/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/03/hair-colour-2025-12-03-16-11-01.jpg)
Hair Colour: চুলের রং।
Hair Darkening Remedy: চুল প্রতিদিন মানুষের সৌন্দর্য ও আত্মবিশ্বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু, খুব অল্প বয়সেই চুল পেকে যাওয়া আজকাল অনেকের সাধারণ সমস্যা। মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব, দূষণ, হরমোনের পরিবর্তন, ভিটামিনের ঘাটতি—সব মিলিয়ে আমাদের চুল তার স্বাভাবিক রং হারাতে শুরু করে।
অনেকে তখন তাড়াহুড়ো করে রাসায়নিকযুক্ত চুলের রং ব্যবহার করতে শুরু করেন। কিন্তু এসব রং চুলের কিউটিকলের ক্ষতি করে, মাথার ত্বককে শুষ্ক করে তোলে এবং দীর্ঘমেয়াদে চুল পড়া বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই অনেকেই এখন রং ছাড়াই চুল কালো করার আয়ুর্বেদিক উপায় খুঁজছেন। আর সেই ঘরোয়া উপায়েই উঠে আসে সরিষা ও কারি পাতার কথা, যা কয়েক মিনিটের ব্যবহারে চুলকে দেয় স্বাভাবিক কালো রং এবং পুষ্টি।
আরও পড়ুন- ক্রিসমাস–নতুন বছরে রঙিন করে তুলুন ভ্রমণ, জেনে নিন কোনগুলো ভারতের সেরা তুষার-ঢাকা জায়গা
সরিষা আমাদের রান্নাঘরের পরিচিত একটি উপাদান, কিন্তু এর গুণাগুণ শুধু খাবারের স্বাদে নয়, চুলের যত্নেও অত্যন্ত কার্যকর। সরিষার দানা ভাজা হলে যে সুগন্ধ পাওয়া যায়, তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে অসাধারণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পুষ্টিগুণ। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের ওপরে জমে থাকা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে মেলানিন রক্ষায় সাহায্য করে। মেলানিনই চুলকে তার স্বাভাবিক রং দেয়। যখন শরীরে মেলানিন কমে যায়, তখন চুল পেকে যায়। তাই সরিষা মেলানিন ধরে রাখতে সহায়তা করে চুলের রং স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।
আরও পড়ুন- ছেলে বা মেয়ের তুখোড় বুদ্ধি চান? এগুলো করান, হাতেনাতে ফল পাবেন
কারি পাতার উপকারিতা বহুদিন ধরেই পরিচিত। দক্ষিণ ভারতীয় রান্নায় ব্যাপক ব্যবহার হলেও, সৌন্দর্যচর্চায় এই পাতার জনপ্রিয়তা আরও বেশি। কারিপাতার ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, আয়রন এবং ক্যালসিয়াম চুলের গোড়াকে শক্ত করে, চুল পড়া কমায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। চুল পেকে যাওয়ার মূল কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো রঙ উৎপাদনকারী কোষের দুর্বলতা। কারি পাতা এই কোষগুলোকে পুনর্জীবিত করে চুলকে কালো রাখতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন- পরিচয় সংকটে জেনারেশন জেড! কীভাবে পারবে বাঁচতে?
এই ঘরোয়া রেসিপিটি তৈরি করাও খুব সহজ। একটি মোটা পাত্রে সরিষা হালকা ভেজে নিতে হবে যাতে এর ভেতরের তেল বের হয়ে আসে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সক্রিয় হয়। এরপর এতে কারি পাতা যোগ করলে দুই উপাদানের গুণ একসঙ্গে মিশে যায়। মিক্সারে এই মিশ্রণ পিষে নেওয়ার পর সামান্য সরিষার তেল বা নারকেল তেল মিশিয়ে ঘন একটি পেস্ট তৈরি হয়। এই পেস্ট সরাসরি পাকা চুলে লাগালে অল্প সময়ের মধ্যেই কাজ করতে শুরু করে। সপ্তাহে একবার বা দু'বার ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে চুলের রং আরও গাঢ় হয়ে আসে এবং নতুন চুল কালো করতে সহায়তা করে।
আরও পড়ুন- পায়ের তলায় পেঁয়াজ রেখে ঘুমোলে ভাবতেও পারবেন না এত উপকার! কী বলছেন বিশেষজ্ঞ?
সরিষার তেলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান
সরিষার তেলে থাকা ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আর ভিটামিন ই মাথার ত্বককে গভীরভাবে পুষ্ট করে। শুষ্কতা কমিয়ে চুলের গোড়ায় রক্তসঞ্চালন বাড়ায়, ফলে চুলের গ্রোথ উন্নত হয়। পাশাপাশি সরিষা ও কারি পাতার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য খুশকি, ফাঙ্গাল সংক্রমণ এবং স্ক্যাল্প ইনফেকশন কমাতে সহায়তা করে। মাথার ত্বক পরিষ্কার, শক্ত ও পুষ্ট থাকলে চুল কম পাকে এবং নতুন চুলও কালো হতে থাকে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us