/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/06/nonstick-pan-1-2025-12-06-23-38-40.jpg)
Nonstick Pan: নন-স্টিক প্যান।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/06/nonstick-pan-2-2025-12-06-23-39-00.jpg)
নন-স্টিক প্যান
Nonstick Pan Danger: নন-স্টিক প্যান ঘরোয়া রান্নার ক্ষেত্রে অত্যন্ত জনপ্রিয়। অল্প তেলেই রান্না করা যায়, খাবার লেগে যায় না, পরিষ্কার করাও সহজ। কিন্তু সুবিধার পাশাপাশি এই প্যানের কিছু লুকোনো ক্ষতিকারক দিক আছে, যা অনেকেই জানেন না।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/06/nonstick-pan-3-2025-12-06-23-39-34.jpg)
পুরোনো নন-স্টিক কোটিং
বিশেষত পুরনো নন-স্টিক কোটিং, অতিরিক্ত তাপ এবং রাসায়নিক উপাদানের কারণে এই প্যান দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী নন-স্টিক কোটিং তৈরি করতে যে উপকরণ ব্যবহার হয়, তার কিছু অংশ ক্ষতিকর রাসায়নিক উত্তাপে ভেঙে গিয়ে বায়ুতে মিশতে পারে। তাই সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে এই সুবিধাজনক প্যানটি বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/06/nonstick-pan-4-2025-12-06-23-40-11.jpg)
তীব্র তাপে গরম করা উচিত নয়
নন-স্টিক প্যান কখনও খালি অবস্থায় চুলায় তীব্র তাপে গরম করা উচিত নয়। খালি প্যান খুব দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে কোটিং নষ্ট করে দেয়। এতে প্যানে ব্যবহৃত রাসায়নিক স্তর ভেঙে ক্ষতিকর ধোঁয়া তৈরি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ২৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপে নন-স্টিক কোটিং দ্রুত ভেঙে যায়। এর ফলে যে ধোঁয়া তৈরি হয়, তা শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করলে সাময়িক ফ্লু-জাতীয় উপসর্গ বা শরীরে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। অনেক সময় মাথা ঘোরা বা বমিভাবও দেখা দিতে পারে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/06/nonstick-pan-5-2025-12-06-23-41-32.jpg)
নতুন নন-স্টিক প্যান
যদিও বর্তমানে বাজারে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ নতুন নন-স্টিক প্যান পিএফওএ (PFOA) মুক্ত, তবুও পুরনো প্যান ব্যবহার করলে ঝুঁকি থেকেই যায়। কারণ, সেগুলো পিএফওএ নামের রাসায়নিক দিয়ে তৈরি হত। এই উপাদানটি বহু বছর ধরে পরিবেশে থেকে যায় এবং শরীরে জমতেও পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। গবেষণা বলছে যে দীর্ঘদিন এই রাসায়নিক সংস্পর্শে থাকলে লিভারের কার্যকারিতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/06/nonstick-pan-6-2025-12-06-23-42-20.jpg)
প্যানে স্ক্র্যাচ পড়া
নন-স্টিক প্যানে স্ক্র্যাচ পড়া একটি সাধারণ সমস্যা। কাঠের বা সিলিকন স্প্যাচুলা ব্যবহার না করলে খুব সহজেই প্যানের উপরিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একবার স্ক্র্যাচ পড়লে সেই অংশ থেকে ছোট কোটিং কণা খাবারের সঙ্গে মিশে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কোটিং সাধারণত খুব বেশি বিষাক্ত নয়, কিন্তু স্ক্র্যাচ মানেই প্যানের উপরিভাগ নষ্ট হয়েছে এবং সুরক্ষা কমে গেছে। প্যানের স্থায়িত্ব কমে যাওয়া ছাড়াও রান্নার স্বাস্থ্যবিধিতেও সমস্যা তৈরি করতে পারে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/06/nonstick-pan-7-2025-12-06-23-43-24.jpg)
পিএফএএস (PFAS) নামের রাসায়নিকের ব্যবহার
নন-স্টিক প্যানের আরেকটি সমস্যা হল পিএফএএস (PFAS) নামের রাসায়নিকের ব্যবহার। এই রাসায়নিক অনেক দিন ধরে জল ও তেল প্রতিরোধী কোটিং তৈরিতে ব্যবহৃত হত। এগুলি সহজে ভাঙে না এবং পরিবেশে দীর্ঘ সময় ধরে থেকে যায়। এই রাসায়নিক জমে শরীরেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকরা। নিয়মিত ব্যবহারে খুব সামান্য হলেও পিএফএএস খাবারের মাধ্যমে শরীরে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই অনেকেই এখন পিএফএএস-মুক্ত বা নন-টক্সিক কুকওয়্যারের দিকে ঝুঁকছেন।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us