নাগরিকত্ব বিল নিয়ে অশান্তির মাঝেই আসাম চুক্তি প্যানেলের নেতৃত্ব দিতে অস্বীকার প্রাক্তন সাংসদের

আসাম অ্যাকর্ডের ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী আসামের মানুষের সাংস্কৃতিক, সামাজিক, ভাষাগত পরিচয় এবং ঐতিহ্য সুনিশ্চিত করার জন্য সাংবিধানিক, আইনগত এবং প্রশাসনিক নিরাপত্তা দিতে হবে। 

আসাম অ্যাকর্ডের ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী আসামের মানুষের সাংস্কৃতিক, সামাজিক, ভাষাগত পরিচয় এবং ঐতিহ্য সুনিশ্চিত করার জন্য সাংবিধানিক, আইনগত এবং প্রশাসনিক নিরাপত্তা দিতে হবে। 

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update

আসাম চুক্তির ৬ নম্বর ধারা প্রণয়নের জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দ্বারা গঠিত ৯ সদস্যের প্যানেলে নেতৃত্ব দিতে অস্বীকার করলেন প্রাক্তন আমলা সাংসদ বেজবড়ুয়া।

Advertisment

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হলে কমিটির কার্যকারীতা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন প্রাক্তন সাংসদ। "স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমি আমার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছি। বহু সদস্য কমিটি ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ওই কমিটিতে নেতৃত্ব দেওয়াকে আমি সমর্থন করতে পারছি না"।

Advertisment

আরও পড়ুন, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে সোশাল মিডিয়াতে রাজনৈতিক পোস্ট নিষিদ্ধ করতে অপারগ নির্বাচন কমিশন

লোকসভায় পাশ হওয়া নাগরিকত্ব (সংশোধন) বিলের বিরোধিতা করে কমিটি থেকে ইতিমধ্যে তিনজন সদস্য বেরিয়ে গিয়েছেন।  ছাত্র সংগঠন আসু-র পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তাদের কোনও প্রতিনিধি পাঠানো হবে না কমিটিতে।

আসাম অ্যাকর্ডের ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী আসামের মানুষের সাংস্কৃতিক, সামাজিক, ভাষাগত পরিচয় এবং ঐতিহ্য সুনিশ্চিত করার জন্য সাংবিধানিক, আইনগত এবং প্রশাসনিক নিরাপত্তা দিতে হবে।

বিজেপি সরকারের নাগরিকত্ব (সংশোধন) বিল ২০১৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের হিন্দু, পার্সি, শিখ, জৈন এবং খ্রিষ্টান ধর্মালম্বী ‘শরণার্থী’দের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই বিলের বিরোধিতা করে দিন কয়েক আগেই আসামের বিজেপি সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেছে অসম গণ পরিষদ। কারণ অগপ মনে করছে, এই বিল আইনে রূপান্তরিত হলে বাংলাদেশি হিন্দুতে ভরে যাবে আসাম। আর এ জন্যই তারা এই বিলের বিরোধিতা করছে। উল্লেখ্য, গত বছর অক্টোবর মাসে অসম গণ পরিষদ এই নাগরিকত্ব বিলের বিরুদ্ধে মিছিল করেছিল সে রাজ্যে।

Read the full story in English