scorecardresearch

বড় খবর

টাকা নিয়ে হোটেলে বচসা, বেরিয়েই দুর্ঘটনা! বন্ধুর বিস্ফোরক দাবি, তবে কি খুনের নেপথ্যে ষড়যন্ত্র?  

তদন্তে সবদিক খতিয়ে দেখা উচিৎ পুলিশের এমনটাই দাবি অঞ্জলির মায়ের।

টাকা নিয়ে হোটেলে বচসা, বেরিয়েই দুর্ঘটনা! বন্ধুর বিস্ফোরক দাবি, তবে কি খুনের নেপথ্যে ষড়যন্ত্র?  

দিল্লির পথ দুর্ঘটনায় তরুণীর মৃত্যু গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এই বিষয়ে তদন্ত চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ। প্রতিদিনই সামনে আসছে নতুন তথ্য। এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দিল্লি পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে। এর মধ্যেই সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সংবাদ সংস্থা এএনআই সুত্রে খবর, অঞ্জলির এক বন্ধু জানিয়েছে যে সে, নিধি এবং নবীন অঞ্জলির অপর এক বন্ধু, দুর্ঘটনার আগে নববর্ষের প্রাক্কালে হোটেল ছেড়ে যাওয়ার সময় কিছু বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন।

দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ ট্র্যাক করে নিধির বয়ান রেকর্ড করেছে। অদন্তে দিল্লি পুলিশ জানতে পেরেছে নিধি অঞ্জলি এবং আরও বেশ কয়েকজন বন্ধু নিউইয়ার সেলিব্রেশনে মেতে উঠেছিলেন, একটি হোটেলে পার্টি করছিলেন। সেই সময় অঞ্জলির সঙ্গে নিধির টাকা পয়সা কিছু বচসাও হয় বলে নবীন দিল্লি পুলিশকে জানিয়েছে। এদিকে, অঞ্জলির মা দুর্ঘটনাটিকে “সুচিন্তিত ষড়যন্ত্র” বলে অভিহিত করেছেন এবং অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। “নিধি সব ভুল কথা বলছে। নিধি যদি আমার মেয়ের বন্ধু হয়, তাহলে কীভাবে তাকে ছেড়ে গেল, একা? এটি একটি ‘সুচিন্তিত ষড়য’ন্ত্র। নিধি ঘটনায় যুক্ত থাকতে পারে। তদন্তে সবদিক খতিয়ে দেখা উচিৎ পুলিশের এমনটাই দাবি অঞ্জলির মায়ের।

শুক্রবার দিল্লি পুলিশ দুর্ঘটনায় জড়িত গাড়ির মালিক আশুতোষ সহ আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। এর আগে এই ঘটনায় দীপক খান্না, অমিত খান্না, কৃষাণ, মিঠুন এবং মনোজ মিত্তাল- পাঁচজনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। এই মামলায় অভিযুক্ত সপ্তম ব্যক্তি – অঙ্কুশ খান্না। যিনি অমিত খান্নার খুড়তুতো ভাই। তিনি ঘটনার সময় গাড়ি চালাচ্ছিলেন বলে দাবি পুলিশের।

পুলিশ বলছে, পাঁচজনের মধ্যে একমাত্র তার ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল। সেই কারণেই তার নাম সামনে এনে অভিযোগটি হালকা করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি। দুর্ঘটনাস্থল থেকে দূরে তার টাওয়ার লোকেশান খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। টাওয়ার লোকেশান অনুসারে জানা গিয়েছে সেই সময় অভিযুক্ত নিজের বাড়িতেই ছিলেন। পাশাপাশি তদন্তে পুলিশ জেনেছে দুর্ঘটনার সময় লাইসেন্স ছিল না চালকের। রাজপথে তরুণী খুনে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে এই ঘটনায় আরও ২ ব্যক্তির যোগ রয়েছে। তারা হলেন, গাড়ির মালিক আশুতোষ এবং এক অভিভুক্তের ভাই অঙ্কুশ খান্না যিনি প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিলেন। ইতিমধ্যেই আশুতোষকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: [ এয়ার ইন্ডিয়া প্রস্রাব কাণ্ড: কীভাবে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ, জানুন ]

ময়নাতদন্তে নিহত তরুণীর মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগ, স্কুটির সঙ্গে ধাক্কা লাগার পরেও ওই তরুণীকে কোনও রকম সাহায্য না করেই প্রায় চার কিলোমিটার গাড়ি চালিয়ে দিয়ে যায় অভিযুক্তরা। দুর্ঘটনার কারণ নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। কানঝাওয়ালা-সুলতানপুরীর অই ঘটনায় তোলপাড় রাজধানী। দিল্লির এল জিভি কে সাক্সেনা টুইটে তিনি লিখেছেন, “কানঝাওলা-সুলতানপুরীর অমানবিক অপরাধের ঘটনায় লজ্জায় মাথা ঝুঁকে গিয়েছে। অভিযুক্তদের অসংবেদনশীল ব্যবহারে মর্মাহত। দিল্লির পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

Stay updated with the latest news headlines and all the latest General news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Anjali nidhi fought over money before accident read friends explosive claims