/indian-express-bangla/media/media_files/2025/04/29/d6DwFB608mysWR3vXGAb.jpg)
Horoscope: রাশিচক্র।
Emotional Personality Traits: একজন মানুষের আবেগই তাঁর চরিত্রের সবচেয়ে নীরব অথচ শক্তিশালী দিক। কেউ আবেগ প্রকাশ করেন চোখের জলে, কেউ আবার হাসির আড়ালে নিজের অনুভূতিকে লুকিয়ে রাখেন। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, মানুষের জন্মমাস তাঁর আবেগপ্রবণতা, অনুভূতির গভীরতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। একই মাসে জন্মানো মানুষের স্বভাবে এক ধরনের সূক্ষ্ম মিল লক্ষ্য করা যায়, যদিও প্রত্যেক মানুষ আলাদা। তবুও কিছু মাস রয়েছে, যাঁদের জাতক-জাতিকারা তুলনামূলক ভাবে বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে থাকেন।
কোন মাসের জাতক-জাতিকারা বেশি আবেগপ্রবণ?
জানুয়ারি মাসে জন্মানো মানুষদের আবেগ গভীর হলেও তা সহজে বাইরে প্রকাশ পায় না। এঁরা নিজেদের অনুভূতিকে শক্ত মনের আবরণে ঢেকে রাখতে অভ্যস্ত। সমাজের চোখে এঁরা দৃঢ়চেতা, বাস্তববাদী এবং দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বাস্তবে জানুয়ারির জাতক-জাতিকারা ভিতরে ভিতরে অনেক কিছু অনুভব করেন। কষ্ট পেলেও মুখে বলেন না, কাউকে দুর্বল মনে করুক সেটা এঁরা চান না। নিজের আবেগ নিজেই সামলে নেওয়ার এই প্রবণতা অনেক সময় মানসিক চাপ বাড়িয়ে তোলে, তবে এঁদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা সত্যিই প্রশংসনীয়।
আরও পড়ুন- শ্রীকৃষ্ণের এই ৭টি বাণী জীবনের সব কঠিন সময়ে লড়াই করার সাহস জোগায়
মার্চ মাসে জন্মানো জাতক-জাতিকারা হৃদয়ের কথা শুনেই বেশি চলেন। যুক্তি বা বাস্তবতার চেয়ে অনুভূতির গুরুত্ব এঁদের জীবনে অনেক বেশি। কোনও পরিস্থিতিতে ঢোকার আগেই এঁরা নানা দিক ভেবে ফেলেন, যার অধিকাংশই আবেগনির্ভর। অতিরিক্ত চিন্তা আর সংবেদনশীল মন একত্রে কাজ করায় এঁরা দ্রুত আঘাত পান। ভালবাসা, বন্ধুত্ব বা সম্পর্ক—সব ক্ষেত্রেই মার্চে জন্মানো মানুষরা নিজেদের শতভাগ উজাড় করে দেন। কিন্তু আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে মাঝেমধ্যে নিজেরাই সমস্যায় পড়ে যান।
আরও পড়ুন- কন্যাসন্তান জন্মানোর স্বপ্নের অর্থ কী, এর মধ্যে জীবনের কোন শুভ বার্তা লুকিয়ে আছে?
জুলাই মাসে জন্মানো মানুষরা স্মৃতির ভাণ্ডার নিয়ে বেঁচে থাকেন। ভাল বা খারাপ—সব অভিজ্ঞতাই এঁদের মনে গভীর ছাপ ফেলে। অতীতের কোনও আঘাত বা কষ্ট এঁরা সহজে ভুলতে পারেন না। এই কারণেই বর্তমানের আনন্দ উপভোগ করতে এঁদের সময় লাগে। নতুন মানুষের ওপর ভরসা করতে এঁরা ধীরে এগোন। তবে এক বার বিশ্বাস করলে জুলাইয়ের জাতক-জাতিকারা অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও যত্নশীল সঙ্গী হয়ে ওঠেন। আবেগ এঁদের শক্তি, আবার দুর্বলতাও।
আরও পড়ুন- বসন্ত পঞ্চমীতে কোন মন্ত্রে আরাধনা করলে বিদ্যার দেবী সরস্বতী হবেন সন্তুষ্ট?
নভেম্বর মাসে জন্মানো জাতক-জাতিকারা সবচেয়ে সংবেদনশীলদের তালিকায় পড়েন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে এঁরা গভীরতা খোঁজেন। যাঁকে ভালবাসেন বা আপন মনে করেন, তাঁর জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত থাকেন। তবে বিনিময়ে সমান যত্ন ও গুরুত্ব প্রত্যাশা করেন। সেই প্রত্যাশা পূরণ না হলে মানসিক কষ্টে ভেঙে পড়েন। আবেগের বশে অনেক সময় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, পরে তার ফল ভোগ করতে হয়। তবুও অন্যের কথা ভাবা, সহানুভূতি দেখানো—এঁদের স্বভাবের অঙ্গ।
আরও পড়ুন- চলতি সপ্তাহে প্রেম ও দাম্পত্য জীবনে কার ভাগ্যে সুখ, কে পড়বেন পরীক্ষার সামনে?
সব মিলিয়ে বলা যায়, জানুয়ারি, মার্চ, জুলাই ও নভেম্বর—এই চার মাসে জন্মানো মানুষেরা আবেগের দিক থেকে গভীর, সত্যিকারের অনুভূতিপ্রবণ এবং সম্পর্ককে গুরুত্ব দেন। আবেগ যদি নিয়ন্ত্রিত থাকে, তবে সেটাই হয়ে ওঠে তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি। জন্মমাস যেমনই হোক, নিজের আবেগকে বুঝে নেওয়াই এঁদের জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখার প্রথম ধাপ।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us