ডিআরআই তদন্তে দাঁড়ি টানতে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ আদানি

ইন্দোনেশিয়া থেকে অতিরিক্ত দামে কয়লা আমদানি করার অভিযোগের তদন্তে কয়েকটি দেশে আদানির কিছু ফার্মের বিরুদ্ধে এলআরসি ইস্যু করে ডিআরআই, অর্থাৎ ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স।

ইন্দোনেশিয়া থেকে অতিরিক্ত দামে কয়লা আমদানি করার অভিযোগের তদন্তে কয়েকটি দেশে আদানির কিছু ফার্মের বিরুদ্ধে এলআরসি ইস্যু করে ডিআরআই, অর্থাৎ ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স।

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
adani, আদানি

আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। ফাইল ছবি, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

নিজেদের ফ্ল্যাগশিপ ফার্ম নিয়ে বিড়ম্বনায় আদানি গ্রুপ। বিভিন্ন দেশে নিজেদের কয়েকটি ফার্মের বিরুদ্ধে ইস্যু হওয়া সমস্ত এলআরএস (লেটারস রোগেটরি) খারিজ করার আবেদন জানিয়ে এবার বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল আদানি গ্রুপ। ইন্দোনেশিয়া থেকে অতিরিক্ত দামে কয়লা আমদানি করার অভিযোগের তদন্তে কয়েকটি দেশে আদানির কিছু ফার্মের বিরুদ্ধে এলআরসি ইস্যু করে ডিআরআই, অর্থাৎ ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স। অফশোর সংস্থার তদন্তে বিদেশ থেকে বিচারব্যবস্থার হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়ে দেওয়া চিঠির নামই হল এলআরএস।

Advertisment

এর আগে আদানি ফার্ম থেকে কয়লা আমদানি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেশ করতে আদানি গ্লোবাল প্রাইভেট লিমিটেডকে নির্দেশ দিয়েছিল নিম্ন আদালত। যে নির্দেশে স্থগিতাদেশের আর্জি জানিয়ে সিঙ্গাপুর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় ওই সংস্থা। কিন্তু সিঙ্গাপুর হাইকোর্ট সেই আর্জি খারিজ করে দেয়। ডিআরআই-এর ইস্যু করা এলআর পাওয়ার পর সিঙ্গাপুরের নিম্ন আদালতের তরফে আদানি ফার্মকে ২৪টি প্রোডাকশন অর্ডার দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন, এলগার পরিষদ কাণ্ডে ধৃত তিন সমাজকর্মীকে আজ পেশ করা হবে পুনে আদালতে

Advertisment

তবে শুধু আদানি গ্রুপই নয়, ইন্দোনেশিয়া থেকে অতিরিক্ত দামে কয়লা আমদানি করার তদন্তে কমপক্ষে ৪০টি সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে ডিআরআই। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, ওই ৪০টি সংস্থার মধ্যে নাম রয়েছে অনিল ধীরুভাই আম্বানি গ্রুপের দুটি কোম্পানির। এছাড়াও এসার গ্রুপের দুটি ফার্মের নাম রয়েছে ওই তালিকায়। ইন্দোনেশিয়া থেকে অতিরিক্ত কয়লা আমদানি করে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে ২০১১ সাল ও ২০১৫ সালের মধ্যে, এমন তথ্যও এসেছে তদন্তকারীদের কাছে।

আমদানিজাত পণ্যের আসল দাম কী, তার তদন্তে নেমে এর আগে মহারাষ্ট্র, দিল্লি, গুজরাত, কর্নাটক, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কেরালা মিলিয়ে ৮০টিরও বেশি শিপিং কোম্পানি, ল্যাবে তল্লাশি চালিয়েছিল ডিআরআই। পরে তদন্তের আওতায় থাকা সংস্থাগুলোর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনে নজর দেন তদন্তকারীরা। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির বিদেশের শাখায় ওই সংস্থাগুলির অ্যাকাউন্টে কী লেনদেন হচ্ছে তা জানতে সিঙ্গাপুর, দুবাই ও হংকংয়ে এসআরএস বা সফটওয়্যার রিকোয়ারমেন্ট স্পেসিফিকেশন জারি করে ডিআরআই।

২০১৬ সালের মার্চ মাসে ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি চালানোর রূপরেখা তুলে ধরে দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করে ডিআরআই। সেসময় ডিআরআই অভিযোগ করে যে, দেশের বাইরের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

national news