/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/05/vijaya-ekadashi-2026-date-2026-02-05-09-02-36.jpg)
Vijaya Ekadashi 2026 Date: বিজয়া একাদশীর তারিখ জেনে নিন।
Vijaya Ekadashi 2026 Date: সনাতন ধর্মে একাদশী তিথির বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। আর তার মধ্যে বিজয়া একাদশী এক অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। প্রতিবছর বৈদিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী মাঘ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে এই ব্রত পালিত হয়। ২০২৬ সালে বিজয়া একাদশী ফেব্রুয়ারি মাসে পড়ায় ভক্তদের মধ্যে এই ব্রত নিয়ে আগ্রহ আরও বেড়েছে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে ভগবান বিষ্ণুর উপাসনা করলে জীবনের নানা বাধা দূর হয় এবং শত্রুর ওপর বিজয় লাভ করা যায়।
বৈদিক পঞ্জিকা অনুসারে একাদশী তিথি শুরু হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ১২টা ২১ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা ২৬ মিনিটে। যেহেতু একাদশী তিথির উদয়কাল ১৩ ফেব্রুয়ারিতে পড়ছে, তাই এই বছর বিজয়া একাদশীর উপবাস পালিত হবে শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। উদয় তিথির ভিত্তিতে ব্রত পালনের এই নিয়ম শাস্ত্রসম্মত বলে ধরা হয়।
আরও পড়ুন- স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা ও প্রেমের ব্যাপারে মিথুন রাশির বছর কাটবে কেমন?
এই দিনে ভগবান বিষ্ণুর পূজার জন্য নির্দিষ্ট শুভ সময়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পঞ্চাঙ্গ অনুসারে, এই দিনে মধ্যাহ্নকালে ১২টা ১৩ মিনিট থেকে ১২টা ৫৮ মিনিট বিষ্ণু পূজার জন্য বিশেষভাবে শুভ। এই সময়ে শঙ্খ, চক্র, গদা ও পদ্মধারী ভগবান বিষ্ণুকে তুলসী পাতা, হলুদ ফুল এবং প্রসাদ নিবেদন করলে পূর্ণ ফল লাভ হয় বলে বিশ্বাস।
আরও পড়ুন- বছরজুড়ে ‘পৌষ মাস’! মার্চে চাকরি, সেপ্টেম্বরে সাফল্য—২০২৬ সালে আপনার রাশির সবচেয়ে শুভ মাস কোনটি?
উপবাস পালনের ক্ষেত্রে নিয়ম ও শুদ্ধতার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। বিজয়া একাদশীর ব্রত সাধারণত নির্জলা বা ফলাহার পদ্ধতিতে পালন করা হয়। পরের দিন অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে পারণ করা হয়। এই দিনে সকাল ৭টা থেকে ৯টা ১৪ মিনিটের মধ্যে উপবাস ভাঙা শ্রেয় বলে শাস্ত্রে জ্যোতিষরা মনে করছেন। পারণের সময় সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করাই উত্তম।
আরও পড়ুন- সদর দরজার সামনে ‘অশুভ’ রঙের পাপোশ পাতলেই নেমে আসতে পারে বিপদ, কোন দিকে কোন রঙ একেবারেই নিষিদ্ধ?
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিজয়া একাদশীর গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর। পুরাণ অনুসারে, ভগবান শ্রী রামচন্দ্র বনবাসকালে ঋষি বশিষ্ঠের পরামর্শে এই একাদশীর ব্রত পালন করেছিলেন। এই ব্রতের ফলেই তিনি রাবণের ওপর বিজয় লাভ করেছিলেন। সেই থেকেই এই একাদশীর নাম ‘বিজয়া’। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনে নিষ্ঠার সঙ্গে বিষ্ণু পূজা ও উপবাস করলে ভয়, দুঃখ এবং নেতিবাচক শক্তি দূর হয়।
আরও পড়ুন- স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা, প্রেম- বৃষ রাশির বছরটা কেমন কাটবে?
যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন, তাঁদের জন্য এই একাদশীর ব্রত বিশেষ ফলদায়ক। এই দিনে দরিদ্রদের অন্নদান, বস্ত্রদান বা অর্থদান করলে অক্ষয় পুণ্য লাভ হয় এবং ভগবান বিষ্ণু সাধকের প্রতি সন্তুষ্ট হন, এমনটাই ভক্তদের বিশ্বাস।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us