/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/27/frequent-urination-2025-11-27-11-47-08.jpg)
Frequent Urination: ঘনঘন প্রস্রাবের সমস্যা দূর করার সহজ উপায় রয়েছে হাতের কাছেই।
Frequent Urination: সারা দিন যথেষ্ট পরিমাণে জল পান করার পরও যদি আপনার বারবার বাথরুমে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে বিষয়টি মোটেই সাধারণ নয়। অনেকেই মনে করেন বেশি জল পান করলেই শরীর ভালোভাবে আর্দ্র থাকে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, সাধারণ জল অনেক সময় শরীরের ভেতরে বেশিক্ষণ থাকে না। পানি খুব দ্রুত বেরিয়ে যায়, ফলে কোষীয় পর্যায়ে শরীর আর্দ্র হতে পারে না। এর ফলে ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যা বাড়তে থাকে এবং দিনের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয়।
একজন পুষ্টিবিদের মতে, সাধারণ জল সরাসরি পাকস্থলিতে পৌঁছে শরীরের ভেতরে দ্রুত প্রবাহিত হয়। তাই অনেকেই জল পান করার কিছুক্ষণ পরই প্রস্রাবের চাপ অনুভব করেন। এর ফলে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা শরীর ধরে রাখতে পারে না। কিন্তু একই জল যদি কিছু ভেষজ বা প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে মেশানো হয়, তবে কোষে জল দীর্ঘক্ষণ থাকে এবং শরীর গভীরভাবে আর্দ্র থেকে যায়। এর ফলে বাথরুমে কম যেতে হয়।
আরও পড়ুন- লেপ বা কম্বল থেকে দুর্গন্ধ দূর করবেন কীভাবে? ঘরোয়া উপায়েই মিলবে সমাধান
পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন
পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, সাধারণ জলের সঙ্গে কয়েকটি পুদিনা পাতা বা লেবুর স্লাইস যোগ করলে শরীরে প্রাকৃতিক লবণ ও খনিজের প্রবেশ ঘটে। এই সব উপাদান জলকে বন্ধনে সাহায্য করে এবং শরীর দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে পারে। ফলে জলের প্রবাহ ধীর হয় এবং কোষীয় পর্যায়ে আর্দ্রতা বৃদ্ধি পায়। এতে ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রবণতা কমে যায়। এমনকি শরীরের শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে, ক্লান্তি কমায় এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
আরও পড়ুন- 'পাবনার সন্তান', বাপ্পি লাহিড়ী কীভাবে হয়ে উঠলেন বলিউডের ডিস্কো কিং?
শুধু পুদিনা বা লেবুই নয়, শসার টুকরো, তুলসী পাতা, আদা বা মৌরি দিয়েও চমৎকার ডিটক্স জল তৈরি করা যায়। এগুলো শরীরকে শুধু আর্দ্রই করে না বরং হজম শক্তি বাড়ায়, পেটের অস্বস্তি কমায় এবং পেট ফাঁপা দূর করে। ধীরে ধীরে জলে মিশে যাওয়া পুষ্টি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে আরও স্থায়ীভাবে তরল শোষণ করতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন- জাগ্রত মন্দির, পূরণ হয় মনস্কামনা, ভক্তদের ভরসা মধ্যমগ্রাম কালীবাড়ি
বিশেষজ্ঞদের মতে, নারকেল জলও এব্যাপারে অত্যন্ত কার্যকর। এতে থাকা প্রাকৃতিক লবণ শরীরকে গভীরভাবে আর্দ্র রাখে। পাশাপাশি বার্লি জল শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং প্রস্রাবের জ্বালাভাব কমায়। মৌরি বা ক্যামোমাইলের মতো ভেষজ চা মূত্রাশয়ের উপর আরামদায়ক প্রভাব ফেলে এবং ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us