
ত্রিপুরার রাজপরিবারের ইতিবৃত্ত ত্রিপুরা রাজমালায় প্রথম জমিপত্তনের বিস্তারিত বিবরণ থাকার কথা। কিন্তু রাজ পরিবারের ইতিবৃত্তের বহু সংস্করণ।

কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের দাবি, ভারতে মাত্র ২৯৬ জন অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান বর্তমানে জীবিত রয়েছেন। অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান সমাজ এই পরিসংখ্যানের সত্যতা অস্বীকার করেছে।

দীর্ঘদিন ধরেই টেরিটি বাজার শহরের একমাত্র চায়নাটাউন ছিল। কিন্তু ১৯৫০-এ পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কাঁচা চামড়ার চাহিদা তুঙ্গে ওঠে, যার ফলে ভাগ্য পাল্টে যায় ট্যাংরার চিনা বাসিন্দাদের। ব্যবসায় বিপুল লাভের আশায় ক্রমশ বাড়তে থাকে চিনা বাসিন্দা এবং চামড়ার কারখানার সংখ্যা।

ঠনঠনিয়া কালিবাড়ির রাস্তায় এসে, যে কোনও কাউকে শিবরাম চক্রবর্তীর মেসবাড়ি জিজ্ঞেস করলেই সোৎসাহে দোতলার একটি ঘর দেখিয়ে দেন।

কলকাতার সঙ্গে তোপসিয়ার যোগ আজকের নয়। ফিরে যেতে হবে সেই ১৭১৭ সালে, যখন মুঘল সম্রাট ফারুখসিয়ারের কাছ থেকে কলকাতার আশেপাশে ৩৮টি গ্রামের ইজারা নেয় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।

দাদু ব্যান্ড পার্টিতে ঢোল বাজান। রাঘবকে দু'বছর বয়স থেকে একটু ভালোমন্দ খাওয়ানোর জন্যে সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। বাড়ি ফিরে দুটো কাঠি নিয়ে ভাঙ্গা টিনের বাক্সে ঢোল বাজানোর চেষ্টা করতো ছোট্ট রাঘব।

শহরের পথেঘাটে মহিলারা যাতে শারীরিক হেনস্থার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে রুখে দাঁড়াতে পারেন, সেই লক্ষ্যে কলকাতা পুলিশের বিশেষ উদ্যোগ 'তেজস্বিনী'।

সংস্কৃতে ডক্টরেট ফিরোজ খানকে নিয়ে যখন উত্তাল বিএইচইউ, ঠিক সেই সময়ই বেলুড় মঠের প্রতিষ্ঠানে সংস্কৃত পড়ানোর নিয়োগপত্র পৌঁছে যায় রমজান আলির হাতে।

আঁইয়া গ্রাম। লোকের মুখে মুখে আঁইয়া এখন রাবড়িগ্রাম। বাইরে থেকে দেখতে শান্ত, ছিমছাম। কে বলবে, পরের সকালে কলকাতার ওলি-গলির সব মিষ্টির দোকানে রাবড়ি পৌঁছে দেবে এই গ্রাম?

হুতোম লিখছেন, এই সময়ে কলকাতায় গুজব রটে, বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়েছে বলেই ‘সেপাইরা খেপেছে’।

পার্ক স্ট্রিট যে পার্ক স্ট্রিটই রয়ে গেছে, তা তো আমরা সকলেই জানি। ব্রিটিশ আমলের ইতিহাসের মতোই জাঁকিয়ে বসে গেছে শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাজপথটির নামও।

কলকাতা শহরের এত কাছে চরের বসতি খুব একটা দেখা যায় না। তবে ডানলপ চরের বাসিন্দাদের জীবনযাপন একটু অন্যরকম।

সুপ্রিম রায় নিয়ে একটিই বাক্য ব্যয় করলেন সোমপুরা, "এই রায়ের সবচেয়ে ভালো দিক হলো, উভয়পক্ষের প্রতিই সুবিচার করা হয়েছে।"

পড়শি রাজ্য আসামের বাসিন্দা জয়াদিত্য পেশায় সরীসৃপ এবং উভচর প্রাণী বিশেষজ্ঞ। তাঁর এবং তাঁর সতীর্থদের আবিষ্কারের পটভূমি হলো বাংলার দুটি জায়গা, উত্তর ২৪ পরগণার বাদু এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণার খড়দানাহালা।

মোটামুটি মে থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে যদি সিসিএফসি মাঠ, অথবা আমেরিকান সেন্টারের উল্টোদিকে জাঙ্গল ক্রোজের মাঠে যান, দেখবেন কী পরম উৎসাহে রাগবি প্র্যাকটিস করছে একঝাঁক ছেলেমেয়ে।

এই শহরের বুক থেকে কিছু সুর ফুরিয়ে আসছে এক এক করে। কিছু গল্প শেষ হয়ে আসছে। প্রবহমান সময়ের কিছু কিছু অংশ প্রতি মুহূর্তে অতীত হয়ে যাচ্ছে।