Heart-Friendly Foods: ঠিক রাখুন বুকের ধুকপুকুনি! সাহায্য করে এই ৬ খাবার

Heart-Friendly Foods: হার্টবিটে অনিয়ম বা অ্যারিদমিয়া নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ৬টি খাবারের তালিকা দেখুন। কোন খাবারগুলি হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে, জানুন বিস্তারিত।

Heart-Friendly Foods: হার্টবিটে অনিয়ম বা অ্যারিদমিয়া নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ৬টি খাবারের তালিকা দেখুন। কোন খাবারগুলি হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে, জানুন বিস্তারিত।

author-image
Chinmoy Bhattacharjee
New Update
Heart-Friendly Foods: ঠিক রাখুন বুকের ধুকপুকুনি!

Heart-Friendly Foods: ঠিক রাখুন বুকের ধুকপুকুনি!

Heart-Friendly Foods: হার্টবিট অনিয়ম বা অ্যারিদমিয়া এমন এক অবস্থা যেখানে হৃদপিণ্ড কখনও খুব দ্রুত, কখনও খুব ধীরে বা একটি নির্দিষ্ট ছন্দের বাইরে ধড়ফড় করতে থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকর না হলেও, কখনও কখনও অবহেলা করলে এটি গুরুতর হৃদরোগের কারণ হতে পারে।

Advertisment

জীবনযাত্রার পাশাপাশি সঠিক খাবার খাওয়াও হার্টবিট নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। হার্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট খাবার এমন আছে যা হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সিগনালকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং প্রদাহ কমায়। আজ জেনে নিন এমনই ৬টি হৃদপিণ্ড-সহায়ক খাবারের নাম (heart-friendly foods), যা আপনার প্রতিদিনের প্লেটে থাকতেই পারে।

আরও পড়ুন- পরমাণু বোমা মারলেও এই ৭ আশ্চর্য প্রাণীর কিছু হবে না! কীর্তি শুনলে অবাক হয়ে যাবেন

Advertisment

Almonds – ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ বাদাম

বাদাম শুধু স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের উৎস নয়, এতে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম যা হৃদপেশির কাজকর্মকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি হলে পেশিতে টান ধরে, ক্র্যাম্প হতে পারে। অথবা হার্টবিটে অনিয়ম দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন ৫–৭টি আমন্ড বাদাম হার্টের ছন্দ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। এতে থাকা ভিটামিন ই (E) হৃদযন্ত্রকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে।

আরও পড়ুন- ট্যাংরার চিনে-কালীর অদ্ভুত ইতিহাস, জাগ্রত দেবীর প্রতি অগাধ বিশ্বাস ভক্তদের

Bananas – পটাশিয়ামে ভরপুর কলা

হার্টরিদম নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজগুলোর একটি হলো পটাশিয়াম। কলা হচ্ছে পটাশিয়ামের সেরা প্রাকৃতিক উৎস। কলা ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালান্স ঠিক রাখে। সোডিয়াম-পটাশিয়াম অনুপাত ঠিক থাকলে হার্টবিট স্থির থাকে। পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে হার্ট অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর থাকে।

আরও পড়ুন- সন্ধ্যায় বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে চিজ পকোড়া, পরিবারের লোকজনের মুখে লেগে থাকবে!

Dark Chocolate (ডার্ক চকলেট)– অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ

যাঁরা চকোলেট পছন্দ করেন তাঁরা জেনে খুশি হবেন যে, ডার্ক চকলেট হার্টের জন্য বেশ উপকারী। এতে আছে ফ্লাভোনয়েড, যা রক্তনালীকে শিথিল করে। ডার্ক চকলেট রক্তচাপ কমায়। এটা প্রদাহ কমিয়ে হার্টবিট অনিয়মের ঝুঁকি কমায়। তবে দিনে ১–২ স্কোয়ার এর বেশি খাওয়া ঠিক নয়।

আরও পড়ুন- ভারতের এই ৫টি স্থাপত্যের বয়স ৫০০ বছরেরও বেশি, গিয়েছেন কখনও?

Oats – কোলেস্টেরল কমানো ওটস

ওটস হলো হৃদস্বাস্থ্যের সুপারফুড। এতে থাকা বিটা-গ্লুকান শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমাতে সাহায্য করে। ওটস রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। হার্টের ছন্দ স্থির রাখতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও ওটস উপকারি। ব্রেকফাস্টে বা প্রাতঃরাশে দুধ অথবা দইয়ের সঙ্গে ওটস খাওয়া খুবই উপকারী।

Salmon – ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ সালমন মাছ

সালমন, ম্যাকারেল, সার্ডিনের মতো ফ্যাটি মাছগুলোতে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা হার্টবিট নিয়ন্ত্রণে অসাধারণ ভূমিকা রাখে, প্রদাহ কমায়। এই অ্যাসিড ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে। হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে স্থিতিশীল করে। সপ্তাহে ২–৩ বার ফ্যাটি ফিশ খাওয়া বিশেষভাবে উপকারী।    

Spinach – ম্যাগনেশিয়াম ঘাটতি পূরণ করে সবুজ শাক

স্পিনাচ, কালে, সুইস চার্ড—এই সবুজ শাকগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম থাকে। ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি অ্যারিদমিয়ার একটি প্রধান কারণ। ম্যাগনেশিয়াম শরীরের মাংসপেশি, বিশেষ করে হৃদপেশি, ঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। এটি শরীরের ডিটক্স প্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় একবাটি সবুজ শাক রাখলেই পরিবর্তনটা বুঝতে পারবেন।

হার্ট সুস্থ রাখতে কিছু অতিরিক্ত টিপস 

প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটুন, অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন, ক্যাফেইন কমান, তেল-চর্বিযুক্ত খাবার কমান, স্ট্রেস কমাতে মেডিটেশন করুন। সঠিক খাবার, সঠিক অভ্যাস এবং নিয়মিত চেকআপ—এই তিনটি মিলেই হার্টকে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখা সম্ভব।

foods heart