দেশ জুড়ে বেড়েই চলছে বিচারাধীন বন্দির সংখ্যা। এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিচারাধীন বন্দির মধ্যে বেশিরভাগই "দরিদ্র বা সাধারণ পরিবারের"। পাশাপাশি তিনি রাজ্য গুলির কাছে রাদের জামিনে মুক্তির আবেদনও জানিয়েছেন।
২০২০ সালে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (NCRB) সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশের সমস্ত কারাগারের বন্দীদের প্রায় ৭৬% বিচারাধীন, যার মধ্যে প্রায় ৬৮% হয় অশিক্ষিত, অথবা স্কুলছুট। মোট ৪,৮৮,৫১১ কারাবন্দীর মধ্যে ৩,৭১,৮৪৮ জন বিচারাধীন। তাদের মধ্যে ২০ শতাংশ মুসলিম এবং ৭৩ শতাংশ সমাজের পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের। দিল্লি এবং জম্মু ও কাশ্মীরে এই সংখ্যা সব থেকে বেশি। তার পরে রয়েছে বিহার, পাঞ্জাব, এবং ওড়িশা।
তথ্য অনুসারে দেখা গেছে মত বিচারাধীন বন্দীর মধ্যে প্রায় ৩০% একবছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এবং ৬৫% তিনমাসের বেশি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এর কারণ হিসাবে সমীক্ষায় দেখা গেছে অনেকেই আর্থিক কারণে আইনজীবী নিযুক্ত করতে পারেন না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে জামিনের পরিমাণও বহন করতে অপারক। একজন সিনিয়র আইপিএস অফিসার এপ্রসঙ্গে বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা গেছে একজন গরীব মানুষ চুরির ঘটনায় জামিনের টাকা জোগাড় করতে না পেরে এক বছরের বেশি সময় ধরে জেল খাটছে’।