/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/11/arghya-sen-2025-11-11-03-10-26.jpg)
Arghya Sen Birthday 2025: জন্মদিনে স্মরণে অর্ঘ্য সেন।
Arghya Sen Birthday 2025: অর্ঘ্য সেন— এই নামটি রবীন্দ্রসংগীতের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়। তাঁর গলায় রবীন্দ্রনাথের গানের যে অনুভব, যে মাধুর্য— তা আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে চলেছে। বর্তমান সময়ে রবীন্দ্রসংগীতের শিক্ষার্থীরা যে শিল্পীদের নিজেদের পথপ্রদর্শক মনে করেন, অর্ঘ্য সেন সেই তালিকার অন্যতম নাম।
মা ছিলেন সংগীতচর্চায় আগ্রহী
১৯৩৫ সালের ১১ নভেম্বর, বাংলাদেশের ফরিদপুরে মামার বাড়িতে জন্ম অর্ঘ্য সেনের। তাঁর আদি বাড়ি ছিল খুলনার সেনহাটি গ্রামে। বাবা হেমেন্দ্রকুমার সেন ছিলেন কৃষিবিজ্ঞানের শিক্ষক, আর মা বিন্দুদেবী আগ্রহী ছিলেন সংগীতচর্চায়। সেই সূত্রে ছোট থেকেই সংগীতচর্চায় যুক্ত হলেও লেখাপড়াকে কখনও অবহেলা করেননি অর্ঘ্য সেন।
আরও পড়ুন- শুধু শৈবপীঠই নয়, সতীপীঠও বক্রেশ্বর, দুর্গাপুজোয় থাকে এই বিশেষ আয়োজন
তাঁর শৈশব কেটেছে ফরিদপুরে। সেখানে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা শেষে কলকাতায় আসেন এবং বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল থেকে ১৯৫১ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। পরে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক হন।
আরও পড়ুন- শীতকালে কেন বাড়ে চুলকানি? জানুন প্রতিরোধের সহজ ঘরোয়া কায়দা
অর্ঘ্য সেনের কর্মজীবন শুরু হয় ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটে, যা পরবর্তীতে ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে অর্গানাইজেশনে (NSSO) রূপান্তরিত হয়। দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে সেখান থেকেই অবসর নেন। ছাত্রজীবনেই তাঁর সংগীতযাত্রার শুরু। প্রথমে রেডিওতে পঙ্কজকুমার মল্লিকের সংগীতশিক্ষা শুনে অনুপ্রাণিত হন।
আরও পড়ুন- সময়মতো না খেলে কি দুর্বল হয়ে যেতে পারে হাড়? জানুন বিস্তারিত
পরে অশোকতরু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রাথমিক শিক্ষা নেন। তাঁর জীবনের মোড় ঘুরে যায় যখন তিনি দেবব্রত বিশ্বাসের (জর্জ) কাছে শেখা শুরু করেন। গানের ভাব বুঝে গাওয়া, কথার উচ্চারণে প্রাণ আনার পথেই তিনি রবীন্দ্রসংগীতকে এক নতুন মাত্রা দেন।
আরও পড়ুন- থাইরয়েডে একদম এড়িয়ে চলুন এই ৬ খাবার, না হলে বিরাট বিপদ!https://bengali.indianexpress.com/lifestyle/thyroid-diet-foods-to-avoid-6-worst-items-10644255
তিনি শুধু একজন গায়ক নন, ছিলেন রবীন্দ্রনাথের দর্শন ও কবিতার সংগীতরূপকার। তাঁর গাওয়া, 'আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে' কিংবা 'আমার মাথা নত করে দাও'— গানগুলো আজও শ্রোতার মনে অনুরণিত হয়। রবীন্দ্রসংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৭ সালে তাঁকে ভারত সরকারের সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার দেওয়া হয়। পরে তিনি 'টেগোর ফেলো' সম্মানে ভূষিত হন, যা রবীন্দ্রসংগীতের প্রতি তাঁর আজীবন নিবেদনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us