/indian-express-bangla/media/media_files/2026/03/04/migrane-2026-03-04-09-12-00.jpg)
Migraine prevention tips: এই ছবিটি AI প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি।
মাইগ্রেন কেবল সাধারণ মাথাব্যথা নয়, এটি একটি স্নায়বিক সমস্যা যা মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে স্থবির করে দিতে পারে। দীর্ঘক্ষণ ধরে মাথার একপাশে তীব্র যন্ত্রণা, বমি বমি ভাব এবং আলো বা শব্দের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা এর প্রধান লক্ষণ। চিকিৎসকদের মতে, সম্পূর্ণ নিরাময় কঠিন হলেও কিছু নিয়ম মেনে চললে মাইগ্রেনের আক্রমণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
১. নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়া ও পর্যাপ্ত জল
খালি পেটে থাকলে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়তে পারে। রক্তে শর্করার মাত্রা কমে গেলে মাথাব্যথা শুরু হয়। তাই নির্দিষ্ট ব্যবধানে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। পাশাপাশি দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল পান করুন, কারণ ডিহাইড্রেশন বা জলশূন্যতা মাইগ্রেনের অন্যতম প্রধান কারণ।
২. ঘুমের রুটিন ঠিক রাখা
অনিদ্রা বা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঘুম, উভয়ই মাইগ্রেনের ট্রিগার হিসেবে কাজ করতে পারে। প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন। চেষ্টা করুন প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর এবং ঘুম থেকে ওঠার।
৩. ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে বিরতি
স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা টিভির স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো চোখের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, যা মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়িয়ে দেয়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে চোখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিন এবং ২০-২০-২০ নিয়ম মেনে চলুন (প্রতি ২০ মিনিট অন্তর ২০ ফুট দূরের কোনো জিনিসের দিকে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকা)।
আরও পড়ুন- জিমে যাওয়ার সময় নেই? ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেবল খাওয়ার পর ১০ মিনিট এই কাজটি করুন!
৪. নির্দিষ্ট কিছু খাবার এড়িয়ে চলা
অতিরিক্ত ক্যাফেইন (চা-কফি), চকোলেট, পনির এবং এমএসজি (টেস্টিং সল্ট) যুক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার অনেকের ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের কারণ হয়। এছাড়া কড়া রোদ বা তীব্র সুগন্ধি থেকেও দূরে থাকার চেষ্টা করুন।
৫. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও যোগব্যায়াম
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা মাইগ্রেনের ব্যথাকে আমন্ত্রণ জানায়। চাপমুক্ত থাকতে প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিট প্রাণায়াম বা হালকা ব্যায়াম করুন। নিয়মিত যোগব্যায়াম মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং স্নায়ুকে শান্ত করে।
আরও পড়ুন- এক নয়, একসঙ্গে ৫ প্রেমিকা! বিদেশের মাটিতে প্রেমিকের ফোনে মেসেজ দেখেই পায়ের তলা থেকে মাটি সরল শানায়ার
বিশেষ টিপস: মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হলে একটি অন্ধকার ও শান্ত ঘরে বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করুন। কপালে বা ঘাড়ের পেছনের অংশে ঠান্ডা জল বা বরফের সেঁক দিলে সাময়িক আরাম মিলতে পারে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us