/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/27/facial-hair-removal-2025-11-27-17-41-39.jpg)
Facial Hair Removal: এই কায়দায় সহজেই মুখের লোম করুন অপসারণ।
Facial Hair Removal: মুখের লোম অনেকের কাছেই একটি বড় বিরক্তির কারণ। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে হরমোনের পরিবর্তন, বংশগত কারণ বা ত্বকের বিশেষ সমস্যা থেকে মুখে অনাকাঙ্ক্ষিত লোম দেখা দিতে পারে। এই লোম খুব দ্রুত নজরে পড়ে এবং আত্মবিশ্বাসেও প্রভাব ফেলে। সাধারণত ওয়্যাক্সিং বা শেভিং হচ্ছে মুখের লোম কমানোর সবচেয়ে প্রচলিত উপায়। কিন্তু এই দুই পদ্ধতিই সময়সাপেক্ষ, ব্যথাদায়ক এবং বারবার করতে হয়। তাছাড়া পার্লারে গেলে খরচও কম নয়। আর নিয়মিত শেভিং করলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। তাই অনেকেই এমন একটি প্রাকৃতিক সমাধান খুঁজে থাকেন যা ঘরেই সহজে করা যায়, ব্যথা নেই এবং ত্বকের ক্ষতিও হয় না।
পাউডার প্যাক
মুখের লোম দূর করার ক্ষেত্রে ছোলার গুঁড়ো, হলুদ ও দই বা দুধ দিয়ে তৈরি পাউডার প্যাক বহুদিন ধরেই জনপ্রিয়। কারণ এটি কোমল ত্বকের জন্য খুবই উপযোগী এবং মুখের লোম ধীরে ধীরে পাতলা করে। নিয়মিত ব্যবহারে লোমের বৃদ্ধি কমে আসে এবং মুখ আরও পরিষ্কার দেখায়। এই পাউডার প্যাক শুধু লোম দূর করে না, পাশাপাশি ত্বককে উজ্জ্বলও করে।
আরও পড়ুন- আলিপুরের পর কলকাতার দ্বিতীয় চিড়িয়াখানা, দর্শকদের ভিড়ে জমজমাট!
ছোলার গুঁড়ো একটি প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে। এতে থাকা ভিটামিন ও প্রোটিন ত্বকের রং উজ্জ্বল করে এবং মৃত কোষ দূর করে। হলুদ একটি শক্তিশালী জীবাণুনাশক উপাদান, যা ত্বকে কোনও প্রদাহ বা সংক্রমণ হতে দেয় না। এছাড়া ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে। দই বা দুধ ত্বককে আর্দ্র রাখে, মসৃণ করে এবং ত্বকের উপরিভাগে একটি সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে। মধু হলে ত্বক আরও নরম হয় এবং প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। লেবুর রস লোমের গোড়া দুর্বল করে এবং ত্বককে হালকা করে তোলে, যা লোমকে আরও কমাতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন- লেখাপড়া, কাজে মনসংযোগের অভাব? নিত্যদিনের এই পানীয়তে মিটবে সমস্যা!
এই পাউডার প্যাক তৈরিও খুব সহজ। একটি পাত্রে ছোলার গুঁড়ো, হলুদ, দই বা দুধ, সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে পেস্ট বানাতে হবে। যদি পেস্টটি অতিরিক্ত ঘন হয়ে যায়, তবে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল যোগ করলে এটি সহজে ব্যবহারযোগ্য হয়। মিশ্রণটি মুখের যে অংশে লোম বেশি, সেখানে সমানভাবে লাগাতে হবে। শুকোতে ১০–১৫ মিনিট সময় লাগে। শুকিয়ে গেলে আঙুল দিয়ে আলতো করে ঘষে প্যাকটি তুলতে হবে। ঘষার দিকটি উলটো দিক থেকে সোজা দিকের দিকে করলে লোম সহজে উঠে আসে। এরপর মুখ ধুয়ে একটি হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগানো জরুরি, যাতে ত্বক শুষ্ক না হয়।
আরও পড়ুন- চিনতে পারছেন? শীতে এই ছয় পরিযায়ী পাখির দেখা মেলে ভারতে!
এই প্যাক সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে লোম পাতলা হতে থাকে। তবে কোনও নতুন উপাদান মুখে লাগানোর আগে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া উচিত। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা দরকার। প্রথমবার ব্যবহার করার সময় কানের পিছনে বা হাতে সামান্য লাগিয়ে দেখুন কোনও ধরনের জ্বালা বা অ্যালার্জি হয় কি না। যদি কোনও সমস্যা না হয়, তাহলে নিশ্চিন্তে মুখে ব্যবহার করতে পারেন।
আরও পড়ুন- ঘনঘন প্রস্রাবে নাজেহাল? ঘরের এই সামান্য জিনিস খেয়ে করুন বিনামূল্যে সমাধান
এই ঘরোয়া পাউডারটির নিয়মিত ব্যবহারে মুখের লোম কমে আসবে এবং মুখ আরও পরিষ্কার ও উজ্জ্বল দেখাবে। তবে মনে রাখবেন, যদি আপনার লোমের সমস্যা হরমোনের কারণে হয়ে থাকে, তাহলে ঘরোয়া উপায়ে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া যাবে, কিন্তু মূল সমস্যা দূর করতে চিকিৎসকের প্রয়োজন হতে পারে। তাই যদি লোম হঠাৎ অনেক বাড়ে বা অন্য উপসর্গ দেখা দেয়, অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us