scorecardresearch

বড় খবর
এক ফ্রেমে কেন্দ্রীয় কয়লামন্ত্রী ও কয়লা মাফিয়া, বিজেপিকে বিঁধলেন অভিষেক

কোভিড নিয়ন্ত্রণে, কমল ১০০ দিনের কাজের চাহিদা, তবে ২০১৯-র তুলনায় এখনও বেশি

অর্থনীতিবিদরা মনে করেন যে, উচ্চ কাজের চাহিদা গ্রামীণ এলাকায় চাকরির সঙ্কটের লক্ষণ।

কোভিড নিয়ন্ত্রণে, কমল ১০০ দিনের কাজের চাহিদা, তবে ২০১৯-র তুলনায় এখনও বেশি
১০০ দিনের কাজের চাহিদা গত দু'বছরের তুলনায় কম।

কোভিড মহামারীর সময় মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্প কাজের চাহিদা শিখরে পৌঁছেছিল। ক্রমেই কোভিডের থাবা কমেছে। সেই সঙ্গে গত ২ বছরের তুলনায় ১০০ দিনের কাজের চাহিদাও নিম্নমুখী। তবে, তা প্রাক-কোভিড পরিস্থিতির চেয়ে এখনও বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট ইঙ্গিত যে, দেশজুড়ে বিশেষ করে গ্রামীণ ভারতে বেকারত্বের প্রভাব রয়েছে।

মনরেগা-র (MGNREGS) পোর্টালে উল্লেখিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুলাই মাসে ১০০ দিনের কাজে নাম নথিভুক্তের সংখ্যা ২,৫২,৩৯,৪০৫টি। যদিও এটি ২০২১ সালের জুলাই মাসের তুলনায় কম। গত বছর জুলাইতে কাজের চাহিদা ছিল ৩,১৩,৪৭,৭৪৯টি। ২০২০-র জুলাই মাসে কাজের চাহিদা ছিল ৩,১৯,৮৫,৪৯২টি। অর্থাৎ ২০২০-র তুলনায় গত দু’বছরে কাজের চাহিদা কমেছে। কিন্তু, এই পরিসংখ্যান ২০১৯-এর এর তুলনায় অনেক কিছুটা বেশি।

২০১৯ সালের জুলাইতে ১,৮৩,১৫,৮০৮টি কর্মদিবস নথিভুক্ত হয়েছিল। গ্রামে ১০০ দিনের কাজে চাকরির চাহিদা বেশি। যদিও অর্থনৈতিক সূচকগুলি প্রায় স্বাভাবিক অর্থাৎ প্রাক-কোভিড স্তর পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কোভিড পরবর্তী সময়ে মনরেগা প্রকল্পে নিশ্চিত কর্মসংস্থান এবং নিয়মিত অর্থ প্রদানের মাধ্যমে গ্রামীণ ভারতের ত্রাণকর্তা হয়ে উঠেছে এবং গ্রামীণ ভারতে এই প্রকল্পের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। অনেক রাজ্য ১০০ দিনের কাজের সীমা শিথিল করেছে এবং মানুষের সহায়তায় কর্মদিবস বাড়িয়েছে।

মনরেগা প্রকল্পের আওতাধীন নথিবদ্ধ কর্মীরা স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতে কাজের দাবি জানাতে পারে। পঞ্চায়েত কাজ দিতে বাধ্য। যদি কাজ দেওয়া সম্ভব না হয় তবে নথিভুক্ত শ্রমিকরা ভাতা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

রাস্তা তৈরি, উদ্যানপালন, সেচ, খরা নিরোধক এবং এমনকি লাইব্রেরি এবং গুদামের মতো রাষ্ট্রীয় সম্পদ তৈরির কাজ মনরেগার অধীনে অনুমোদিত। তবে ঠিকাদারদের এই প্রকল্পে কাজের সুযোগ দেওয়া হয় না।

যাইহোক অর্থনীতিবিদরা মনে করেন যে, উচ্চ কাজের চাহিদা গ্রামীণ এলাকায় চাকরির সঙ্কটের লক্ষণ। এটি এই সত্যটিকেও নির্দেশ করে যে গ্রামীণ জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ, যারা শহরাঞ্চল থেকে কোভিডকালে স্থানান্তরিত হয়েছিল তারা এখনও শহরে ফেরেনি। মহামারী-পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধার প্রায় ১০০ শতাংশ হওয়ার দাবি করা হলেও, যে জনসংখ্যা গ্রামে ফিরে এসেছে তারা সেখানেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Stay updated with the latest news headlines and all the latest General news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Demand for work under mgnregs dips from covid peak