Energy Sharing Myth: বান্ধবীর সঙ্গে পোশাক ভাগ করে পরেন? শাস্ত্র বলছে, ফল হতে পারে মারাত্মক!

Energy Sharing Myth: বন্ধু বা বান্ধবীর সঙ্গে পোশাক, গয়না বা ঘড়ি ভাগ করে পরেন? জেনে নিন শাস্ত্রমতে কোন জিনিস ভুলেও অন্যকে পরতে দেওয়া উচিত নয়।

Energy Sharing Myth: বন্ধু বা বান্ধবীর সঙ্গে পোশাক, গয়না বা ঘড়ি ভাগ করে পরেন? জেনে নিন শাস্ত্রমতে কোন জিনিস ভুলেও অন্যকে পরতে দেওয়া উচিত নয়।

author-image
Chinmoy Bhattacharjee
New Update
Energy Sharing Myth: পোশাক ভাগ করে পরলে কী হয়, জানুন।

Energy Sharing Myth: পোশাক ভাগ করে পরলে কী হয়, জানুন।

Energy Sharing Myth: বন্ধু বা বান্ধবীর সঙ্গে নিজের জিনিস ভাগ করে নেওয়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুবই স্বাভাবিক একটি অভ্যাস। বিশেষ করে কাছের মানুষের সঙ্গে জামাকাপড়, গয়না কিংবা ছোটখাটো ব্যক্তিগত জিনিস অদলবদল করাকে আমরা অনেক সময় ভালোবাসা ও ঘনিষ্ঠতার প্রকাশ হিসেবেই দেখি। কিন্তু শাস্ত্র ও প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের কিছু জিনিস রয়েছে যেগুলি অন্যকে ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়। এতে শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, জীবনে অশুভ শক্তির প্রভাবও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হয়।

Advertisment

শাস্ত্র মতে, মানুষের ব্যবহার করা প্রতিটি জিনিসের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত শক্তি বা এনার্জি জড়িয়ে আছে। এই শক্তি দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে সেই জিনিসে সঞ্চিত হয়। তাই নিজের জিনিস অন্যকে ব্যবহার করতে দিলে বা অপরের জিনিস নিজে ব্যবহার করলে, একে অপরের শক্তির আদান-প্রদান ঘটে। এই আদান-প্রদান সবসময় শুভ হয় না। অনেক ক্ষেত্রেই এর ফলে জীবনে অযথা বাধা, মানসিক অস্থিরতা বা দুর্ভাগ্য দেখা দিতে পারে বলেই বিশ্বাস করা হয়।

আরও পড়ুন- সূর্য ও মঙ্গলের বিস্ফোরক জোট, বিপাকে এই ৬ রাশি

ঘড়ি এমন একটি জিনিস, যার সঙ্গে সময় ও ভাগ্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে বলে শাস্ত্রে উল্লেখ আছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, কারও ঘড়ি পরলে তার সময় বা ভাগ্যের প্রভাব আমাদের জীবনে এসে পড়তে পারে। একইভাবে নিজের ঘড়ি যদি অন্য কেউ ব্যবহার করেন, তবে তাঁর খারাপ সময়ের প্রভাবও আমাদের জীবনে প্রবেশ করতে পারে। এই কারণেই শাস্ত্রমতে নিজের ঘড়ি কাউকে পরতে দেওয়া বা অন্যের ঘড়ি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা ভালো।

আরও পড়ুন- নতুন বছরে পা দেওয়ার আগে বাড়ি থেকে দূর করুন এই ৬ অশুভ জিনিস, বদলে যাবে ভাগ্য 

জামাকাপড় ভাগ করে পরার বিষয়টি আজকাল খুব সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বন্ধু বা বান্ধবীদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র বলছে, জামাকাপড়ের সঙ্গে মানুষের শরীরের শক্তির সরাসরি যোগাযোগ থাকে। দীর্ঘদিন ব্যবহৃত পোশাকে সেই ব্যক্তির মানসিক ও শারীরিক শক্তির ছাপ থেকে যায়। সেই পোশাক অন্য কেউ ব্যবহার করলে নেগেটিভ এনার্জির প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে জীবনে অকারণ হতাশা, মন খারাপ বা কাজে অনীহা তৈরি হতে পারে। তাই খুব প্রয়োজন হলে পোশাক দেওয়ার আগে ও পরে নুনজলে ভালো করে তা ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন- রাতে দেখা কিছু স্বপ্ন কাউকে বলা নিষেধ, মুখ খুললেই উল্টে যেতে পারে ভাগ্য!

গয়না এমন একটি বস্তু, যার সঙ্গে সৌভাগ্য ও আর্থিক অবস্থার সম্পর্ক রয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়। মেয়েরা অনেক সময়ই আনন্দের জন্য বন্ধুদের সঙ্গে গয়না অদলবদল করে পরেন। কিন্তু জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, নিজের গয়না অন্যকে পরতে দিলে নিজের সৌভাগ্যের ক্ষয় হতে পারে। একইভাবে অন্যের গয়না পরলে তাঁর জীবনের নেতিবাচক প্রভাব নিজের ওপর এসে পড়তে পারে। বিশেষ করে আংটি, চেন বা কানের দুলের মত গয়না শরীরের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ স্পর্শে থাকে, ফলে শক্তির আদান-প্রদান আরও বেশি হয়।

আরও পড়ুন- অপরকে হেয় না করলে ঘুম আসে না! কটাক্ষ করার ক্লাসে ‘ফার্স্ট বয়’ এই ৬ রাশি

জুতো বা চটি ভাগ করে দেওয়াকেও অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়। শাস্ত্রমতে, জুতো শনিদেবের সঙ্গে সম্পর্কিত। নিজের জুতো অন্যকে দিলে বা অন্যের জুতো ব্যবহার করলে শনির কৃপা নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস। এর ফলে আর্থিক সমস্যা, কর্মক্ষেত্রে বাধা বা হঠাৎ ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়ে। তাই জুতো সবসময় ব্যক্তিগত জিনিস হিসেবেই ব্যবহার করা উচিত।

সব মিলিয়ে বলা যায়, আধুনিক জীবনে আমরা অনেক সময় এই ধরনের বিশ্বাসকে গুরুত্ব না দিলেও শাস্ত্রমতে এগুলির আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। নিজের জিনিস নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখলে ব্যক্তিগত শক্তি বজায় থাকে এবং জীবনে অশুভ প্রভাবের আশঙ্কাও কমে। বিশ্বাস করুন বা না করুন, এক্ষেত্রে সতর্ক থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।

দাবিত্যাগ

এই প্রতিবেদনটি শাস্ত্র ও প্রচলিত বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে লেখা। এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়। বিশ্বাস করা বা না করা সম্পূর্ণ পাঠকের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।

energy sharing