scorecardresearch

বড় খবর

ব্যাঙ্ক প্রতারণা: ‘সতর্ক করলেও পদক্ষেপ হয়নি কেন?’ মোদী সরকারকে তুলোধনা কংগ্রেসের

হাত শিবিরের দাবি, ‘জালিয়াতি করেই পালাও এই সরকারের নীতি।’

ব্যাঙ্ক প্রতারণা: ‘সতর্ক করলেও পদক্ষেপ হয়নি কেন?’ মোদী সরকারকে তুলোধনা কংগ্রেসের
দেশের বৃত্তম ব্যাঙ্ক জালিয়াতি নিয়ে বিজেপিকে নিশানা কংগ্রেসের।

এবিজি গ্রুপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালেই সরব ছিল কংগ্রেস। সতর্ক করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। কিন্তু কয়েক বছর কাটলেও পদক্ষেপ করা হয়নি। শেষ পর্যন্ত প্রকাশ্যে এসেছে দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনা। যা নিয়ে এবার মোদী সরকারকে নিশানা করেছে হাত শিবির।

কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সিং সুরজেওয়ালার প্রশ্ন, ‘এবিজি শিপইয়ার্ডের অবসান প্রক্রিয়ার পরে কেন ২৮টি ব্যাঙ্ককে ২২,৮৪২কোটি টাকা ফাঁকি দেওয়ার জন্য একটি এফআইআর দায়ের করতে কেন পাঁচ বছর সময় লাগলো?’ তাঁর সংযোজন, ‘২০১৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী মোদী সরকারকে কংগ্রেস অভিযোগ সতর্ক করেছিল এবিজি শিপইয়ার্ড নিয়ে। ওই সংস্থার জালিয়াতি কার্যকলাপ জানিয়ে তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবি করেছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও সিবিআই পদক্ষেপ করেনি। তারা আরও দেড় বছর অপেক্ষা করল। শেষ পর্যন্ত পাঁচ বছৎ পর এফআইআর দায়ের হল।’

সুরজেওয়াল দাবি, ‘ব্যাঙ্ক জালিয়াতকারীদের সঙ্গে মোদী সরকারের সর্বোচ্চ পদে যারাঁ বসে আছেন তাদের যোগসাজশ অনেক গভীরে।’ এই জালিয়াতিই দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক ‘প্রতারণা’।

এই জালিয়াতির পর অভিযুক্তরা বিদেশে পালিয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালা। এক্ষেত্রে অতীতের একাধিক উদাহরণ তুলে দরেন তিনি। সুরজেওয়ালার কথায়, ‘মোদী সরকারের আমলে গত সাড়ে সাত বছরে মোট ৫.৩৫ লক্ষ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনা হয়েছে। এই সময়েয়কালে ভারতের ব্যাঙ্কগুলি ৮.১৭ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা করেছে৷’

কংগ্রেসের দাবি, এবিজি শিপইয়ার্ডকে ২০০৭ সালে গুজরাটের ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার ১.২১ লক্ষ বর্গ মিটার জমি বরাদ্দ করেছিল। সুরজেওয়ালা বলেন, ‘অডিটর এন্ড কমট্রোলার জেনারেল তৎকালীন গুজরাট সরকারকে এবিজি শিপইয়ার্ড এবং ঋষি আগরওয়ালকে প্রতি বর্গমিটারে জমি ৭০০ টাকায় দেওয়াকে অযৌক্তিক অনুগ্রহ বলে জানিয়েছিল। সেই সময় জমির দাম ছিল ১০০ শতাংশ বেশি, অর্থাৎ প্রতি বর্গমিটারে ১,৪০০ টাকা।’ তাঁর আরও অভিযোগ, তৎকালীন গুজরাট সরকার যৌতুক হিসাবে এবিজি শিপইয়ার্ডকে ৫০ হেক্টর জমি বরাদ্দ করতে অগ্রসর হয়েছিল।

এসবিআই প্রথমে ২০১৯ সলের ৪ঠা নভেম্বর একটি অভিযোগ দায়ের করেছিল যার উপর সিবিআই ২০২০-র ১২ই মার্চ কিছু ব্যাখ্যা চেয়েছিল।এরপর ২০২০-র আগাস্টে একটি নতুন অভিযোগ দায়ের করা হয়৷ দেড় বছর ধরে অভিযোগটি খতিয়ে দেখার পর সিবিআই তার উপর কাজ শুরু করে। চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি আরও একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

Read in English

Stay updated with the latest news headlines and all the latest General news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Shipyard bank fraud case congress questions modi govt