/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/07/cooking-oils-1-2025-12-07-23-56-58.jpg)
Cooking Oil: রান্নার তেল।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/07/cooking-oils-2-2025-12-07-23-57-22.jpg)
রান্নার তেলে বাড়ে মেদ
Cooking Oil Linked to Obesity: ওজন বেড়ে যাওয়ার পিছনে খাদ্যাভ্যাসের ভূমিকা অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে রান্নায় কোন তেল ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কতটা ব্যবহার করা হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি প্রবেশ করে এবং ধীরে ধীরে মেদ জমতে শুরু করে। অনেক সময় মানুষ ধরে নেয় যে শুধু জাঙ্ক ফুড বা ভাজাপোড়া খেলেই ওজন বাড়ে, কিন্তু প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহৃত তেলও এই সমস্যার একটি বড় কারণ হতে পারে। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে যে কিছু রান্নার তেল নিয়মিত খেলে ভুঁড়ি বাড়ে। এই তেলগুলি শুধু ওজনই বাড়ায় না, সঙ্গে হজমশক্তির সমস্যাও তৈরি করে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/07/cooking-oils-3-2025-12-07-23-57-44.jpg)
রান্নার তেলে ফ্যাটি অ্যাসিড
রান্নার তেলে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যালরি ডেনসিটি এবং প্রসেসিং পদ্ধতি শরীরের হরমোন, মেটাবোলিজম এবং ফ্যাট স্টোরেজে বড় প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, সয়াবিন অয়েল যা অনেক বাড়িতে প্রতিদিন ব্যবহার হয়, এতে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট (polyunsaturated fat) এতটাই বেশি থাকে যে গবেষণায় দেখা গেছে এই তেল নিয়মিত খেলে অন্য তেলের তুলনায় বেশি ফ্যাট জমে। ক্যালরি একই থাকলেও সয়াবিন তেল (soybean oil) শরীরে ফ্যাট অ্যাকিউমুলেশন বাড়াতে পারে। যেহেতু আমাদের দেশে প্রচুর মানুষ সয়াবিন তেল ব্যবহার করেন, তাই এই ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/07/cooking-oils-4-2025-12-07-23-58-23.jpg)
মাখন এবং মার্জারিন
এর পাশাপাশি আছে মাখন (Butter) এবং মার্জারিন (Margarine)। এগুলি সলিড ফ্যাট (solid fat) এবং এদের স্যাচুরেটেড ফ্যাট (saturated fat) ও ট্রান্স ফ্যাট (trans fat)-এর মাত্রা থাকে তুলনামূলকভাবে বেশি। দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের ফ্যাট খেলে রক্তে এলডিএল (LDL) বেড়ে যায়, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে এবং পরোক্ষভাবে ওজন ও মেদ বাড়তে থাকে। যাঁরা নিয়মিত ভাত-রুটি বা টিফিনের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে মাখন বা মার্জারিন খান, তাঁদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ক্যালরি দ্রুত ফ্যাট হিসেবে জমতে পারে। অতিরিক্ত সলিড ফ্যাট (solid fat) শরীরের ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্সও বাড়াতে পারে, যা শেষে ওবেসিটির (Obesity)–র ঝুঁকি আরও বাড়ায়।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/08/cooking-oils-5-2025-12-08-00-03-01.jpg)
পাম অয়েল
পাম অয়েল (Palm Oil)ও অনেক রান্নায় ব্যবহৃত হয় এবং অনেক খাবারের প্যাকেজিংয়ে এটি প্রধান উপাদান। এটি পামিটিক অ্যাসিড (palmitic acid) সমৃদ্ধ, যা স্যাচুরেটেড ফ্যাট (saturated fat)। এ ধরনের তেল দীর্ঘমেয়াদে রক্তচাপ, কোলেস্টেরল (cholesterol) এবং ওজন—সবকিছুর ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। নিয়মিত পাম অয়েলযুক্ত ফাস্টফুড খাওয়া বা বাড়িতে বারবার এই তেল ব্যবহার করাও শরীরের ফ্যাট স্টোরেজ বাড়াতে পারে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/08/cooking-oils-6-2025-12-08-00-04-14.jpg)
হেলদি অয়েল
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—হেলদি অয়েল (Healthy Oil) হলেও অতিরিক্ত ব্যবহার করলে সমস্যা হবেই। কারণ তেলে ক্যালরি খুব বেশি। এক টেবিল চামচ তেলে গড়ে প্রায় ১২০ ক্যালরি থাকে। তাই অলিভ ওয়েল (olive oil) বা সরষের তেল (mustard oil)-এর মতো তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর তেল খুব বেশি ব্যবহার করলেও অতিরিক্ত ক্যালরি শরীরে যায় এবং ওজন ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। অনেক সময় বাড়িতে রান্না করা খাবারও মোটা হওয়ার কারণ হতে পারে, যদি অপ্রয়োজনে তেল দিয়ে রান্না করা হয়।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/08/cooking-oils-7-2025-12-08-00-04-47.jpg)
রিফাইন্ড অয়েল
রিফাইন্ড অয়েল (Refined Oil)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। অতিরিক্ত প্রসেসিংয়ের ফলে এদের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায় এবং তেলের কাঠামো বদলে গিয়ে শরীরে ইনফ্ল্যামেটরি এফেক্ট (inflammatory effect) তৈরি করে। নিয়মিত রিফাইন্ড অয়েল (refined oil)–এ রান্না খেলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে, যা ওজন বাড়াতে সহায়ক হয়ে ওঠে। হোল ফুড-বেসড ফ্যাট (Whole food–based fat) যেমন বাদাম, বীজ, মাছ, কোল্ড-প্রেসড অয়েল (cold-pressed oil) শরীরে ভালো ফ্যাট দেয়, কিন্তু শুধুমাত্র রিফাইন্ড অয়েল (refined oil)–ভিত্তিক খাবারগুলিতে এই ভারসাম্য থাকে না।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/01/14/IXn7V5ODpLGJuvjxJd6W.jpg)
বারবার তেল গরম
সবচেয়ে ক্ষতিকর হল বারবার তেল গরম করা বা রিহিটিং অয়েল (Reheating Oil)। একবার ব্যবহার করা তেল পুনরায় গরম করলে তাতে হার্মফুল কমপাউন্ডস (harmful compounds) তৈরি হয়। এই যৌগগুলো শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস (oxidative stress) বাড়ায়, যা মেটাবলিজম ধীর করে দেয় এবং শরীর সহজে ফ্যাট বার্ন করতে পারে না। ফলে ডিপ ফ্রাইং (Deep Frying) করে বানানো খাবার নিয়মিত খেলে ওজন বাড়া খুবই স্বাভাবিক।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us