/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2020/03/pritilata-cover.jpg)
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। নামটা ভুলিনি হয়তো আমরা। কিন্তু কেন মনে রাখতে হতো, সেসব বিস্মৃত হয়েছি বোধহয়। চট্টগ্রামে (অধুনা বাংলাদেশ) বড় হওয়া প্রীতিলতা ছাত্রী হিসেবে ছিল বেশ চোখে পড়ার মতোই। ছাত্রাবস্থাতেই বিপ্লবী সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সূত্রেই জড়িয়ে পড়া ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে। এরকমই এক মহিলা বিপ্লবী ছিলেন লীলা নাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। লীলা ছিলেন সুভাষ চন্দ্রের খুব কাছের। পরে তিনিই তৈরি করেন দীপালি সংঘ।
উচ্চ শিক্ষার জন্য কলকাতায় পড়তে এলেন প্রীতিলতা। দর্শন নিয়ে ভর্তি হলেন বেথুন কলেজে। কলকাতায় তাঁর সঙ্গে পরিচয় হল সূর্য সেনের। প্রীতিলতা ডাকতেন 'মাস্টার দা' বলে। এভাবেই সূর্য সেনের দলে যোগ দেওয়া তাঁর। গত শতাব্দীর তিনের দশকে তখন প্রীতির যোগ দেওয়া নিয়ে আপত্তিও এসেছিল একাধিক সদস্যের কাছ থেকে।
আরও পড়ুন, দেশের জন্য প্রাণ দিয়েও বিস্মৃত সব বীরাঙ্গনারা
১৯৩০ এর চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের সময় প্রীতিলতার বয়স কুড়ি। সূর্য সেন, গণেশ ঘোষ, লোকনাথ বল, অম্বিকা চক্রবর্তী, আনন্দ প্রসাদ গুপ্ত, ত্রিপুরা সেন, কল্পনা দত্ত, হিমাংশু সেন, বিনোদ বিহারী চৌধুরী, সুবোধ রায় এবং মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যের সঙ্গে প্রীতিলতা এবং দলের অন্যান্যরা ঠিক করলেন ব্রিটিশদের অস্ত্রাগার লুট করবেন তাঁরা, টেলিফোন আর টেলিগ্রাফ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেবেন। অস্ত্রাগার লুট করতে যদিও সফল হননি তাঁরা, তবে টেলিফোন আর টেলিগ্রাফের সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা গেছিল।
/indian-express-bangla/media/post_attachments/65634e2f8beb5fe825decc4540c002b8120f4a46d878cf4ce230107170b9e5d9.jpg)
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us