/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2019/07/laxman-jhula-explained.jpg)
১৯২৩ সালে এই সেতু নির্মিত হয়
শতবর্ষ পূরণ হতে আর বাকি ছিল চার বছর। ৯৬ বছরের মাথায় বন্ধ হয়ে গেল লছমনঝুলা সেতু। এ সিদ্ধান্তে স্থানীয় বাসিন্দারা যেমন দুঃখিত, তেমনই হতাশ পর্যটকরাও। পিডব্লিউডি সম্প্রতি একটি রিপোর্টে জানিয়েছে, এ ব্রিজের অবস্থা খারাপ, যে কোনও সময়েই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সে রিপোর্টের জেরেই উত্তরাখণ্ড সরকার তৎক্ষণাৎ সেতু বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছে।
এ সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের। আগামী ১৭ জুলাই তীর্থযাত্রীরা কাঁওয়ার যাত্রা শুরু করবেন।
আরও পড়ুন, খালিস্তানি সংগঠন নিষিদ্ধ – কারণগুলো কী
১৩৬ মিটার দীর্ঘ এ সেতু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টেহরি গাড়ওয়াল ও পৌরি গাড়ওয়ালের বাসিন্দাদের আরও দু কিলোমিটার পথ হেঁটে রামঝুলা সেতু দিয়ে গঙ্গা পার হতে হবে। ১৯২৩ সালে পি়ডব্লিউডি এই সেতু নির্মাণ করেছিল। তারাই এত দিন পর্যন্ত সেতুর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিল।
পিডব্লিউডির এক আধিকারিক বলেছেন, দুই জেলার মধ্যে যাতায়াত এবং স্থানীয় ধর্মীয় জায়গাগুলি পরিদর্শন করার জন্য এলাকার মানুষ সেতুর দাবি করায় ৯৬ বছর আগে এ ব্রিজ বানানো হয়েছিল। তিনি জানান এটিই এ রাজ্যের একমাত্র ঝুলন্ত সেতু।
তিনি বলেন, এলাকার মানুষের বিশ্বাস এ পথ ধরেই রামায়ণের চরিত্র লক্ষ্মণ গঙ্গা অতিক্রম করেছিলেন। সে বিশ্বাসের জেরেই পর্যটকদের মধ্যেও এই ব্রিজ অত্যন্ত জনপ্রিয়।
আরও পড়ুন, ইন্দিরা জয়সিংদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি ঠিক কী
এই ঝুলাকে কেন্দ্র করে মন্দির, বাজার, হোটেল ও আশ্রম গড়ে উঠেছে। হৃষীকেশের সবচেয়ে নামকরা জায়গা বলতেও এই লছমনঝুলাই।
আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, বলিউডের বহু ফিল্মি গানের দৃশ্য এই সেতুর উপর এবং সংলগ্ন এলাকায় শুট করা হয়েছে। বহু বিদেশিও তথ্যচিত্র এবং শর্ট ফিল্ম বানানোর জন্য এখানে এসেছেন।
Read the Story in English