Vaastu Tips: ঠান্ডায় ঘরে চটি পরার অভ্যাস ডেকে আনছে দুর্ভাগ্য? বাড়ির এই ৪ স্থানে জুতো পায়ে গেলেই নষ্ট হতে পারে সৌভাগ্য!

Vaastu Tips: শীতকালে ঠান্ডা মেঝেতে খালি পায়ে হাঁটা কষ্টকর হলেও বাস্তুশাস্ত্র বলছে, বাড়ির কিছু নির্দিষ্ট স্থানে চটি বা জুতো পায়ে যাওয়া শুভ নয়। কিছু জায়গায় জুতো পরা একেবারেই নিষেধ।

Vaastu Tips: শীতকালে ঠান্ডা মেঝেতে খালি পায়ে হাঁটা কষ্টকর হলেও বাস্তুশাস্ত্র বলছে, বাড়ির কিছু নির্দিষ্ট স্থানে চটি বা জুতো পায়ে যাওয়া শুভ নয়। কিছু জায়গায় জুতো পরা একেবারেই নিষেধ।

author-image
Chinmoy Bhattacharjee
New Update
Vaastu Tips: বাস্তু টিপস জেনে নিন।

Vaastu Tips: বাস্তু টিপস জেনে নিন।

Vastu Tips: শীতকালে ঠান্ডা মেঝেতে খালি পায়ে হাঁটা প্রায় অসম্ভব বললেই চলে। তাই অনেক বাড়িতেই ঘরের চটি বা স্যান্ডেল ব্যবহার করা হয়। তবে বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, ঘরের সব জায়গায় একইভাবে চটি পরে যাওয়া উচিত নয়। কারণ প্রতিটি ঘর ও স্থানের নিজস্ব শক্তি থাকে, আর সেই শক্তির ওপর আমাদের আচরণের প্রভাব পড়ে। অজান্তেই করা কিছু অভ্যাস ধীরে ধীরে ঘরের পজিটিভ এনার্জি নষ্ট করে দেয়।

Advertisment

বাস্তুশাস্ত্র বিশ্বাস করে যে, বাড়ির পরিবেশ যত পবিত্র ও পরিষ্কার থাকবে, ততই সেখানে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় থাকবে। কিন্তু যখন আমরা দেবতার স্থান, অন্নের স্থান বা সম্পদের স্থানে জুতো পরে যাই, তখন সেই স্থানগুলির পবিত্রতা নষ্ট হয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবারের সদস্যদের মানসিক শান্তি, অর্থনৈতিক স্থিতি এবং পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর।

আরও পড়ুন-  নতুন বছরে এই ৫ ধরনের মানুষ থেকে দূরে থাকুন, না হলে পিছিয়ে পড়বেন!

প্রথমেই আসে বাড়ির মন্দির বা ঠাকুরঘরের কথা। বাড়ির যে স্থানে ঈশ্বরের আরাধনা করা হয়, সেই স্থানটিকে সর্বাধিক পবিত্র বলে ধরা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, ঠাকুরঘরে বা তার আশপাশে চটি পায়ে প্রবেশ করা অত্যন্ত অশুভ। বিশ্বাস করা হয়, এতে দেব-দেবীরা রুষ্ট হন এবং বাড়ি থেকে আশীর্বাদ সরে যেতে শুরু করে। এর ফলস্বরূপ সংসারে অশান্তি, অর্থকষ্ট এবং মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন- কেউ বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন, কারও হবে পদোন্নতি! ২০২৬-এ ৫ রাশির জীবনে আসছে বিরাট পরিবর্তন

এরপর রয়েছে রান্নাঘর। রান্নাঘরকে দেবী অন্নপূর্ণার আবাস বলে মনে করা হয়। এই স্থান থেকেই পরিবারের সকলের খাদ্য ও পুষ্টির জোগান আসে। তাই রান্নাঘরে জুতো বা চটি পরে প্রবেশ করা বাস্তুশাস্ত্র মতে শুভ নয়। এতে অন্নপূর্ণার কৃপা কমে যেতে পারে বলে বিশ্বাস। অনেক সময় দেখা যায়, সংসারে অর্থ এলেও তা স্থায়ী হয় না, খরচ বেড়ে যায় বা খাবারের অপচয় বাড়তে থাকে।

আরও পড়ুন- লাল, কালো, হলুদ না কমলা—হাতে কোন রঙের ডোর বাঁধা শুভ? জানুন পরার নিয়ম

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান হল সিন্দুক বা আলমারির কাছের এলাকা। যেখানে টাকা, গয়না ও মূল্যবান জিনিস রাখা হয়, সেই স্থানকে মা লক্ষ্মীর প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। বাস্তুশাস্ত্র বলে, সিন্দুকের সামনে বা কাছাকাছি জুতো পরে যাওয়া বা জুতো ছুঁয়ে টাকা ধরা অত্যন্ত অশুভ। এতে সম্পদ স্থায়ী না হয়ে ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে শুরু করে এবং অপ্রত্যাশিত আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

আরও পড়ুন- পরিবার অন্তপ্রাণ, চোখের মণি হন স্বজনেরাই, বাড়ির লোকেদের জন্য প্রাণপাত করেন এই ৫ রাশির ব্যক্তিরা

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হল ভাঁড়ার বা খাদ্য মজুতের জায়গা। গ্রামাঞ্চলে আজও ভাঁড়ারঘরের চল রয়েছে, তবে শহরের বাড়িতে তা আলাদা ঘর না হলেও একটি নির্দিষ্ট তাক বা স্টোরেজ স্পেস থাকে। যেখানে চাল, ডাল বা খাদ্যসামগ্রী রাখা হয়, সেখানে জুতো পরে প্রবেশ করা উচিত নয়। খাদ্যের সঙ্গে জড়িত স্থান পবিত্র বলে মানা হয় এবং এখানে অশুদ্ধতা প্রবেশ করলে অভাব অনটন বাড়ে বলেই বিশ্বাস।

মানসিক এবং পরিবেশগত দিক

বাস্তুশাস্ত্র শুধুমাত্র বিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে নেই, এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে মানসিক এবং পরিবেশগত দিকও। পবিত্র স্থানে জুতো না পরার অভ্যাস আমাদের মনে শ্রদ্ধা এবং সচেতনতা বাড়ায়। এতে ঘরের পরিবেশ আরও শান্ত ও সুশৃঙ্খল হয়। তাই শীতের সময় প্রয়োজন হলে উষ্ণ মোজা ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু এই নির্দিষ্ট স্থানগুলিতে চটি বা জুতো এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।

Vastu Tips