Lip Lightening: দূর করুন ঠোঁটের কালো দাগ, কাজে লাগান এই ঘরোয়া উপায়!

Lip Lightening: ঠোঁটের কালো দাগ দূর করতে ঘরোয়া উপায় যেমন শসার রস, গোলাপ জল, কফি–মধু, নারকেল তেল, চিনি- এগুলো অত্যন্ত কাজের। এসব জিনিস কাজে লাগান।

Lip Lightening: ঠোঁটের কালো দাগ দূর করতে ঘরোয়া উপায় যেমন শসার রস, গোলাপ জল, কফি–মধু, নারকেল তেল, চিনি- এগুলো অত্যন্ত কাজের। এসব জিনিস কাজে লাগান।

author-image
Chinmoy Bhattacharjee
New Update
Lip Lightening: ঠোঁট রাঙিয়ে নিন এভাবে।

Lip Lightening: ঠোঁট রাঙিয়ে নিন এভাবে।

Lip Lightening: ঠোঁট আমাদের মুখের সৌন্দর্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু শীতের রুক্ষতা, অতিরিক্ত রোদ, ধূমপান, জলাভাব বা ভুল লিপ প্রোডাক্ট ব্যবহারের কারণে অনেকেরই ঠোঁট কালচে হয়ে যায়। এতে শুধু সৌন্দর্যই নষ্ট হয় না, আত্মবিশ্বাসও কমে যায়। অনেকেই ভাবেন ঠোঁটের কালো দাগ কমাতে দামী ট্রিটমেন্ট বা রাসায়নিক প্রোডাক্টই একমাত্র উপায়। কিন্তু বাস্তবে ঘরেই এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা নিয়মিত ব্যবহার করলে ঠোঁটের স্বাভাবিক রং ফিরে আসে। এই ঘরোয়া উপাদানগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ, সস্তা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। তাই এখন অনেকেই ঠোঁট রাঙানো (Lip Lightening) বা ঠোঁট উজ্জ্বল করার ঘরোয়া পদ্ধতিই বেছে নিচ্ছেন।

Advertisment

চরম শীতে কালো দাগ বেশি দেখা যায়

ঠোঁটের কালো দাগ সাধারণত চরম শীতের সময় বেশি দেখা দেয়। ঠান্ডা হাওয়ার কারণে ঠোঁট জলশূন্য হয়ে ফাটতে থাকে এবং ধীরে ধীরে তাতে কালচে ভাব জমে। এছাড়াও অতিরিক্ত ক্যাফেইন, নিকোটিন, রোদে থাকা বা ঘনঘন লিপস্টিক ব্যবহার করলেও ঠোঁটের স্বাভাবিক আভা নষ্ট হয়ে যায়। তাই ঠোঁটকে সুস্থ রাখতে চাই নিয়মিত ময়েশ্চারাইজিং, হালকা এক্সফোলিয়েশন এবং প্রাকৃতিক পুষ্টি। অনেকেই বিদেশি ব্র্যান্ডের লিপ বাম বা লিপ মাস্ক ব্যবহারের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেন। কিন্তু, ঘরে তৈরি লিপ কেয়ারে কোনও কেমিক্যাল ঝুঁকি নেই। বরং শসা, গোলাপ জল, কফি পাউডার, মধু, দুধ বা নারকেল তেলের মতো উপাদান ঠোঁটের গভীরে কাজ করে পিগমেন্টেশন কমায়।

আরও পড়ুন- কমলালেবুর এই অংশটায় বিরাট উপকার, ফেলে দিয়ে বেশিরভাগ মানুষই বিরাট ভুল করেন!

Advertisment

প্রতিদিন শোবার আগে সামান্য শসার রস ও গোলাপ জল মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা হয় এবং নরম থাকে। এতে ঠোঁটের ওপর জমে থাকা দাগ ধীরে ধীরে হালকা হয়ে আসে। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ঠোঁটের কালচে দাগে ভুগছেন, তাঁদের জন্য এই মিশ্রণটি অত্যন্ত কার্যকর। শসার রস ঠোঁটকে হাইড্রেট করে এবং গোলাপ জল প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে কাজ করে। এর ফলে ঠোঁটের রঙ মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই টোনড দেখাতে শুরু করে।

আরও পড়ুন- মুম্বই কাঁপিয়ে দিয়েছিল ভয়াবহ সন্ত্রাস! ফিরে দেখা ২৬/১১

ঠোঁটকে পুনরুজ্জীবিত করতে কফি পাউডার এবং মধুর মিশ্রণও খুব ভালো কাজ করে। কফি খুব সূক্ষ্ম ভাবে মৃত চামড়া তুলে দেয় এবং ঠোঁটকে নরম করে। মধু ঠোঁটকে আর্দ্র রাখে এবং নতুন কোষ জন্মাতে সাহায্য করে। হালকা ম্যাসাজে রক্তসঞ্চালন বাড়ে, ফলে ঠোঁট দেখায় আরও উজ্জ্বল। ঠোঁটের ওপরের খসখসে ভাব অনেকাংশে কমে যায় এবং নিয়মিত ব্যবহারে অন্ধকার অংশ ধীরে ধীরে হালকা হয়। এটি এক ধরনের প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর যা ঠোঁটের কোনও ক্ষতি করে না।

আরও পড়ুন- শীতেও কি গ্রীষ্মের মত একটু বেশি রাতে ডিনার করেন? অজান্তেই ডাকছেন চরম বিপদ!

নারকেল তেল এবং মধুর সংমিশ্রণও ঠোঁটের শুষ্কতা সারানোর দুর্দান্ত একটি উপায়। নারকেল তেলে থাকে প্রাকৃতিক ফ্যাটি অ্যাসিড যা ঠোঁটকে গভীরভাবে ময়েশ্চারাইজ করে। শীতের দিনে ঠোঁট ফাটা, জ্বালা বা খসখসে ভাব কমাতে এটি বিশেষভাবে উপকারী। মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ঠোঁটকে রক্ষা করে এবং এর স্বাভাবিক রং ফিরিয়ে আনে। নিয়মিত ব্যবহার করলে ঠোঁট স্বাভাবিক গোলাপি আভা ফিরে পায়।

আরও পড়ুন- শীত পড়তেই আমলকি খাচ্ছেন, জানেন কীভাবে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন?

দুধের গুঁড়ো ও লেবুর রসের মিশ্রণ ঠোঁটের রং বৃদ্ধির অনেক পুরোনো একটি উপায়। দুধ ঠোঁটকে পুষ্টি দেয় এবং লেবুর রসের ভিটামিন সি মেলানিন কমাতে সাহায্য করে। রাতভর ঠোঁটে রেখে দিলে এই প্যাক ঠোঁট নরম রাখে এবং ধীরে ধীরে কালো দাগ হালকা হতে শুরু করে। তবে কারও ঠোঁট খুব সংবেদনশীল হলে লেবুর রস কম পরিমাণে ব্যবহার করা উচিত।

যারা চান ঠোঁটকে বাড়তি উজ্জ্বলতা দিতে, তাঁদের জন্য চিনি, মধু এবং জলপাই তেলের ঘরোয়া মিশ্রণ অসাধারণ। চিনি ঠোঁটের জমে থাকা মৃত কোষ তুলতে সাহায্য করে, আর তেল ঠোঁটকে নরম করে। নিয়মিত ব্যবহার করলে ঠোঁট ফাটে না এবং রঙ হালকা হয়। এটা দিয়ে ঘষে দেওয়ার পর অবশ্যই লিপ বাম ব্যবহার করা জরুরি—এতে ঠোঁট দীর্ঘক্ষণ আর্দ্র থাকে।

Lip Lightening