scorecardresearch

চিদাম্বরম ফের সিবিআই হেফাজতে

৩০ অগাস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে থাকতে হবে দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমকে। দিল্লির বিশেষ আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এই আদালতই তাঁকে ২৬ অগাস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। বুধবার নিজের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সোমবার চিদাম্বরমকে সিবিআইয়ের বিশেষ বিচারক অজয় কুমার […]

চিদাম্বরম ফের সিবিআই হেফাজতে
পি চিদাম্বরম। ফাইল ছবি
৩০ অগাস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে থাকতে হবে দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমকে। দিল্লির বিশেষ আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এই আদালতই তাঁকে ২৬ অগাস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। বুধবার নিজের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

সোমবার চিদাম্বরমকে সিবিআইয়ের বিশেষ বিচারক অজয় কুমার কুহারের আদালতে পেশ করা হয়।

এই রায়ের আগেই অবশ্য সুপ্রিম কোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা।  চিদাম্বরমের আগাম জামিনের আবেদন এদিন শীর্ষ আদালতে ধোপেই টেকেনি। দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, যেহেতু চিদাম্বরম ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন, তাই এই আবেদনের আর কোনও ভিত্তিই নেই।

ইডি মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে রীতিমতো তর্কে জড়ান চিদাম্বরমের আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল। আদালতে সিব্বল অভিযোগ করেন, ‘‘ইডি-র হলফনামা সংবাদমাধ্যমে ফাঁস করেছে ইডি-ই’’। তাঁর আরও অভিযোগ, ‘‘নোট, নথি, ডায়েরি দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতির কাছে প্রমাণ হিসেবে পেশ করা হয়েছে। এই নথিগুলি জিজ্ঞাসাবাদের সময় চিদাম্বরমকে দেখানোও হয়নি’’। একইসঙ্গে ইডিকে চ্যালেঞ্জের সুরে সিব্বল বলেন, ‘‘বিদেশে চিদম্বরমের সম্পত্তি বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের কোনও তথ্য ইডি পেশ করুক দেখি’’।

২০১৭ সালের মে মাসে সিবিআই একটি এফআইআর দায়ের করে। তাতে অভিযোগ করা হয় ফরেন ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন বোর্ড (এফআইপিবি) ২০০৭ সালে বিদেশ থেকে ৩০৫ কোটি টাকার ফান্ড পাওয়ার জন্য আইএনএক্স গোষ্ঠীকে যে ছাড়পত্র দিয়েছিল তাতে বেনিয়ম করা হয়েছে। সে সময়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ছিলেন পি চিদাম্বরম।

গত বছর ইডি টাকা নয়ছয়ের একটি মামলা দায়ের করে এবং সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চিদাম্বরমকে ডেকে পাঠায়।

২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের অধীন ফিনানসিয়াস ইন্টেলিজেন্স ইউনিট মরিশাসের তিনটি সংস্থাকে আইএনএক্স মিডিয়া গোষ্ঠীতে ৩০৫ কোটি টাকা লগ্নির অনুমোদন দেয়। ওই সংস্থার কর্ণধার ছিলেন পিটার ও ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়।

মুম্বইয়ের আয়কর দফতর এ মামলা ইডির কাছে পাঠায়। ২০১০ সালে ইডি আইএনএক্স মিডিয়ার বিরুদ্ধে বিদেশি মু্দ্রা আইন (ফেমা)-এ একটি মামলা দায়ের করে।

সিবিআইয়ের অভিযোগ, আয়কর দফতর এ নিয়ে তদন্ত শুরু করার পর এফআইপিবি ২০০৮ সালের ২৬ মে এ ব্যাপারে আইএনএক্স মিডিয়ার কাছে ব্যাখ্যা চাইলে, ওই সংস্থার তরফ থেকে কার্তি চিদাম্বরমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁকে অনুরোধ করা হয় তৎকালীন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমের সঙ্গে সম্পর্কের সূত্রে অর্থমন্ত্রকের এফআইপিবি ইউনিটের সরকারি অফিসারদের উপর প্রভাব খাটিয়ে বিষয়টি মিটমাট করিয়ে দেওয়ার।

সিবিআই অভিযোগ করেছে, তদন্ত করার বদলে ওই গোষ্ঠীকে অন্যায্য সুবিধা পাইয়ে দেয় এফআইপিবি। ইতিমধ্যেই যে লগ্নি এসে পৌঁছেছে তার জন্য নতুন কের আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয় আইএনএক্স-কে।

 

 

Stay updated with the latest news headlines and all the latest General news download Indian Express Bengali App.

Web Title: P chidambaram cbi custody till 30 august