লাল ফৌজের আগ্রাসন রুখতে দৃঢ়সঙ্কল্প ভারতীয় সেনা: সেনা প্রধান

Ladkah Dispute: ‘ইস্টার্ন লাদাখে ভারতীয় বাহিনী সক্রিয় থেকে কিছুটা হুমকি কমিয়েছে। পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৫ ঘিরে যে বিতর্ক রয়েছে, সেটার সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই হবে।'

Ladkah Dispute: ‘ইস্টার্ন লাদাখে ভারতীয় বাহিনী সক্রিয় থেকে কিছুটা হুমকি কমিয়েছে। পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৫ ঘিরে যে বিতর্ক রয়েছে, সেটার সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই হবে।'

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
Keen on good ties with Pak but it must end terror, bids to draw global attention to J&K, says General Naravane

সন্ত্রাস ছেড়ে পাকিস্তানকে আলোচনার পথে ফেরার বার্তা মেজর জেনারেল নারাভানের।

Ladkah Dispute: ইস্টার্ন লাদাখে চিন সেনার মোকাবিলা দৃঢ় সঙ্কল্প ভাবেই করবে ভারতীয় সেনা। বুধবার বেজিংয়ের উদ্দেশে এই বার্তা পাঠান সেনা প্রধান জেনারেল নারাবনে। তাঁর দাবি, ‘ দেশের সর্বোচ্চ সীমায় সর্বাধিক প্রস্তুতি নিয়েছে ভারতীয় সেনা।  এদিন আবার সীমান্ত সমস্যা সমাধানে ইন্দো-চিন বৈঠক চলছে। সেই বৈঠকের আবহেই সেনা প্রধানের এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। এমনটাই মত সামরিক বিশেষজ্ঞদের।

Advertisment

এদিন সেনা প্রধান বলেন, ‘ইস্টার্ন লাদাখে ভারতীয় বাহিনী সক্রিয় থেকে কিছুটা হুমকি কমিয়েছে। পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৫ ঘিরে যে বিতর্ক রয়েছে, সেটার সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই হবে। তবে পড়শি দেশের তরফে কোনও সামরিক আগ্রাসন হলে আমাদের বাহিনী সদা প্রস্তুত।‘

আমাদের দিকে কোনও চ্যালেঞ্জ ছোড়া হলে, আমরা তার মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। এই দাবি করে সেনা প্রধান জেনারেল নারাবনে বলেন, ‘তাও যেকোনও প্রকার হুমকির বিরুদ্ধে লড়তে আমরা নানাভাবে প্রস্তুত হয়ে রয়েছি।‘ এদিকে, বুধবার সীমান্ত সমস্যা সমাধানে বৈঠকে বসছে ইন্দো এবং চিন। তার আগে নয়াদিল্লির পাশে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দিল ওয়াশিংটন। পড়শিদের ভয় দেখানোর কূটনীতি করছে বেজিং। সহযোগী দেশগুলোকে সর্বত্র ভাবে সাহায্য করবে ইউএস। এভাবেই মঙ্গলবার সরব হয়েছেন বাইডেন প্রশাসনের প্রেস সচিব জেন সাকি। জানা গিয়েছে, ইস্টার্ন লাদাখের ঝুলে থাকা সীমান্ত বিবাদ মেটাতে বুধবার ১৪তম বৈঠকে বসছে ইন্ডিয়া এবং চিন। তার আগে জেন সাকির এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ।  

Advertisment

তিনি বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি এবং চাইছি আলোচনার মাধ্যমেই শান্তিপূর্ণভাবে সীমান্ত সমস্যার সমাধান হোক।‘ সাপ্তাহিক প্রেস বৈঠকে তাঁকে চিনের আগ্রাসন নীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। সেই প্রশ্নের জবাব মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রেস সচিব বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়া এবং ভারত মহাসাগর অঞ্চলে চিনের অবস্থান সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। এই অবস্থান এবং চিনের পড়শি দেশের প্রতি ভয় দেখানোর কূটনীতি বজায় থাকলে, সেই অঞ্চলের শান্তি এবং স্থিতি নষ্ট হতে পারে।‘  

ভারতের সঙ্গে বাইডেন প্রশাসনের সম্পর্ক প্রসঙ্গে সাকি জানান, অনেকগুলো লক্ষ্য নিয়ে আমাদের সরকার ভারতের সঙ্গে দৌত্য বাড়াবে। অতিমারীর বিরুদ্ধে লড়াই, জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ব্যবস্থা, দ্বিপাক্ষিক এবং কোয়াড গোষ্ঠীর মাধ্যমে যোগাযোগ বাড়ান হবে। বাণিজ্য, সাইবার এবং প্রযুক্তিগত মাধ্যমে সহযোগিতা বাড়ানো বিডেন সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য।


ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে পড়তে থাকুন