সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে কড়া আইন আনছে সরকার, দাবি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতার

"সোশ্যাল মিডিয়া ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে! এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে সরকারও ফেলে দিতে পারে।"

"সোশ্যাল মিডিয়া ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে! এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে সরকারও ফেলে দিতে পারে।"

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
NULL

প্রতীকী ছবি

সোশ্যাল মিডিয়া ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে! এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে সরকারও ফেলে দিতে পারে। অনাচার সৃষ্টি এবং গণতন্ত্রকে দুর্বল করে দিতে পারে। সাংবিধানিক এক্তিয়ারের মধ্যে থেকে এই সমস্যাকে সমাধান করতে হবে। এমনটাই মত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা রাম মাধবের। নতুন বই ‘Because India Comes First’-এর উদ্বোধনে এমনই মন্তব্য করেন তিনি। আরও জানিয়েছেন, গণতন্ত্র এখন নয়া চ্যালেঞ্জ ও বিপদের সম্মুখীন। সেটা হল অরাজনৈতিক শক্তির।

Advertisment

তিনি বলেছেন, "সোশ্যাল মিডিয়া ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে! এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে সরকারও ফেলে দিতে পারে। অনাচার সৃষ্টি এবং গণতন্ত্রকে দুর্বল করে দিতে পারে। কিন্তু একে নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন, কারণ এর কোনও সীমানা নেই। এই শক্তি অনাচার সৃষ্টি করতে পারে। তবে এর জন্য সাংবিধানিক নিয়ম মেনে সমাধান বের করতে হবে।" শনিবার প্রভা খৈতান ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানে এসে একথা বলেন রাম মাধব।

একদা আরএসএসের সদস্য বর্তমানে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা। অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপ করার আগে থেকেই জম্মু-কাশ্মীরে পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তাঁর মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার স্ত্রুদের মোকাবিলা করতে কড়া আইন আনা দরকার। তিনি জানিয়েছেন, সামাজিক মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে আইন আনার কথা ভাবছে কেন্দ্র। সরকার সেটা নিয়েই কাজ শুরু করেছে। প্রসঙ্গত, কৃষক আন্দোলন নিয়ে বিদেশি পরিবেশকর্মী, সেলেবদের টুইট ঘিরে অস্বস্তিতে পড়েছে কেন্দ্র। টুইটারের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।

কেন্দ্র-টুইটার দুই পক্ষকেই সুপ্রিম কোর্ট নোটিস দিয়ে জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় হিংসা-উসকানিমূলক কনটেন্ট, ভুয়ো খবর রুখতে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। সেই প্রসঙ্গে মাধবের মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেছেন, নিজের বইতে তিনি নরেন্দ্র মোদীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ লিপিবদ্ধ করেছেন।

Advertisment

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন

Social Media bjp