Healthy Christmas Cake Recipe: ডিমছাড়া গাজরের কেক বানান ঘরেই, স্বাস্থ্য আর স্বাদে জমবে ক্রিসমাস!

Healthy Christmas Cake Recipe: ক্রিসমাসে কেক মানেই আনন্দ। ডিমছাড়া, হেলদি গাজরের কেক বানানোর সহজ রেসিপি ও বেকিং টিপস জেনে নিন। এটা হবে স্পঞ্জি এবং পারফেক্ট।

Healthy Christmas Cake Recipe: ক্রিসমাসে কেক মানেই আনন্দ। ডিমছাড়া, হেলদি গাজরের কেক বানানোর সহজ রেসিপি ও বেকিং টিপস জেনে নিন। এটা হবে স্পঞ্জি এবং পারফেক্ট।

author-image
Chinmoy Bhattacharjee
New Update
Healthy Christmas Cake Recipe: কীভাবে বানাবেন এগলেস কেক? দেখে নিন এই প্রতিবেদনে।

Healthy Christmas Cake Recipe: কীভাবে বানাবেন এগলেস কেক? দেখে নিন এই প্রতিবেদনে।

Healthy Christmas Cake Recipe: ক্রিসমাস এলেই ঘরে ঘরে কেক বানানোর তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়। অনেকেই মনে করেন, ভালো কেক মানেই ডিম থাকা জরুরি। কিন্তু বাস্তবে ডিম ছাড়াও এমন কেক বানানো সম্ভব, যা একদিকে যেমন স্পঞ্জি ও সুস্বাদু, অন্যদিকে তেমনই স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু। বিশেষ করে যাঁরা ডিম খান না বা একটু হালকা ও পুষ্টিকর মিষ্টি পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য ডিমছাড়া গাজরের কেক একটি আদর্শ বিকল্প।

Advertisment

গাজর এমন একটি সবজি, যা স্বাভাবিকভাবেই মিষ্টি এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর। এতে থাকা ফাইবার, ভিটামিন ও স্বাভাবিক মিষ্টত্ব কেকের স্বাদ ও টেক্সচার দুটোই বাড়িয়ে তোলে। গাজরের কেক শুধু যে সুস্বাদু তাই নয়, বরং তুলনামূলকভাবে এটি অন্যান্য কেকের থেকে হালকা বলেও মনে করা হয়। তাই ক্রিসমাসের মত উৎসবের দিনে একটু স্বাস্থ্যকর কিছু বানাতে চাইলে এই কেক নিঃসন্দেহে সেরা পছন্দ।

এই ডিমছাড়া গাজরের কেক বানাতে জটিল কোনও উপকরণ লাগে না। প্রায় সব উপকরণই সাধারণ রান্নাঘরে সহজে পাওয়া যায়। টক দই এখানে ডিমের বিকল্প হিসেবে কাজ করে, যা কেককে নরম ও মোলায়েম রাখতে সাহায্য করে। তেলের সঙ্গে দই ও চিনি ভালোভাবে ফেটানোর ফলে ব্যাটারের মধ্যে বাতাস ঢুকে যায়, যা কেক ফোলাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

আরও পড়ুন- বড়দিন উপলক্ষে ক্রিসমাস ট্রি কিনছেন? সাবধান, হয়ে পড়তে পারেন অসুস্থ!

কেকের ব্যাটার তৈরি করার সময় একটি বিষয় বিশেষভাবে মাথায় রাখা জরুরি, তা হল উপকরণগুলির তাপমাত্রা। ফ্রিজ থেকে সরাসরি নেওয়া দই বা দুধ ব্যবহার করলে কেক ঠিকভাবে ফুলতে চায় না। তাই সব উপকরণ রান্না শুরু করার কিছুক্ষণ আগে বাইরে রেখে রুম টেম্পারেচারে আনা ভালো। এতে ব্যাটার মসৃণ হয় এবং বেকিংয়ের সময় কেক সমান আকারে তৈরি হয়।

আরও পড়ুন- খালি পেটে উষ্ণ জলের সঙ্গে পান করুন ঘি, মিলবে অলৌকিক উপকার!

গাজর কাটার ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি। খুব মোটা করে কাটা গাজর কেকের ভেতরে শক্ত লাগতে পারে। তাই সবসময় মিহি করে কাটা গাজর ব্যবহার করাই ভালো। যদি গাজরে অতিরিক্ত জল থাকে, তবে হালকা হাতে চিপে জল বের করে নেওয়া উচিত। এতে ব্যাটার পাতলা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে এবং কেক বসে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে না।

আরও পড়ুন- রাতে বালিশের নীচে রাখুন তেজপাতা, পাবেন এই সব বিরাট উপকারিতা!

ময়দা মেশানোর সময় ব্যাটার বেশি ফেটানো যাবে না। অনেকেই মসৃণ করার জন্য বেশি সময় নাড়তে থাকেন, কিন্তু এতে কেক শক্ত হয়ে যায়। শুধু যতটা মেশালে সব উপকরণ একসঙ্গে মিশে যায়, ততটা নাড়াই যথেষ্ট। গাজর ও বাদাম মেশানোর সময় আলতোভাবে ফোল্ড করলে কেকের ভেতরের গঠন সুন্দর হয়।

আরও পড়ুন- ক্রিসমাস পার্টির পর এই ৪টি বিষয় মনে রাখলে বাড়ি ফিরবেন নিরাপদে

বেকিংয়ের আগে ওভেন বা কড়াই ভালোভাবে গরম করা খুবই জরুরি। প্রি-হিট না করলে কেক ঠিকভাবে ফুলবে না। ওভেনে সাধারণত মাঝারি তাপে বেক করলে কেক সমান হয়। গ্যাসে কড়াইতে বানানোর সময় ঢাকনা বারবার খোলা যাবে না, কারণ এতে ভেতরের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যায় এবং কেক ডেবে যেতে পারে।

তৈরি করার পরই কাটতে নেই

কেক হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে কেটে ফেললে অনেক সময় ভেঙে যায়। তাই কেক পুরোপুরি ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত। ঠান্ডা হলে কেক সেট হয়ে যায় এবং কাটলে সুন্দর স্লাইস পাওয়া যায়। চাইলে ওপরে হালকা ডাস্টিং সুগার বা বাদাম ছড়িয়ে পরিবেশন করা যেতে পারে। এই ডিমছাড়া গাজরের কেক শুধু ক্রিসমাসেই নয়, যে কোনও বিশেষ দিনে বানানো যায়। স্বাস্থ্যকর উপকরণ, সহজ পদ্ধতি আর দারুণ স্বাদের জন্য এটি শিশু থেকে বড় সবাই পছন্দ করবে। ঘরেই তৈরি এই কেক উৎসবের আনন্দকে আরও মিষ্টি করে তুলবে।

Christmas cake healthy recipe