বড় খবর

কোভিডে ব্যবহৃত পালস অক্সিমিটারের কার্যকারীতা নিয়ে উঠল প্রশ্ন

এই বিষয়ে মার্কিন খাদ্য ও ড্রাগ প্রশাসন এখন সকলকে এই ডিভাইস ব্যবহার নিয়ে সতর্ক করেছে।

করোনা ভাইরাস আবহে পালস অক্সিমিটার খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যদিও রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা পরিমাপ করতে স্বাস্থ্যসেবা পেশাদাররা যে ডিভাইসগুলি ব্যবহার করেন সেই পালস অক্সিমিটারগুলি কিছু পরিস্থিতিতে ভুল ফলাফল পেতে পারে। আর এই বিষয়ে মার্কিন খাদ্য ও ড্রাগ প্রশাসন এখন সকলকে এই ডিভাইস ব্যবহার নিয়ে সতর্ক করেছে।

সাধারণত হাসপাতালে, বিশেষ করে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে এর ব্যবহার হয়। গুরুতর অসুস্থ রোগীর শরীরে অক্সিজেন কমছে কি না তা জানতে দিনে ৩-৪ বার বা প্রয়োজন মতো পরীক্ষা করে দেখা হয়। পালস অক্সিমিটার প্রোব এখন সকলেরই ঘরে থাকে। যাতে হঠাৎ যদি শ্বাসকষ্ট হয় বা শ্বাসকষ্ট না হওয়া সত্ত্বেও যদি শরীরে অক্সিজেন কমে যায় তাহলে হাসপাতালে যাতে খুব সহজেই নিয়ে যাওয়া যায় রোগীকে।

আমাদের রাজ্যে যত সংখ্যক রোগী করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন সেই তুলনায় এখন ভেন্টিলেশন কম। যাঁদের তেমন উপসর্গ পাওয়া যাচ্ছে না, তাঁদের ক্ষেত্রে বাড়িতেই চিকিৎসার কথা বলা হয়েছে। তবে সবসময় ডাক্তারবাবরা বলছেন অক্সিজেনের মাত্রা পরীক্ষা করে দেখে নিতে। অক্সিমিটারে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ এর উপরে থাকা মানেই নিরাপদ। এবার অক্সিমিটার যে সবসময় ১০০ শতাংশ খাঁটি রেজাল্ট দেবে এমন নয়।

এই সপ্তাহের শুরুতে, মার্কিন রোগ কেন্দ্র ও প্রতিরোধ কেন্দ্রগুলি স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের সতর্ক করতে করোনভাইরাস নির্দেশিকা আপডেট করেছে। বেশ কয়েকটি গবেষণার থেকে জানা যায় যে ত্বকের পিগমেনটেশনের ফলে অক্সিমিটারের কাজে তা প্রভাব ফেলতে পারে। নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন দ্বারা প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখ গিয়েছে যে ডিভাইসটি শ্যামবর্ণ ব্যক্তিদের শরীরে বহুবার ভুল রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন

Web Title: Pulse oximeters widely used in covid fight may yield inaccurate results

Next Story
দেশে ফের বাড়ছে করোনা, নতুন আক্রান্তে রেকর্ড! ফের কি লকডাউন জারি?
The moderation of comments is automated and not cleared manually by bengali.indianexpress.com