Navratri day 2: নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনে মা ব্রহ্মচারিণীর পূজা, মেলে জ্ঞান ও সমৃদ্ধি

Navratri: নবরাত্রী ২০২৫-এর দ্বিতীয় দিনে দেবী ব্রহ্মচারিণীর পূজা করলে জীবনে আসে জ্ঞান, সম্পদ ও সাফল্য। জানুন মাতা ব্রহ্মচারিণীর পূজা বিধি, মন্ত্র, প্রসাদ ও কাহিনি।

Navratri: নবরাত্রী ২০২৫-এর দ্বিতীয় দিনে দেবী ব্রহ্মচারিণীর পূজা করলে জীবনে আসে জ্ঞান, সম্পদ ও সাফল্য। জানুন মাতা ব্রহ্মচারিণীর পূজা বিধি, মন্ত্র, প্রসাদ ও কাহিনি।

author-image
IE Bangla Lifestyle Desk
New Update
Maa Brahmacharini

Maa Brahmacharini: দেবী ব্রহ্মচারিণী।

Navratri 2025: ভারতীয় সংস্কৃতিতে নবরাত্রি হল অন্যতম প্রধান উৎসব। নয় দিনব্যাপী এই পূজায় দেবী দুর্গার নয়টি রূপের আরাধনা করা হয়। ২০২৫ সালের নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনে পূজা করা হবে দেবী মা ব্রহ্মচারিণীকে। ভক্তদের বিশ্বাস, তাঁর উপাসনায় জীবনে জ্ঞান, সম্পদ ও সাফল্য লাভ হয়।

Advertisment

দুর্গা সপ্তশতী অনুসারে দেবী ব্রহ্মচারিণী সাদা বসন পরিহিতা। তাঁর ডান হাতে থাকে রুদ্রাক্ষের মালা এবং বাম হাতে কমণ্ডলু। এই রূপকে শান্তি, ধৈর্য এবং ত্যাগের প্রতীক ধরা হয়। ভক্তরা বিশ্বাস করেন, তাঁর পূজায় তপস্যার শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং জীবনে সকল বাধা দূর হয়।

আরও পড়ুন- নবরাত্রিতে কোন রঙের পোশাক পরলে ভাগ্য হবে উজ্জ্বল?

কেন দেবীর নাম ব্রহ্মচারিণী?

আরও পড়ুন- নবরাত্রির প্রথম দিনে হয় দেবী শৈলপুত্রীর আরাধনা, জানেন এতে কী লাভ?

শাস্ত্রমতে, দেবী পার্বতী হিমালয়রাজের ঘরে কন্যারূপে জন্মগ্রহণ করেন। নারদ মুনির পরামর্শে তিনি ভগবান শিবকে স্বামী হিসেবে পাওয়ার জন্য কঠোর তপস্যা করেছিলেন। হাজার বছরের তপস্যায় তিনি কেবল ফল খেয়েছেন, খোলা আকাশের নীচে থেকেছেন, এমনকী শুকনো বিল্বপত্র পর্যন্ত খাওয়া বন্ধ রেখেছিলেন। এত কঠিন সাধনার জন্যই তাঁকে ব্রহ্মচারিণী বলা হয়। তাঁর এই কাহিনি শেখায়— জীবনে সংগ্রামে ধৈর্য ও একাগ্রতা বজায় রাখলে সফলতা আসবেই।

আরও পড়ুন- দুর্গাপূজায় করা হয় চণ্ডীপাঠ, কিন্তু চণ্ডী এবং দেবী দুর্গা কি একই দেবী?

নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনে ভোরে স্নান করে পরিষ্কার পোশাক পরে মা ব্রহ্মচারিণীর পূজা শুরু হয়। দেবীকে সাদা রঙের ফুল, চন্দন, প্রদীপ ও ধূপ নিবেদন করা হয়। বিশেষভাবে দেবীকে চিনি নিবেদন করার প্রচলন আছে। বিশ্বাস করা হয়, চিনি নিবেদন করলে আয়ু বৃদ্ধি হয় এবং জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি আসে। মন্ত্র জপের সঙ্গে দুর্গা সপ্তশতীতে বর্ণিত শ্লোক আবৃত্তি করলে ভক্তি ও শান্তি বৃদ্ধি পায়। দেবীকে চিনি ও ফল প্রসাদ হিসেবে নিবেদন করা হয়। পরে এই প্রসাদ ভক্তরা গ্রহণ করেন, যা পবিত্রতা এবং আশীর্বাদের প্রতীক। 

আরও পড়ুন- বাঙালির কাছে মহালয়া মানে তিনি, জানেন কোথায় থাকতেন বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র? কীভাবে তৈরি হয়েছিল মহিষাসুরমর্দিনী?

মা ব্রহ্মচারিণীর আরাধনার আসল বার্তা হল— ধৈর্য, একাগ্রতা এবং আত্মসংযম। জীবনে কঠিন সময় এলে ভক্তি ও ধৈর্যের সঙ্গে তা মোকাবিলা করলে সাফল্য আসবেই। 

Navratri 2025