বড় খবর

ভুয়ো কল সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান, লন্ডন থেকে ফোন নগরপাল অনুজ শর্মাকে

নগরপাল জানিয়েছেন, “আমরা জাল কল সেন্টারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চালিয়ে যাব, কারণ আন্তর্জাতিক স্তরে এদের শিকার হচ্ছেন বহু মানুষ।”

kolkata police commissioner
লালবাজার। ছবি: কলকাতা পুলিশের ফেসবুক পেজ থেকে

গত সপ্তাহে কলকাতার তোপসিয়া এবং রফি আহমেদ কিদওয়াই রোড এলাকায় দুটি জাল কল সেন্টারের পর্দাফাঁস করে দেয় কলকাতা পুলিশ। অভিযোগ, ওই দুটি কল সেন্টার থেকে চালানো হচ্ছিল এমন কিছু চক্র, যার মাধ্যমে ঠকানো হচ্ছিল ব্রিটেনের কিছু নাগরিককে। জানা যায়, বিশ্বের সর্ববৃহৎ আইটি সংস্থা মাইক্রোসফটের নাম করে চালানো হচ্ছিল ভুয়ো কল সেন্টার দুটি। এ বিষয়ে সরাসরি এই প্রথমবার কলকাতা পুলিশের দ্বারস্থ হয় মাইক্রোসফট, তাদের ভারতীয় অ্যাটর্নির মাধ্যমে।

সেই অভিযানের জেরেই আজ, শুক্রবার, কলকাতার নগরপাল অনুজ শর্মাকে ফোন করলেন সিটি অফ লন্ডন পুলিশের ন্যাশনাল ফ্রড অ্যান্ড সাইবার ক্রাইম বিভাগের ডিরেক্টর জোনাথন ফ্রস্ট। তাঁদের তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানান কলকাতা পুলিশকে। ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা পাওয়ার আশা রাখেন বলে জানান ফ্রস্ট।

এই প্রসঙ্গে নগরপাল অনুজ শর্মা আমাদের জানিয়েছেন, “আমরা জাল কল সেন্টারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চালিয়ে যাব, কারণ আন্তর্জাতিক স্তরে এদের শিকার হচ্ছেন বহু মানুষ।”

আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়া ও ‘মি টু’ অভিযোগ; কোথায় দাঁড়িয়ে সমাজ, কী বলছে আইন?

উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর ফের এই একই বিষয়ে ময়দানে নামে বিধাননগর পুলিশ, নিশানায় সেক্টর ফাইভের একটি কল সেন্টার, যেখান থেকে ঠকানো হয়েছে একাধিক দেশের নাগরিককে। এই হানায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় পাঁচ ব্যক্তি, যাদের মধ্যে দুজন মুম্বইয়ের বাসিন্দা, বাকি তিনজন থাণে, আহমেদাবাদ এবং নয়া দিল্লির। পুলিশ জানায়, দলের নেতৃত্ব দিচ্ছিল মুম্বইয়ের বাসিন্দা, ২৫ বছর বয়সী তৌহিদ ওয়াহিদ খান।

সাম্প্রতিককালে এটি কলকাতা পুলিশের টুপিতে নবতম পালক। এই সপ্তাহের গোড়ার দিকে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (এনসিআরবি) দ্বারা প্রকাশিত একটি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, দেশের সবচেয়ে নিরাপদ শহর এখন কলকাতা। ২০১৭ সালে এনসিআরবি সংগ্রহ করে ২০ লক্ষ বা তার বেশি জনসংখ্যা আছে এমন ১৯টি ভারতীয় শহরে সংঘটিত অপরাধের তথ্য। সেই পরিসংখ্যানের বিচারে, কলকাতার প্রতি ১ লক্ষ জনসংখ্যা পিছু সংঘটিত অপরাধের নিরিখে অপরাধের হার ২০১৬ সালের ১৫৯.৬ থেকে কমে ২০১৭ সালে হয় ১৪১.২। সেখানে দেশের অন্যান্য বড় শহরে গড় অপরাধের হার ৪৬২.২।

২০১৪ থেকে ২০১৭, এই চার বছরে কলকাতার বিভিন্ন থানায় জমা পড়া মোট অভিযোগের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে। ২০১৪ সালে কলকাতার থানাগুলিতে জমা পড়া মোট অভিযোগের সংখ্যা ছিল ২৬,১৬১, যা ২০১৭-য় ৩১.৩ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ১৯,৯২৫-এ।

Web Title: London police cyber cell chief thanks kolkata commissioner anuj sharma fake call center racket

Next Story
বৌবাজার মেট্রো বিপর্যয়ের আঁচ পড়ল ‘তাপস রায়ের কালীপুজোয়’
The moderation of comments is automated and not cleared manually by bengali.indianexpress.com