Hair Coloring: চুল পড়া ঠেকাতে, পাকা চুল ঘন কালো করতে কাজে লাগান এই অব্যর্থ ঘরোয়া টোটকা!

Hair Coloring: চুল পড়া আটকাতে এবং পাকা চুল কালো করতে ঘরের এই সাধারণ জিনিসটা অসাধারণ কাজ করে। এতে চুল হয় উজ্জ্বল, ঘন এবং আগের তুলনায় অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।

Hair Coloring: চুল পড়া আটকাতে এবং পাকা চুল কালো করতে ঘরের এই সাধারণ জিনিসটা অসাধারণ কাজ করে। এতে চুল হয় উজ্জ্বল, ঘন এবং আগের তুলনায় অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।

author-image
Chinmoy Bhattacharjee
New Update
Hair Colour: এই কায়দায় পাকা চুল করুন কালো।

Hair Colour: এই কায়দায় পাকা চুল করুন কালো।

Hair Coloring: চুলের সমস্যা আজকাল প্রায় সকলেরই পরিচিত। বয়স কম হলেও অনেকেই অকালপক্ক চুল, চুল পড়া বা রুক্ষ চুলের সমস্যায় ভোগেন। নিয়মিত রাসায়নিক রং ব্যবহার, অতিরিক্ত তাপ, দূষণ এবং স্ট্রেস—সব মিলিয়ে চুলের স্বাভাবিক শক্তি ও রং নষ্ট হয়ে যায়। 

Advertisment

অনেকেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফিরে গিয়েছেন

তাই এখন অনেকেই কফি পাউডার দিয়ে চুল রাঙানোর ঘরোয়া পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন। এটি শুধু পাকা চুল ঢাকতেই সাহায্য করে না, বরং চুল পড়া কমায়, গোড়া থেকে চুলের শক্তি বাড়ায় এবং চুলে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতাও ফিরিয়ে আনে। 

আরও পড়ুন- শীত পড়তেই আমলকি খাচ্ছেন, জানেন কীভাবে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন?

Advertisment

কফির রঙ স্বাভাবিকভাবেই গাঢ় বাদামি। এটা চুলে ব্যবহার করলে পাকা বা চুলের সাদা রঙের অংশ অনেকটাই ঢাকা পড়ে যায়। রাসায়নিক রঙের মত কোনও ক্ষতি না করে এটি চুলের গোড়াকে অস্থায়ী রং দিয়ে ঢেকে রাখে। পাশাপাশি কফির মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেনল চুলের ত্বককে রিফ্রেশ করে, মাথায় রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে। ফলে অনেকেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করছেন।

আরও পড়ুন- কমলালেবুর এই অংশটায় বিরাট উপকার, ফেলে দিয়ে বেশিরভাগ মানুষই বিরাট ভুল করেন!

ধীরে ধীরে অনেকেই দেখেছেন যে কফি দিয়ে চুল রাঙালে চুল আরও নরম হয়। এর পরিমাণ বাড়ে। চুলের শুষ্কতা কমে। কারণ কফি মাথার ত্বকের অতিরিক্ত তেল শোষণ করে, আবার প্রয়োজনীয় আর্দ্রতাও ধরে রাখে। এতে চুল থাকে হালকা, মসৃণ এবং জটমুক্ত। যাঁরা নিয়মিত চুলে কন্ডিশনার বা সিরাম ব্যবহার করেন, তাঁরাও কফির রঙে রাঙিয়ে চুলে সেই বিশেষ কোমলতার অনুভূতি পান। এ কারণে কফি হেয়ার প্যাক (Grey Hair Remedy) এখন অত্যন্ত জনপ্রিয়।

আরও পড়ুন- মুম্বই কাঁপিয়ে দিয়েছিল ভয়াবহ সন্ত্রাস! ফিরে দেখা ২৬/১১

চুল রাঙাতে কফি ব্যবহারের কায়দাটি বেশ সহজ। প্রথমে চা-পাতা দিয়ে রঙকে গাঢ় করা হয়। তারপর তাতে কফি পাউডার এবং সামান্য কন্ডিশনার মিশিয়ে একটি পেস্ট বানানো হয়। শুকনো চুলে এই পেস্ট লাগালে রং চুলে ভালোভাবে আটকে যায়। পাকা অংশে একটু বেশি সময় রেখে দিলে রঙ আরও ভালোভাবে চুলে লেগে থাকে। কেউ চাইলে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে চুল ঢেকে রাখতে পারেন। এতে তাপের কারণে রঙ দ্রুত চুলে বসে যায়। সাধারণত এই রং এক ঘন্টা রাখলেই ভালো ফল মেলে, তবে গাঢ় বাদামি ভাব চাইলে এই রং দুই ঘণ্টায়ও মাথায় রাখা যায়।

আরও পড়ুন- শীতেও কি গ্রীষ্মের মত একটু বেশি রাতে ডিনার করেন? অজান্তেই ডাকছেন চরম বিপদ!

রং করার পরে চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার না করে শুধু জল দিয়ে মাথা ধুয়ে নেওয়াই ভালো। এতে মাথায় রঙের স্থায়িত্ব বাড়ে। কারণ কফির রঙ অস্থায়ী, তাই এক সপ্তাহ বা ১০ দিনের মধ্যে রঙ হালকা হয়ে যেতে পারে। যাঁদের পাকা চুল বেশি, তাঁরা এটি সপ্তাহে দু'বার ব্যবহার করলে রং দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবে যেহেতু এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতি, তাই কোনও ক্ষতি হওয়ার ভয় নেই। বরং কফির ব্যবহারে মাথার ত্বক আরও স্বাস্থ্যকর হয়। চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসে এবং নতুন চুলও শক্তভাবে গজাতে পারে। তাই অনেকে এখন রাসায়নিক রং বাদ দিয়ে চুলের জন্য কফি পাউডার বেছে নিচ্ছেন।

hair Coloring