বড় খবর

ওমিক্রনের থেকে রেহাই পেতে কেবলমাত্র বুষ্টার ডোজ কার্যকরী? জেনে নিন

বুষ্টার নিলেই বাঁচবে জীবন – জানান দিচ্ছে গবেষণা

প্রতীকী ছবি

Omicron And Booster dose: ওমিক্রনের থাবা ক্রমশই ভারত জুড়ে বাড়ছে। ভাইরাসের প্রকোপে ফের মানবজীবনে আতঙ্কের রেশ। ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। এবং তার সঙ্গেই উঠে আসছে নানান প্রশ্ন। ভ্যাকসিন আদৌ কাজ করবে কিনা অথবা বুষ্টার কবে নাগাদ ভারতের বুকে শুরু হতে পারে। কারণ গবেষণা বলছে বুষ্টার একমাত্র উপায় মানুষকে বাঁচাতে গেলে।

বিশ্বের বহুদেশে বুষ্টার দেওয়া শুরু হলেও ভারতে এখনও তার সম্পর্কে কিছু জানা যায় নি। তবে অনেকেই এমনও মনে করেন যাদের দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে নাকি বুষ্টারের প্রয়োজন নেই যদিও বা এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। কারণ বুষ্টার না থাকলে শরীরে সঠিকভাবে ইমিউনিটি গঠনই হবে না। 

গবেষণা বলছে ভ্যাকসিন সংক্রান্ত ইমিউনিটি একটি সময়ের পর থেকে হ্রাস হতে শুরু করবে এবং তখনই হবে সমস্যা। বিশেষ করে যাদের ইমিউনিটি কম, অথবা অন্যান্য রোগে আক্রান্ত যেমন হাই ব্লাড প্রেসার কিংবা সুগার তাদের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকছে। তারপরেও একটি আশঙ্কা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। বেশ কিছু বিজ্ঞানীদের মতে বুষ্টার ডোজ সাধারণ ফ্লু ইনজেকশনের মত কাজ করতে পারে! অর্থাৎ বছর বছর নতুনভাবে একটি ইনজেকশন করোনা ভাইরাসের থেকে দূরে থাকতে গেলে নিতে হতে পারে। 

বুষ্টার কোন সময় নিলে ভাল? 

বিজ্ঞানীদের এবং চিকিৎসকদের মতামত অনুযায়ী, ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ একসময় পর কাজ করা ধীরে ধীরে কম করবে। সেই সময় শরীরের ইমিউনিটি কম থাকে – সেটিকে চাগাড় দিতেই বুষ্টার ওইসময় কাজে আসতে পারে। এবং এর প্রায় ১০/১২ দিন পর থেকেই শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে শুরু করবে। সেন্টার ফর ডিজিস প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল এর মতামত অনুযায়ী যারা এম-রেনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন তাদের সেকেন্ড ডোজের ছয় মাস পর বুষ্টার নেওয়া উচিত। 

ওমিক্রন থেকে যেই মাত্রায় ভয় থাকছে সেই নিয়েই চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এর মিউটেশন এতই বেশি যে সাধারণ ভ্যাকসিন দিয়ে শরীর সুস্থ রাখা একেবারেই সম্ভব নয়। তার মধ্যেই ভ্যারিয়েন্ট বদলে যাওয়ার কারণে যথেষ্ট সমস্যা দেখা দিয়েছে – টিকা কাজ করা এই ক্ষেত্রে খুব জোড়ালো বিষয়। তবে আদৌ বুষ্টার সাময়িক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে জুড়ে যাবে কিনা সেই প্রসঙ্গেও মতামত রয়েছে। 

বছর বছর নিতে হবে বুষ্টার ডোজ? 

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যেহেতু সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই ভ্যাকসিনের প্রভাব কমে যাচ্ছে, সেই কারণেই চিন্তা থাকছে যথেষ্ট। এবং গবেষণা বলছে বুষ্টার নিস্তেজ হয়ে যাওয়া ইমিউনিটি কে পুনরায় জাগিয়ে তুলতে পারে – কারণ এটি বিশেষ করেই অ্যান্টিজেন হিসেবে কাজ করে। এবং তারা এমনও জানিয়েছেন যদি ভ্যাকসিন গুলি ভাইরাল ইনজেকশনের মতই কাজ করে তবে বছর বছর কিন্তু বুষ্টার ডোজ নেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকছে। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সঠিক মাত্রায় থাকবে এবং বিশেষ করে যারা বয়স্ক মানুষ রয়েছেন তারা কিন্তু সুস্থ থাকবেন। ৬৫ বয়সর্ধ মানুষদের অবশ্যই বুষ্টার নেওয়া উচিত। ওমিক্রন এর থাবা শিশুদের মধ্যে যাতে না পড়ে তাই ওদের জন্য ভ্যাকসিনের বন্দোবস্ত অবশ্যই করা উচিত! 

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন

Get the latest Bengali news and Lifestyle news here. You can also read all the Lifestyle news by following us on Twitter, Facebook and Telegram.

Web Title: Omicron cannot cure without booster here are the research says

The moderation of comments is automated and not cleared manually by bengali.indianexpress.com