Cucumbers Facewash: কিনবেন কেন, এই সবজি দিয়েই বানান দুর্দান্ত ফেসওয়াশ, মুখ করবে ঝলমল!

Cucumber Facewash: দোকানে না ছুটে ঘরের এই সব জিনিস দিয়েই বানিয়ে ফেলুন দু্র্দান্ত ফেসওয়াশ। ত্বক ঠান্ডা রাখবে। ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখবে। ত্বক থাকবে সতেজ।

Cucumber Facewash: দোকানে না ছুটে ঘরের এই সব জিনিস দিয়েই বানিয়ে ফেলুন দু্র্দান্ত ফেসওয়াশ। ত্বক ঠান্ডা রাখবে। ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখবে। ত্বক থাকবে সতেজ।

author-image
Chinmoy Bhattacharjee
New Update
Cucumber Facewash: ঘরোয়া জিনিসেই ত্বক করবে ঝলমলে।

Cucumber Facewash: ঘরোয়া জিনিসেই ত্বক করবে ঝলমলে।

Cucumbers Facewash: ত্বককে পরিষ্কার, সতেজ এবং উজ্জ্বল রাখতে আমরা অনেকেই বিভিন্ন দামী ফেসওয়াশ ব্যবহার করি। কিন্তু সবসময় দামি পণ্যই ত্বকের জন্য ভালো হবে—এমন ধারণা ঠিক না। প্রকৃতি আমাদের এমন কিছু উপাদান দিয়েছে যা দৈনন্দিন ত্বকের যত্নে চমৎকার কাজ করে। তেমনই একটি উপাদান হল শসা। এতে রয়েছে প্রচুর জলীয় উপাদান, শীতলতা, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রাকৃতিক আর্দ্রতা। যা ত্বককে সবল ও উজ্জ্বল রাখতে দারুণভাবে সাহায্য করে।

Advertisment

দামি ফেসওয়াশ না কিনে ঘরেই যদি একটু সময় নিয়ে শসার ফেসওয়াশ তৈরি করেন, তাহলে তা শুধু ত্বকের জন্যই ভালো নয়—বরং সম্পূর্ণ রাসায়নিকমুক্ত এবং নিরাপদও হবে। তাই ঘরোয়া উপায় পছন্দ করেন এমন যে কেউ সহজে এটি তৈরি করতে পারবেন। শসায় রয়েছে ৯৫ শতাংশের বেশি জলীয় উপাদান। এই জলীয় অংশ ত্বককে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা করে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের লালচে ভাব, জ্বালা বা প্রদাহ কমায়। 

আরও পড়ুন- সাদা পোশাকে লেগে যাওয়া রং নিয়ে চিন্তায়? দূর করুন এই সহজ ঘরোয়া কায়দায়

Advertisment

শসায় প্রাকৃতিক ভিটামিন সি, সিলিকা ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এগুলো— ত্বকে ময়েশ্চার ধরে রাখে, অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে, ছিদ্র ছোট করতে সাহায্য করে, ত্বককে সতেজ অনুভূতি দেয়, রোদে পোড়া ভাব কমায়। তাই শসার ফেসওয়াশ প্রতিদিন ব্যবহার করলে ত্বক থাকবে মোলায়েম, ঠান্ডা, পরিষ্কার এবং প্রাণবন্ত।

আরও পড়ুন- এই গির্জা তৈরি হয়েছে ৪০ হাজার মানুষের হাড় দিয়ে! ভয়ংকর এই গির্জার রহস্য জানলে আঁতকে উঠবেন

কী লাগবে?

এজন্য লাগবে ১টি শশা, ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল, ১ চা চামচ মধু। এই তিনটি উপাদানই ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক আর্দ্রতা ও সুরক্ষা প্রদান করে। অ্যালোভেরা ত্বককে ঠান্ডা করে, আর মধু ত্বককে অণুজীব–মুক্ত ও নরম রাখে।

আরও পড়ুন- পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান ৯টি প্রাণী, যাদের বুদ্ধি মানুষকেও অবাক করে

কীভাবে এই ফেসওয়াশ বানাবেন?

প্রথমে শসা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করুন। মিক্সারে ভালো করে পিষে নিন। এবার একটি পাতলা কাপড় বা ছাঁকনি দিয়ে শশার রস আলাদা করুন। খেয়াল রাখবেন শসার কোনও অংশ যেন রসে না লেগে যায়। শসার রস একটি পরিষ্কার পাত্রে নিন। এর সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল এবং মধু মিশিয়ে দিন। সব জিনিসগুলো ভালোভাবে মেশান। যাতে সবটাই তরল হয়ে যায়। সেটা বানাতে পারলেই আপনার শসার ফেসওয়াশ তৈরি হয়ে গেল।

আরও পড়ুন- ঠিক রাখুন বুকের ধুকপুকুনি! সাহায্য করে এই ৬ খাবার

এই ফেসওয়াশ প্রতিদিন সকালে ও রাতে ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। হাত পরিষ্কার করে নিন। এক চামচ পরিমাণ মিশ্রণ তুলে মুখে লাগান। মুখ ও ঘাড়ে ২০–৩০ সেকেন্ড আলতো করে ওই ফেসওয়াশ ম্যাসাজ করুন। এরপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার থাকবে, ত্বকের ছিদ্র ছোট হবে, ত্বকে অতিরিক্ত তেল কমবে, মুখে সতেজতা বাড়বে, মুখের শুষ্কতা দূর হবে। 

যেহেতু এতে কোনও প্রিজারভেটিভ নেই, তাই ফ্রিজে রেখে ২–৩ দিন ব্যবহার করতে পারবেন। চেষ্টা করবেন অল্প করে বানাতে, যাতে দ্রুত ব্যবহার করা যায়। যদি ত্বকে অ্যালার্জি, ফুসকুড়ি, একজিমা বা সংবেদনশীলতা থাকে, তাহলে নতুন কিছু ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট জায়গায় এই ফেসওয়াশ লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিন। সমস্যা বেশি থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

ডিসক্লেইমার

এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র তথ্যদানের উদ্দেশ্যে দেওয়া। এটি কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ নয়। তাই ত্বক–সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

cucumbers Facewash