বড় খবর

মোদী-শাহ কি ভারতীয় নাগরিক? আরটিআই আবেদনে মিলল না জবাব

আরটিআই করা হয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী থেকে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের নামেও।

right to information of president, prime minister, home minister
অলঙ্করণ- অভিজিত বিশ্বাস
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কি ভারতের নাগরিক? যদি ভারতীয় নাগরিক হন, তাহলে কোন কোন নথির ভিত্তিতে মোদী-শাহরা নাগরিকত্ব পেয়েছেন? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়ে আরটিআই করেছিলেন প্রনোজিৎ দে। অবশেষে চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করেছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। তবে নরেন্দ্র মোদীর নাগরিকত্বের নথির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি প্রাপ্তিস্বীকার পত্রে। একইসঙ্গে বিশিষ্ট ১০জনের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। আবেদনকারী জানিয়েছেন, “এরপর দু’বার আবেদন করার পর কোনও উত্তর না পেলে, আদালতের দ্বারস্থ হব’’।

“জয় বাংলা সংসদ”-এর সভাপতি প্রনোজিৎ দে গত ২১ জানুয়ারি বৈধ নাগরিকত্ব সংক্রান্ত ১৩টি আরটিআই করেন ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে। আরটিআই করা হয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী থেকে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের নামেও। ওই তালিকায় রয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী, সাংসদ দিলীপ ঘোষ, ও সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যপালের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর দফতর ও রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে তাঁর নিজের দফতরে আরটিআই করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জ্বলছে দিল্লি, অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি সোনিয়ার

প্রনোজিৎ বলেন, “আরটিআই-এর মাধ্যমে ওই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য জানতে চেয়েছি। প্রথমত ওঁরা এই দেশের বৈধ নাগরিক কিনা? যদি ওঁরা এই দেশের বৈধ নাগরিক হন তাহলে কোন কোন কাগজপত্রের ভিত্তিতে ওঁরা এই দেশের বৈধ নাগরিক? যদি ওঁরা বৈধ নাগরিক না হন তাহলে কেন ওঁরা বৈধ নাগরিক নন?”

কেন এভাবে রাষ্ট্রপতি থেকে সাংসদদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইছেন? প্রনোজিৎ দের জবাব, “নাগরিকত্বের নথি নিয়ে সাধারণের মধ্যে ধোঁয়াশা আছে। নাগরিকত্ব নিয়ে মানুষ অযথা হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। দেশব্যাপী বিতর্ক শুরু হয়েছে। তাই ওই বিশিষ্ট ব্যক্তিরা কীসের ভিত্তিতে দেশের নাগরিক তা জানা খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। তাই তথ্য জানার অধিকার আইনে জানতে চেয়েছি। যাঁরা নাগরিকত্বের প্রমাণ চাইছেন তাঁরা আদৌ নাগরিক কিনা তা জানা প্রয়োজন।” যদি শেষমেশ নাগরিকত্ব নথি সংক্রান্ত তথ্য না পাওয়া যায় তাহলে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়ে দিলেন প্রনোজিৎ।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন

Get the latest Bengali news and General news here. You can also read all the General news by following us on Twitter, Facebook and Telegram.

Web Title: Right to information of president prime minister home minister

The moderation of comments is automated and not cleared manually by bengali.indianexpress.com