রাশিয়ার তেল পাইপলাইন কেন্দ্র লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাল ইউক্রেন। দ্রুজবা তেল পাইপলাইন কেন্দ্রে এই হামলা চালানো হয়েছে। এই দ্রুজবার মাধ্যমেই পশ্চিম সাইবেরিয়ার অপরিশোধিত তেল ইউরোপে পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিবেশিত হয়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলার তীব্রতা বেড়েছে। মার্কিন গোয়েন্দাদের সূত্র ধরে নিউ ইয়র্ক টাইমসের দাবি, চলতি মাসের শুরুতে ক্রেমলিনে ড্রোন হামলার পিছনে ইউক্রেনই ছিল। তবে, ইউক্রেন অবশ্য এখনও পর্যন্ত হামলার কথা স্বীকার করেনি। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা দফতর শনিবার এই ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।
মস্কোর ঠিক উত্তর-পশ্চিমে টিভার এলাকা। সেখানেই তেল পরিবহণ কেন্দ্রে হামলা হয়েছে। দুটো ড্রোন আছড়ে পড়েছে। এই তেল পরিবহণ কেন্দ্র দ্রুজবা পাইপলাইন প্রকল্পের অংশ। এমনটাই জানিয়েছে, কমার্স্যান্ট সংবাদপত্র। টিভার প্রশাসন জানিয়েছে, এই হামলা হয়েছে ইউক্রেন-রাশিয়া সীমান্ত থেকে ৫০০ কিলোমিটার (৩১০ মাইল) দূরে। শেষ পর্যন্ত ইরোখিনো গ্রামের কাছে একটি ড্রোন আছড়ে পড়ে। দ্রুজবা তেল পাইপলাইন সোভিয়েত রাশিয়ার জমানায় তৈরি হয়েছিল। প্রতিদিন ২০ লক্ষ ব্যারেল তেল এই পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহের ক্ষমতা আছে। গত বছর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানোর পর এই পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল সরবরাহর প্রয়োজনীয়তা হ্রাস পায়।
আরও পড়ুন- নির্বাচনের বছর, রাজনীতিবিদরা লাইন দিচ্ছেন ‘শাস্ত্রী’র দরবারে
চলতি মাসের গোড়াতেও হামলায় আক্রান্ত হয়েছিল দ্রুজবা পাইপলাইন। রুশ তেল পাইপলাইন অপারেটর ট্রান্সনেফট চলতি মাসের গোড়ায় জানিয়েছিল যে ইউক্রেন সীমান্তবর্তী এক রাশিয়ান অঞ্চলে দ্রুজবার এক ফিলিং পয়েন্টে হামলা হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের দৈনিক ব্রিফিংয়ে, শনিবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছে যে তারা গত ২৪ ঘণ্টায় ১২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে এবং ব্রিটেন থেকে ইউক্রেনে সরবরাহ করা দু'টি দূরপাল্লার স্টর্ম শ্যাডো ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও আটকে দিয়েছে। সঙ্গে, রাশিয়া আরও দাবি করেছে যে তারা স্বল্পপাল্লার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-নির্মিত হাইমারস উৎক্ষেপক এবং হার্ম ক্ষেপণাস্ত্র আটক করেছে।