/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/15/high-blood-pressure-care-2025-12-15-19-06-17.jpg)
High Blood Pressure Care: হাই ব্লাড প্রেশার থাকলে এই ৫ নিয়ম মেনে চলুন।
High Blood Pressure Care: আমাদের দেশে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন হাই ব্লাড প্রেশারের রোগী। তাই বলে জীবন থেমে থাকে না। শীতকাল মানেই বাঙালিকে ঘোরাঘুরি টানে। এই পরিস্থিতিতে যাঁদের প্রেশার বেশি এবং শীতকালে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যাচ্ছেন, তাঁদের প্রতি বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক ডা. নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেছেন, 'যদি কখনও কোনও অবস্থায় ব্লাড প্রেশার ১৫০-এর বেশি বেড়ে যায়, তাহলে যে কোনও ব্র্যান্ডের একটা ৫ মিলিগ্রামের অ্যামলোডিপিন খেতে পারেন। কিডনির ওপর এর কোনও ক্ষতিকারক প্রভাব পড়ে না। অ্যামলোডিপিনের কারণে শুধু একটু পা ফুলতে পারে মাত্র। ফিরে ডাক্তারকে দেখালে সেই সমস্যাও মিটে যাবে। সেই কারণে, যাঁরা ব্লাড প্রেশারে ভোগেন তাঁরা বেড়াতে গেলে অতিরিক্ত অ্যামলোডিপিন ট্যাবলেট সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন। আর, যাঁরা প্রেশারের রোগী নন কিন্তু বংশে প্রেশার আছে, তাঁরাও শরীরে অস্বস্তি বোধ করলে অন্য কোনও প্রেশারের ওষুধ না খেয়ে নির্দ্ধিধায় অ্যামলোডিপিন খেতে পারেন। রোগীর হৃদযন্ত্র, কিডনি বা অন্য কোনও সমস্যা থাকলে অ্যামলোডিপিন খাওয়াই বেশি নিরাপদ।'
আরও পড়ুন- সকালে ঘুম থেকে উঠলেই কেন আসে মলত্যাগের চাপ, কেনই বা শীতকালে বাড়ে কোষ্ঠকাঠিন্য?
ব্লাড প্রেশারের রোগীদের সুস্থ থাকার জন্য পাঁচটি বিষয় মাথায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, 'বছরে একবার কিডনির কার্যকারিতা এবং ইলেকট্রোলাইট পরীক্ষা করাবেন। যদি কিডনি পরীক্ষার ফলাফল বিভিন্নরকম আসে, তবে বছরে তিনবার পরীক্ষা করানো উচিত। গরমে অবশ্যই সোডিয়াম, পটাশিয়ামের লেভেলটা পরীক্ষা করে নেবেন।' একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, 'ব্লাড প্রেশারের জন্য চোখ নষ্ট হয়ে যায়। সেই জন্য বছরে একবার চোখের পরীক্ষা করাবেন। তবে চোখ ভালো থাকলে, প্রেশার ভালো থাকলে পাঁচ বছরে একবার পরীক্ষা করালেও হবে। প্রেশার অনিয়ন্ত্রিত থাকলে বছরে একবার চোখের পরীক্ষা করাতেই হবে। নিজের একটা চোখ ঢেকে আরেকটা চোখ দিয়ে দেখুন কোনও চোখে বেশি বা কম দেখছেন কি না।'
আরও পড়ুন- কোন টুথব্রাশ দাঁতের জন্য উপকারী, ইলেকট্রিক নাকি ম্যানুয়াল? জেনে নিন কী বলছেন দাঁতের ডাক্তার
এল ভিএইচ কী?
এর পাশাপাশি, প্রেশারের রোগীদের ইসিজি করানোর পরামর্শও দিয়েছেন ডা. বন্দ্যোপাধ্যায়। কতটা লেফট ভেন্ট্রিকুলার হাইপারট্রফি (LVH) বা হৃৎপিণ্ডের ভেন্ট্রিকল অর্থাৎ নীচের ঘরের পেশী প্রাচীর ঘন বা পুরু হয়ে যাচ্ছে কি না, অর্থাৎ হৃদপিণ্ডের রক্ত পাম্প করতে অসুবিধা হচ্ছে কি না, তা সবচেয়ে ভালো বোঝা যায় ইকোস্ক্রিন থেকে। যাঁদের প্রেশার অনেকসময় বেশি হয়ে যায় এবং বয়স ৬০-এর ওপর তাঁদের বছরে অন্তত একবার ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ECG) এবং ইকোকার্ডিওগ্রাফি (ECHO) করা দরকার।
আরও পড়ুন- কোন টুথপেস্ট দাঁতের জন্য ভালো? আপনার সঠিক টুথপেস্ট কোনটি, জানুন এখানে
জ্বরের সময় প্রেশারের রোগীরা যাতে অবশ্যই ডাক্তার দেখিয়ে প্রেশার অ্যাডজাস্ট করেন, সেই পরামর্শও দিয়েছেন চিকিৎসক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, জ্বর হলে ব্লাড প্রেশার কমে যায়। সেই সময় ব্লাড প্রেশারের ওষুধের চাহিদা কমে যায়। এর পাশাপাশি শীতকালে ব্লাড প্রেশার পরীক্ষারও পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন- সর্দি সাইনাসের জের নাকি অ্যালার্জির, দুইয়ের সম্পর্কটাই বা কী?
আর, প্রেশার যদি ঘনঘন বাড়ে বা কমে, তাহলে দেরি না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে রক্তচাপের এই বাড়া কমার পিছনে কোন কারণ রয়েছে, তা দ্রুত জানা জরুরি। আর, সেই কারণ দূর করাও জরুরি বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us