines and all the latest Explained news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Why are premises linked to pfi being searched by the nia